
ওমর ফারুক নাঈম॥ মৌলভীবাজার ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্ধে দুই কর্মী মোহাম্মদ আলী শাবাব ও নাহিদ আহমদ মাহি খুনের দুইমাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত মূল আসামীরা পুলিশের ধরা ছোয়ার বাহিরে।
মামলার বাদী ও নিহত শাবাবের মা সেলিনা রহমান চৌধুরী’র অভিযোগ, পুলিশ আমাদের এতদিন আশার বাণী শোনিয়ে এখন মামলটি সিআইডির কাছে নিয়ে যেতে বলছে। মূলত পুলিশ আসামীদের অবস্থান জানার পরেও তাদের রহস্য জনক কারণে গ্রেফতার করছে না। পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচ আসামীকে গ্রেফতার করলেও প্রধান আসামীসহ বাকী সাতজনই নাগালের বাহিরে।
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা নিহত মোহাম্মদ আলী শাবাবের মা বলেন, আসামী গ্রেফতার করতে মডেল থানার ওসি সুহেল আহাম্মদের সাথে যোগযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি আসামীদের ধরতে ব্যার্থ। বিভিন্ন মহল থেকে আমার উপর চাপ আসছে। রাগান্নীত কন্ঠে শাবাবের মা আরোও বলেন, অথচ ওসি সাহেব আগে বলেছিলেন তিনি অনেক বড় বড় আসামীদের গ্রেফতার করেছেন। এই মামলার সকল আাসমীদের তিনিই গ্রেফতার করবেন। আমি মনে করি ওসি সাহেবকে হয়ত খুনের ইন্ধনদাতারা আসামীদের না ধরতে বলছেন। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে গত দুইমাস ধরেই শুধু আশার বাণীই পাচ্ছি।
এ পর্যন্ত এই মামলায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী মামলার ৮নং আসামী, ৫নং আসামী (দুই আসামী অপ্রাপÍ বয়স্ক হওয়ায় নাম প্রকাশ করা হল না), ৭নং আসামী রুবেল মিয়া ও ৬ষ্ঠ আসামী সনি হায়দার। ২নং আসামী আরাফাত রহমান আদালতে আত্মসমর্ণপন করেছেন। ৮নং ও ৫নং আসামী এসএসসি পরীক্ষার কারণে আদালত তাদের জামিন দিয়েছে। তবে বাকী তিন আসামী মৌলভীবাজার কারাগারে রাখা হয়েছে।
এবিষয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুহেল আহম্মদ মামলাটি সিআইডির কাছে হস্থান্তরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার উপর কোনো চাপ নেই। বাকী আসামীদের গ্রেফতার করতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। আসামীরা দেশে না দেশের বাহিরে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের মনে হয় ওরা আত্মগোপনে দেশেই আছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.