
স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার শহরের ফুটপাত যেনো একেকটি মৃত্যু ফাদে পরিণত হয়েছে। ফুটপাতের উপর থাকা আরসিসি স্লেপগুলো ভেঙ্গে বড় বড় গর্তে পরিনত হওয়ায় ভুগান্তিতে পড়েছেন হেটে চলাফেরা করা শহরতলির অধীকাংশ জনসাধারণ। আর এসব ঝুকিপূর্ন ফুটপাতের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় এসব বড় বড় গর্ত একেকটি মৃত্যু ফাদে পরিনত হয়েছে বলে মনে করেন শহরের জনসাধারন।
রাতের আধারে শহরের এরকম ভুগান্তিপূর্ন ফুটপাতে হেটে চলাচলকারী জনসাধারণকে অনেক সতর্কতার সাথে চলাচল করতে হচ্ছে। আর যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন চলাচলকারী জনসাধারণ।
সরেজমিন শহর ঘুরে দেখা যায়, পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়কের পাশে থাকা ফুটপাত গুলোর কোন কোন জায়গায় স্লেপ নেই। আবার কোনো কোনো জায়গায় ভেঙ্গে গর্তে পরিনত হয়েছে। শহরের কুসুমবাগ সড়কে, শমশেরনগর রোড, শ্রীমঙ্গল রোড (সদর হাসপাতলস্থল), শাহ মোস্তফা রোডে এছাড়াও এরকম আরোও বেশ কয়েকটি জায়গায় ভাঙ্গা ও গর্ত দেখা যায়।
১৬ জুন রাতে মনু নদীর বাঁধ ভেঙ্গে শহরের ৬,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড পুরোটাই প্লাবিত হওয়ায় এ এলাকাজুড়ে ফুটপাতের উপরে থাকা আরসিসি স্লেপগুলো ভেঙ্গে আরও বড় বড় গর্তে পরিনত হয়েছে। আর এসব বড় বড় গর্ত যেনো একেকটি মৃত্যু ফাদে পরিনত হয়েছে।
শহরের স্থায়ী বাসিন্দা মামুন বলেন, আসলেইতো শহরের অধিকাংশ লোক হেটে চলাচল করেন। আমাকেও অনেক সময় হেটে চলাচল করতে হয়। কিন্তু মেইন রোডে নয় চলাচল করতে হয় ফুটপাতে। রাতে ফুটপাতে হেটে চলাচল করা অনেক ভয়ঙ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্কুল ছাত্র ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমি প্রতিদিন সকালে স্কুলে যাই ফুটপাত দিয়ে হেটে হেটে। ফুটপাতে অনেক বড় বড় গর্ত থাকায় অনেক খেয়াল করে যাই। তাই যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব এসব ঝুকিপূর্ন ফুটপাতকে সংস্কার করা প্রয়োজন। যাতে আমরাসহ অন্যান্য নাগরিকরাও বিপদমুক্তভাবে চলাচল করতে পারে।
শ্রীমঙ্গল সড়কের সাহাজান মিয়া জানান, আজ থেকে ৭/৮ বছর পূর্বে সদর হাসপাতালের দুই পাশের ফুটপাত তৈরী করা হয়েছিল। তৈরীর মাস কয়েকের মধ্যে ভাংতে শুরু করে এখন গর্ত হয়েগেছে। এখন এসব ফুটপাত দিয়ে চলাচল কোন ভাবেই নিরাপদ নয়ে। যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা হতে পারে।
এবিষয়ে মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান বলেন, বন্যার কারনে যেসব ফুটপাতের উপর থাকা প্লেটগুলো ভেঙ্গেছে, সেগুলো মেরামত হয়েছে। এবং শহরের অন্যান্য ঝূকিপূর্ণ জায়গাগুলোর কাজ চলছে। আশাকরি কিছুদিনের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.