
স্টাফ রিপোর্টার॥ অবশেষে তিনদিন পর রাজনগর উপজেলার কুশিয়ারা নদী সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ভাঙ্গন রক্ষা করা হলো।
২১ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্টদের সহযোগীতায় ও উত্তরভাগ ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক খরছ ব্যয় করে কয়েক হাজার বালি ভর্তি বস্তা, বাশ ও গাছ-পালা ব্যবহার করে পুরোধমে বন্ধ করা হয়েছে পানির শ্রোতধারা। এর আগে দুপুরে স্থানীয় ইউপি সদস্য ঝুনু মিয়ার সাথে সরেজমিনে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি জানান, তিন দিন হলো বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে। এই বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়াতে রাজনগরের ২০-২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর প্রভাবে মাছের ফিশারি.পুকুরের মাছ ও ঘরে রাখা বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। এ কাজের ব্যয়ভার কারা গ্রহন করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন ইউনিয়ন পরিষদ বাঁধ রক্ষার যাবতীয় খরছ চালিয়ে নিচ্ছে। পরবর্তীতে পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিশোধ করবে। তিনি বলেন, এ বাঁধ রক্ষা করতে প্রায় আড়াই হাজার বালির বস্তা ও অনেকগুলো গাছ হারিয়ে গেছে। পরবর্তীতে আরো ৮ হাজার বস্তা বালি প্রস্তত করা হয়। তবে ওই এলাকার হলদিগুল গ্রামের শ্রমিক ফেরদৌস আলম জানান, বাঁধ মেরামত করতে এতোগুলো বস্তা বালি হারিয়ে যায়নি। শুরুতে ৪শ ৭৫টি বালির বস্তা ও ২৮টি গাছ পানিতে তলিয়ে গেছে। উত্তরভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ শাহিদুজ্জামান ছালিক জানান, কালাইরগুলের ভাঙ্গন মেরামত করা হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে। এখন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল করছে। তবে আরো কিছুটা কাজ রয়ে গেছে। এগুলো রাত্রে সম্পন্ন হবে। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহি প্রকৌশলী রনেন্দ্র শংকর চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানান,মনু নদীতে পানি কমে বিপদসীমার ২১০ সেঃমিঃ নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর কুশিয়ারা নদীতে পানি বেড়ে বিপদসীমার ২৫ সেঃমিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কালাইরগুল বাঁধে কি পরিমান বস্তা ভর্তি বালি লেগেছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবদককে জানান, সাড়ে ষোল হাজার বস্তা লেগেছে বাঁধ রক্ষায়।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.