ওমর ফারুক নাঈম॥ মৌলভীবাজারে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নতুন করে মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া কুলাউড়া ও জুড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলা হচ্ছে কাউয়াদিঘি হাওর এবং কুলাউড়া ও জুড়ি উপজেলা হচ্ছে হাকালুকি হাওর বেষ্ঠিত। কয়েকদফা বন্যাক্রান্ত মৌলভীবাজার ও রাজনগর উপজেলা কাওয়াদীঘী হাওর ৪র্থ দফায় বন্যা আক্রান্ত হয়েছে। কুলাউড়া ও জুড়ি উপজেলার হাকালুকি হাওর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে জলাবদ্ধতায় রুপ নিয়েছিলো। কিন্তুু গত ৪/৫ দিনের টানা বৃষ্টিতে এবং উজান থেকে ছোট ছোট ছড়া দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে আবারও মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর উপজেলার মানুষ বন্যাক্রান্ত। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে অর্ধশত গ্রাম। বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। তলিয়ে গেছে রাস্থাঘাট, ফসলী জমি ও রুপা আমনের বীজতলা।
কুলাউড়া, জুড়ী ৫টি ইউনিয়নের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ সব এলাকার অধিকাংশ বাড়ী-ঘর, রাস্তাঘাট বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। জুড়ি উপজেলার আঞ্চলিক মহাসড়কও প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে ঘর বাড়ি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। হঠাৎ করে এভাবে পানি বাড়তে থাকায় আতঙ্কিত নদী পাড়ের বাসিন্দারা।
রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপন করা হচ্ছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.