
স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজার পৌর শহরের জঙ্গি আস্তানা বড়হাটে নিহত এক নারী জঙ্গির পরিচয় গেল ১ বছরেও বাহির করতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশ বলছে ওই নারীর পরিচয় বাহির করতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। বড়হাট ও নাসিরপুরে জঙ্গি আস্তানা দুটি সংস্কার করে স্বাভাবিক গতিতে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বাড়ির মালিক লন্ডন প্রবাসী সাইফুর রহমান।
জানা যায়, গত বছরের ১ এপ্রিল বড়হাটে অপারেশন ম্যাক্সিমাস সমাপ্ত হওয়ার পর নিহত ২ পুরুষ ও ১ নারী জঙ্গির মধ্যে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার দেউটি ইউনিয়নের আশরাফুল আলম নাজিম নামের একজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া গেলেও বাকী ২জনের পরিচয় পায়নি পুলিশ। কয়েক মাস পরে ময়মনসিংহের, ফুলবাড়িয়া-ঝুরবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে শাখাওয়াত হোসেন প্রকাশ মাহফুজ নামে নিহত আরেক জঙ্গির পরিচয় বাহির করে পুলিশ। পুলিশ জানায় জঙ্গি মাহফুজ এক সময় নৌবাহিনীত কাজ করত। পরবর্তীতে সে জঙ্গি কার্যক্রমের সাথে সম্পিক্ত হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত বড়হাটের সেই নারী জঙ্গির পরিচয় বাহির করতে পারেনি পুলিশ। একই মালিকের আরেকটি বাড়ি সদর উপজেলার নাসিরপুরে গত বছরের ৩০ মার্চ অপারেশন হিটব্যাক পরিচালনা করলে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের স্বামী-স্ত্রী ও ছেলে সন্তানসহ ৭জন নিহত হন এবং তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের পরিচয়ও পাওয়া যায়।
সরেজমিন পৌর শহরের বড়হাট এলাকায় গেলে দেখা যায়, জঙ্গি আস্তানাটি প্রশাসন মালিক সাইফুর রহমানের কাছে হস্থান্তরের পর পূর্ণ সংস্কারের কাজ চলছে। এসময় মানিক মিয়া নামের এক মেস্তরি বলেন, কলংকের গ্লানি মুছতে মালিক বাড়িটিকে আধুনিক ভাবে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, অভিযানের কথা মনে হলে এখনও শরীর শিওরে উঠে। সেই বাড়িটির দিকে গেলে ভয়াবহ দৃশ্যের কথা মনে পড়ে। তারা বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে জঙ্গি ও সাম্প্রদায়িক মুক্ত সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে সকলকে কাজ করতে হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.