
জুড়ী প্রতিনিধি॥ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের হায়াছড়ায় ফসল চাষ করে কিংবা অন্য কোন কাজ করে নয়, এবার কলাবাগান করে স্বাবলম্বী মোঃ মাতাব উদ্দিন। কোন সরকারি সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজ চেষ্টায় কলা চাষ করে জুড়ী উপজেলা সহ তথা কুলাউড়া-বড়লেখা বিভিন্ন জায়গায় কলার চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করছেন মাতাব উদ্দিন। তিনি ২০১৫ সাল থেকে ২ একর জায়গা নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির কলার চাষ শুরু করেন। বর্তমানে ৪ একর জায়গায় কলা চাষ করছে মাতাব উদ্দিন। সম্প্রতি তার কলাবাগানে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে সাফল্যের এই ইতিবৃত্ত পাওয়া যায়।
তার মতে চেষ্টা করলে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছনো সম্ভব তাই সবাই একেকটি করে প্রজেক্ট নিলে দেশের এবং নিজের চাহিদাও পূরণ করা দুষ্কর নয়। মাতাব উদ্দিন বলেন এক্ষেত্রে সবাইকে পরিশ্রমী হতে হবে। ২০১৫ সালে এ বাগান গড়ে তুলতে খরচ হয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। প্রথম বছর লাভের মুখ তেমন না দেখলেও পরের বছর থেকে ভালোই সফল হয়ে আসলেন তিনি। বর্তমানে তার ৪ একর জায়গায় বাগানে লম্ভি কলা, গ্যাড়া কলা, কাঁচ কলা ও চম্পা কলা গাছ রয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫শতটি। প্রতি মাসে ৪ প্রকারের প্রায় ৫০টি কলার ছড়ি বিক্রয় করেন তিনি। যার মূল্য গড়ে ১২ হাজার ৫শত টাকা বছরে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। শুধু কলা নয়, বাড়ির আঙ্গিনায় বা নিজস্ব বাগানে লাগানোর জন্য কলার চারাও নিয়ে যান অনেকে। একটি কলা চারা ২০-৩০ টাকা বিক্রিয় হয় বলে তিনি জানান। আর এসব কলা পাইকাররা নিজেরাই বাগান থেকে ক্রয় করে আনেন।
এ ব্যাপারে জুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবল সরকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, হায়াছড়ায় মাতাব উদ্দিনের কলা বাগানের খবর পেয়েছেন, মাতাব উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.