
স্টাফ রিপোর্টার॥ ওমান পাঠানোর নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক আদম বেপারীর শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে ভুক্তভোগি ২৬টি পরিবারের সদস্য।
বৃহস্পতিবার ২৩ নভেম্বর দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব চত্ত্বরে ঘন্টা ব্যাপী মানব বন্ধন শেষে প্রভাষক হাফেজ তাজুল ইসলাম সভাপতিত্বে ও হাফেজ আব্দুস সামাদ তালুকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, প্রভাষক আব্দুল করিম, সৈয়দ মতিন মিয়া, এমদাদুল হক, মেরাজ চৌধুরী, চিনুরঞ্জন তালুকদার ও জাবেদ আহমদ প্রমুখ।
ভোক্তভোগীরা জানান, ভাটেরা ও ভুকশিমইল ইউনিয়নের ২৬ জন দিনমজুর লোকের কাছ থেকে ওমান পাঠানোর নামে জনপ্রতি ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা করে ৫৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে জাল ভিসা ও ভুয়া টিকেট দিয়ে ২০১৫ সালের ২২ আগষ্ট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ফ্লাইটের কথা বলে। ওই ২৬ জন লোক নির্ধারিত সময়ে ঢাকা শাহজালাল বিমান বন্দরে উপস্থিত হলে বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ ২৬ জন লোকের ভিসা ও টিকেটকে ভুয়া শনাক্ত করে। লোকজন হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরে জানতে পারেন প্রতারক কালাম ইতি মধ্যেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
পরবর্তীতে ভোক্তভোগীরা বাদী হয়ে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ৫টি মামলা এবং জেলা প্রশাসকসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে কালামকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে দীর্ঘ দিনের চেষ্টায় গোয়েন্দা পুলিশ চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর ঢাকার বিজয়নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। পরে মঙ্গলবার কোর্টের মাধ্যমে থাকে মৌলভীবাজার জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
উল্লেখ্য ফেনী জেলার ছাগল নাইয়া উপজেলার নুর আলমের পুত্র আবুল কালাম আত্ম গোপনে থাকা অবস্থায় ঢাকায় প্রতারণা করে ডলি বেগম নামের বরিশালের এক মেয়েকে বিয়ে করে। বর্তমানে ওই স্ত্রী’র ২ মাসের একটি ছেলে রয়েছে। কালাম কুলাউড়ার ভাটেরায় থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালে নুরুল ইসলামের মেয়ে মিলি বেগমকে বিয়ে করেছিল। ওই স্ত্রী’র ৪ বছরেরও একটি ছেলে রয়েছে। মঙ্গলবার কোর্টে আদম বেপারী কালামের উভয় স্ত্রী মুখামোখি হলে সে প্রথম স্ত্রী ও ছেলেকে অস্বীকার করে। এসময় উভয় স্ত্রীর মধ্যে ভাকবিতন্ডা হয়।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.