স্টাফ রিপোর্টার॥ ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম আহমদকে পরিকল্পিত ভাবে চাল কেরেংকালির মতো ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। জব্দকৃত ৭ বস্তা চাল ফেরৎ দিয়েছে পুলিশ।
মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের চুবরা এলাকায় চেয়ারম্যান সেলিম আহমদের শ্বশুর সামসুল হক এর বাসায় অভিযান চালিয়ে ৭ বস্তা চাল জব্দ করে। চাল জব্দের পর পুলিশ ব্যাপক অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানে ত্রাণের চাল নয় বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ ও চাল কেরেংকালির কিংবা আত্মসাতের মতো কোন ঘটনা পায়নি পুলিশ।
পরে ২ জুলাই বিকেলে জব্দকৃত ৭ বস্তা চাল আখাইলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমদের কাছে হস্থান্তর করে পুলিশ।
উল্লেখ্য ৩০ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ ৭ বস্তা চাল জব্দ করে। এঘটনায় থানায় কোন মামলা না হওয়ায় পুলিশ তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিতের ব্যবস্থা নেয়। পুলিশের তদন্তে জব্দকৃত চালগুলো ত্রাণের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল নয় বলে নিশ্চিত হয়। পুলিশ। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তাপশ রায়।
এ বিষয়ে আখাইলকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমদ বলেন, গত ৩০ তারিখ আমার শ্বশুরের বাসা থেকে যে চাল জব্দ করা হয়েছিল সেগুলো ত্রাণের চাল নহে। যারা ত্রানের চাল বলছে তা সম্পূর্ণ রুপে মিথ্যা। আমার মানসম্মান নষ্ট করার জন্য এবং আগামী ইউনিয়ন নির্বাচনে আমার ইমেজ নষ্ট করা জন্য অপপ্রচার করা হচ্ছে। প্রশাসন তদন্ত করে দেখেছে এই চাল কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির চাল। এই চাল বিক্রি করে আমরা প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করি। এই চাল বিক্রি করা আমার অধিকার আছে। আমার মান সম্মান নষ্ট করার জন্য একটি বিশেষ মহল ষরযন্ত্র করে পুলিশকে ভূল তথ্য দিয়ে আমাকে ফাঁসানো চেষ্ঠা করেছে। এই মহলটি পরিকল্পিত ভাবে কয়েকটি মিডিয়া ও ফেইসবুকে মিথ্যা সাজানো ঘটনা প্রচার করে মান সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.