
মু. ইমাদ উদ দীন॥ আমরা গরীব মানুষ বছরজুড়ে অন্যকোন কাজ না থাকায় প্রতি বছর কৃষি কাজ করে জীবিকা অর্জন করে থাকি। জমিতে আল্লার রহমতে ধানের ফলনও ভাল হয়েছে। ৫‘শ টাকা ধানের মন, কাজের মানুষের রোজ ৫‘শ টাকা, তিন বেলা খাওয়াতে হয়। ৫‘শ টাকা মন দরে ২৪ মন বোরোধান বিক্রি করে ঋন পরিশোধ করেছি। কিছু ধান রেখেছি নিজের খাওয়ার জন্য তাও পূরো বছর যাবেনা। কয়েক বছর থেকে অপেক্ষায় আছি ধানের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। ধান বিক্রি করে লাভবান হবো। কিন্তু তাও দেখছিনা। সন্তানদের লেখাপড়া ঠিক মতো করাতে পারিনা। অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে গেলে অনেক টাকাও লাগে। ক্ষেতের ধান বিক্রি করে খরচও উঠেনা। এ অবস্থা থাকলে জমিতে আর ধান লাগাতে যাবোনা। কষ্টার্জিত ফসল ধান বিক্রি করে ন্যায্য মূল্য পেলে এমন অবস্থা হতনা জানালেন কুলাউড়ার ভুকশিমইল ইউনিয়নের মুক্তাজিপুর গ্রামের কৃষক কুটি মিয়া।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.