
বিকুল চক্রবর্তী॥ ২০১৮ সালের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় সারাদেশের সঙ্গে পরীক্ষা দিয়ে ৫৯৯ নম্বর পেয়ে ২য় স্থান অধিকার করেছিলো শ্রীমঙ্গলের অভিষেক পাল। আর এবার বৃত্তি পরীক্ষায়ও ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিও পেয়েছে সে। বাবা মা দু’জনই পেশাগত কারণে ব্যস্ত সময় পার করলেও ছেলের পড়াশুনার জন্য তারা সব ধরনের সহযোগিতা করেছে ছেলেকে। ছেলেকে যথা সম্ভব সময় দিয়েছেন তারা। যার ফলশ্রুতিতে ভালো ফলাফল করে বাবা মায়ের মুখ উজ্জল করেছে সে।
অভিষেকের বাবা দৈনিক সংবাদ পত্রিকার শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি ও মৌ পত্রিকা বিতানের পরিচালক অসীম পাল শ্যামল বলেন, ‘ছেলের জীবনের প্রথম অংশেই এই সাফল্যে অত্যন্ত খুশি তিনি। পড়াশুনায় তিনি কখনও ছেলেকে চাপ প্রয়োগ করেননি। সারাদিন শত ব্যস্ততার ফাঁকে যতটুকু সম্ভব ছেলেকে সময় দিতেন তিনি।
তিনি আরো জানান, পাঠ্যপুস্তকের বাহিরে গল্পের বই পড়ানো, ছবি আঁকা, গান শেখানোসহ ছেলের অন্যান্য সখও পূরণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাঁরা। মা বাবা দুজনেই ছেলের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করেন। আর এই বন্ধুসুলভ আচরণই অভিষেককে সমাপনী পরীক্ষায় এত ভালো ফলাফল এনে দিতে পেরেছে বলে মনে করেন তাঁরা। এভাবে চলতে থাকলে জীবনের প্রতিটি ধাপে এভাবেই সাফল্যের গল্পে নাম লেখাবে ছেলে অভিষেক এমন প্রত্যাশাও তাঁদের।
অভিষেকের মা রানী চন্দ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি আমার ছেলেকে যতক্ষন বাড়িতে থাকি সময় দেই। তার সব কিছু বুঝার চেষ্টা করি। সারাবছর তাকে একইভাবে পড়াশুনা করাই।
অভিশেক এই প্রতিবেদককে বলে, পড়াশুনার ভালো ফলাফলের প্রধান কারন তার বাবা-মা তাকে সব সময় সব কাজে উৎসাহ প্রদান করে। পড়াশুনা করার সময় মা বাবা বন্ধুর মতো ব্যবহার করে তাকে সব কিছু শিখিয়ে পড়িয়ে দেয়। তাছাড়া পড়াশুনার কথা তাকে কেউ বলতে হয় না। নিজেই সন্ধ্যার পর বই নিয়ে বসে। দিনের পড়া দিনে শেষ করে। স্কুলের স্যারদের দেয়া হোমওয়ার্ক কখনো ফেলে রাখেনা। এসব কারনেই ভালো রেজাল্ট করেছে সে। সে বড় হয়ে বিজ্ঞানী হতে চায়।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.