স্টাফ রিপোর্টার॥ ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শেরপুর হাইওয়ে থানার নিয়ন্ত্রণাধীন শেরপুর, আউশকান্দি, ওসমানীনগর থানার বেগমপুর এলাকায় ছোট বড় যানবাহন আটকিয়ে ট্রাফিক পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এমন অভিযোগ ছোট বড় যানবাহনের চালকরা হরহামেশা করে আসলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়না বলে একাধিক চালক জানিয়েছেন। প্রতিকার চাইতে গেলে চাঁদার পরিমান বাড়ে বলেও অনেকের অভিযোগ। ট্রাফিক পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ছোট বড় যানবাহনের চালক ও মালিকরা।
একাধিক চালক অভিযোগ করে জানান, ট্রাফিক পুলিশ গাড়ী আটকিয়ে প্রায় জিম্মি করে টাকা আদায়ৃ করে। ট্রাফিক পুলিশ গাড়ী আটকানোর পর চালকরা অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েন আইনের কাছে। বৈধ কাগজপত্র থাকারও পরও বাধ্য হয়ে অনেকে ঝামেলা এড়াতে ট্রাফিক পুলিশকে উৎকোচ দিয়ে সড়কে যানবাহন নিয়ে চলাচল করেন।
সৈয়দপুর এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি চালক জানান, গাড়ী নিয়ে সড়কে নামলেই শেরপুর হাইওয়ে থানার ট্রাফিক পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় ঢাকা সিলেট মহাসড়কের সৈয়দপুর এলাকায়, মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিক্সা, ইজিবাইক, টেম্পুসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন আটকিয়ে কাগজপত্র পরিক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। অনেক যানবাহন ও চালকদের বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও আইনের প্যাঁচ থেকে বাচতে বাধ্য হয়ে চাঁদা দিয়ে কেটে পড়েন।
এমন ঘটনা নিত্যদিনের বলে জানান চালক ও এলাকার লোকজন। এ ব্যাপারে দায়িত্বরত ট্রাফিকের সহকারীর কাছে চাইলে তিনি চালকদের এমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি বিমল ভৌমিেেকর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি চাঁদাবাজির কথা অস্বীকার করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.