
হোসাইন আহমদ॥ ওরা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। সবার পরিচয় বাঙ্গালি। লেখাপড়া, চাকুরী ও অন্যান্য প্রয়োজনের তাগিতে সবাই ফাঁড়ি জমিয়েছিলেন যুক্তরাজ্যে। সেখানে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা, প্রতিভা, পরিশ্রম ও ভালো ব্যবহার দিয়ে জয় করেছেন স্থানীয়দের মন। অনেকে কাজের পাশাপশি যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় রাজনীতিতে। ওরা পাল্লা দিয়ে রাজনীতি ও সমাজ সেবায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন দীর্ঘ দিন যাবত।
এরই ধারাবাহিকতায় ৪ মে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে মৌলভীবাজারের ৫ কৃতিসন্তান বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন একাধিকবারও জয়ের মালা ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ফলাফল প্রকাশের পর দেশে বিদেশে অবস্থানরত বাঙ্গীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইতে থাকে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক ও ওয়্যাটসপ এ চলছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা।
জানা যায়, যুক্তরাজ্যের ইনফিল্ডের এডমন্ড এলাকা থেকে লেবার পার্টির হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের গবিন্দপুর গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে মাহতাব উদ্দিন। মেইদা ভেলী থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলার একাটুনা ইউনিয়নের কুইন্স পার্ক বাংলাদেশি এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রাফুল মিয়ার বোন রিতা বেগম। এ নিয়ে রিতা ধারাবাহিক দু’বার লেবার পার্টি’র পক্ষে বিজয় ছিনিয়ে আনলেন। সেন্ট আলবাস ও লন্ডন কলোনীর প্যারিস কাউন্সিলের উপ-নির্বাচনে লেবার পার্টি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের বাউরভাগ গ্রামের বাসিন্দা মৃত নওয়াব উল্যার ছেলে মোহাম্মদ মর্তুজা মিয়া।
টাওয়ার হ্যামলেট থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের উছমানপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী ফারুক আলীর মেয়ে সাবিনা আক্তার। ইতিপূর্বে সাবিনা টাওয়ার হ্যামলেটের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ইজলিংটন এলাকা থেকে লেবার পার্টির হয়ে টানা পাঁচ বারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলার শাহাবন্দর এলাকার মরহুম আব্দুল গফুর চৌধুরীর ছেলে একে এম গোলাম জিলানী চৌধুরী।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.