
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভীমসী গ্রামের বাসিন্দা মৃত বিহারী কুমার পাল এর পুত্র বিমল পাল এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের পতিপক্ষ একই এলাকার ঝন্টু পালের অভিযোগ নাখোশ করে দিয়েছেন। তারা বলেছেন ১১ তারিখ ১৮ মে শুক্রবার শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ভীমসী গ্রামের বাসিন্দা মৃত অশ্বিনী রুদ্র পালের পুত্র ঝুন্ট রুদ্র পাল তাদের বিরুদ্ধে পানি নিস্কাশনের গতিপথ সরকরী কার্লভাটের মুখ বন্ধ করে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করেছে বলে যে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করেছেন তারা তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। বৃহস্পতিবার বিকালে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব এর বিপুল রঞ্জন চৌধুরী ও মহরম খাঁন কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এর তীব্র প্রতিবাদ জানান।
তিনি জানান, ওই লিজকৃত ভুমিটি প্রমোদিরী সেন এর কছ থেকে তারা ক্রয় করেছিলেন। তৎকালীন পাকিস্থান আমলে হিন্দুরে জমি রেজিষ্ট্রারী বন্ধ থাকায় এবং পরিবারটি ভারত চলে যাওয়ায় দেশ স্বাধীনের পর ওই জমি শক্রসম্পত্তি হয়ে সরকারের খাস খতিয়ানে চলে যায়। কিন্ত তারাই এখন পর্যন্ত সরকারী লিজনি পরিশোধ করে ওই জমি ভোগদখল করিয়া আসতেছেন। পুকুরটি পরিত্যক্ত থাকা অবস্থায় শ্রীমঙ্গল-সমশেরগঞ্জ রাস্তার পশ্চিম পর্শ্বের জন্য একটি খাল ছিল। উক্ত খাল দিয়া পানি উত্তরদিকে প্রবাহিত হয়ে বড় পুলের নালায় পড়ে পানি হাওরে চলে যেত।এমতাবস্থায় রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বের মলিকগন যথাক্রমে ধীরেন্দ্র পাল, প্রানেশ পাল, ঝন্টু পাল, সমীরন পাল, গোপাল পাল তাহাদের স্ব স্ব ভুমিতে রাস্তর পশ্চিম পার্শ্বের জমিতে পুকুর খনন করে খালটি বন্ধ করে পানি নিস্কানের ব্যহতের করণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। তখন সাময়িক ভাবে জলাবদ্ধতার নিরনসের লক্ষ্যে স্থানীয় মুরব্বিদের নিয়ে ওয়ার্ড মেম্বাার পুকুরের দিকে জল নিস্কাশনের জন্য একটি কালভার্ট প্রদান করায় তারা তার প্রতিবাদ করেন। তখন উপস্থিত মুরব্বিগণ সাময়িক সময়ের জন্য পানি নিস্কাশনের কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করে তারা কালভার্ট স্থাপন করেন। অতচ এর আগে পুকুরের দিকে কখনো সরকারী ব্রীজ বা কালর্ভাট ছিলনা। পরবর্তীতে ওই কালভাটের পানিতে পুকুরের মাছ ভাসিয়ে নেয় এবং মাঝে মাঝে বিষাক্ত পানি পুকুরে পড়ে মাছে ক্ষতি হওয়াতে তারা স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ করে কালভাটের মুখ বন্ধ করেন দেন। এছাড়াও পানি নিস্কাশনের জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মুরুব্বিদের নিয়ে একটি সমাধান হলেও ঝন্টু পাল ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সেই সালিশী সমধান না মেনে ওই কালভার্ট দিয়ে পানি নিস্কাশনের দাবীতে অনড় থাকেন। এবং ঝন্টু পল গংরা শালিশে সিদ্ধান্ত অমান্য করেনিজেদের খেয়ালখুশিমত তাদের পরিবারিক মর্যাদাকে হেয়প্রতিপন্ন করার মানসে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতে নতব্য পকাশ করেন। তাদের এহেন আচরণ অত্যন্ত দু:জনত ও লজ্জাকর। তারা উক্ত মতামতের লিখিত বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন বাবুল দত্ত ও এলাকার পল্লী চিকিৎসক ডা: শশাংক দাস।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.