শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥ শ্রীমঙ্গলে পানি নিস্কাশনের গতিপথ কার্লভাটের মুখ বন্ধ করে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছে এলাকার প্রভাবশালী একটি পরিবার। তাদের পানি প্রবাহের গতিপথে প্রতিবদ্ধকতা সৃষ্টির কারণে বেশ কয়েকটি পরিবার প্রায় পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান ওই প্রভাবশালীদের পক্ষ নিয়ে ওই গতিপথের উল্টোদিকে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করার কথা বলে দিনের পর দিন ঝুলিয়ে রাখছেন। গতকাল শুক্রবার বিকাল ৫টায় শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব এর বিপুল রঞ্জন চৌধুরী ও মহরম খাঁন কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভীমসী গ্রামের বাসিন্দা মৃত অশ্বিনী রুদ্র পালের পুত্র ঝুন্ট রুদ্র পাল।
তিনি লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, ভুনবীর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভীমসী গ্রামের বাসিন্দা মৃত বিহারী কুমার পাল এর পুত্র বিনোদ পাল, বিমল পাল ও শ্যামল পাল ভুরবীর দশরত উচ্চ বিদ্যালয় ও লোকনাথ মন্দিরের নিকটবর্তী সরকারী মালিকানাধীন ১/১ খতিয়ান ভুক্ত খাস পুকুরে মাছের ফিসারী করছেন। ওই পুকুরের দিকে (মির্জাপুর শমশেরনগরও শ্রীমঙ্গল আঞ্চলিক সড়কের) উজানের পানি নিস্কাশনের জন্য সরকারী একটি কালর্ভাল থাকলে ওই বিনোদ পাল গংরা তা বদ্ধ করে দেয়। এতে পানিটি নীচের দিকে না গিয়ে উল্টো পানি ফুলে উজানের দিকে উঠছে। একারণে একদিকে রাস্তার উপর পানিতে রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে, অন্যদিকে ভুরবীর দশরত উচ্চ বিদ্যালয় কলেজ ও লোকনাথ মন্দিরসহ তাদের ঘর বাড়ীতে পানি উঠছে। এতে তারা ১০ টি পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়ছেন। এনিয়ে স্থানীয় বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানসহ অনেকের কাছেই বার বার ধর্না দিয়ে কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। স্থানীয় চেয়ারম্যান ওই প্রভাবশালীদের পক্ষ নিয়ে ওই গতিপথের উল্টোদিকে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করার কথা বলে দিনের পর দিন ঝুলিয়ে রাখছেন। তিনি আরো জানান, এব্যাপারে ২৩ এপ্রিল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মৌলভীবাজর জেলা প্রশাসক বরাবর তারা অভিযোগ দিয়েছেন।
এদিকে অভিযুক্ত বিমল পাল কালভাটের মুখ বন্ধ করার কথা শিকার করে জানান, তারা চেয়ারম্যানের নিদের্শ অনুয়ায়ী উজান দিকে পানি নিস্কাশনের জন্য কয়েকটি রিং দিয়েছেন। অভিযোগকারীসহ অন্যরে সহযোগীতা না করায় এর সমাধান হচ্ছেন বলে তিনি জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য সুভাস রায় ঘটনাটি শিকার করে বলছেন, এতে ভুক্তভোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এবং উল্টোপথে উজান দিকে রিং দিয়ে যে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে সেটাও তেমন কোন উপকারে আসবেনা।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.