সাইফুল ইসলাম॥ শ্রীমঙ্গলে উপজেলায় ৫ নভেম্বর রবিবার বিকেলে প্রশাসন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে এক কিশোরী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে। পরে ভ্রাম্যমান আদালত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিভাবক ও বরকে দন্ড প্রদান করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মোবাশেরুল ইসলাম রবিবার সন্ধ্যায় এতথ্য নিশ্চিত করেন।
উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি কিশোরী মেয়ে (১৬) বাসা শ্রীমঙ্গল শহরের আপ্তাব উদ্দিন সড়কের বাসিন্দা। পরিবারটি অসচ্ছল। রবিার ৫ নভেম্বর রাতে গোপনে ওই বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোবাশশেরুল ইসলাম বিকেলের দিকে একদল পুলিশ নিয়ে বাসায় যান। প্রথমে অস্বীকার করলেও একপর্যায়ে অভিভাবক তাদের কাছে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে বাল্যবিবাহ বন্ধে কিশোরীর পরিবারের অভিভাবক ও বরকে দন্ড দেন।
কিশোরীর মা নাজমা আক্তার (৫০) সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও তিন সন্তানের জনক বর হুসেন আলীকে ২১ দিনের বিনাশ্রম করাদন্ড দেয়া হয়।
বরের বাড়ী হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা গ্রামের মৃত আঃ মতিন এর পুত্র। অপরদিকে কিশোরীকে পাশের বাসার এক বোন বাবলী আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
শ্রীমঙ্গলের ইউএনও মোবাশশেরুল ইসলাম বলেন, ১৮ বছরের আগ পর্যন্ত কিশোরীকে বিয়ে দেওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, ‘বর হুসেন আলী আগের দুই স্ত্রী আছে। তার মধ্যে ২ছেলে ১ মেয়েও থাকার পর প্রখম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে কিশোরী মেয়েটিকে বিয়ে করার প্রস্তুতি নেওয়ায় সে অপরাধী। তাদেরকে থানা পুলিশের মাধ্যমে মৌলভীবাজার কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.