
আব্দুল কাইয়ুম॥ এবারের ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল মৌলভীবাজার জেলার সীমান্তবর্তী কমলগঞ্জ উপজেলার নৈসর্গিক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে গত বছরের তুলনায় এবছর বেড়েছে পর্যটকদের ব্যাপক আগমন। চারদিনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিদিনই দেশের নানা প্রান্থ থেকে আসছেন নানা বয়সীরা সবুজ অরণ্য ঘেরা জাতীয় এই উদ্যান দেখতে।
সংশ্লিষ্টরা জানান ঈদের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী গত চারদিনে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ ফি বাবত পর্যটকদের কাছ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা টিকিট বিক্রি করে আয় হয়েছে। 
সরেজমিনে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের টিকিট কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, চারদিনে প্রায় ১০ হাজার পর্যটক ঘুরে গেছেন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। ঈদে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবছর সংখ্যায় অনেকটা কম হলেও পারিবারিক ভ্রমন, প্রবাসী ও সরকারি-বেসরকারী চাকুরীজীবির সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এদের পাশাপাশি শিশুসহ নানা বয়সীরাও রয়েছেন।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের দ্বায়িত্বরত বন বিভাগের কর্মী জুলহাস মিয়া জানান অতিরিক্ত পর্যটকদের কারনে বেশি টিকিট বিক্রি হলেও হুমকির মুখে রয়েছে নিরাপদ বনের নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণীরা। তার মতে অতিরিক্ত পর্যটকদের আগমনে শব্দ দুষনের ফলে উদ্যানের বন্যপ্রাণী আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়ে।
রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন বলেন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পর্যটক বেশি আসায় টিকিট বিক্রি বাবত আয়ও হয়েছে বেশি। তিনি বলেন ভর্তি ও অন্যান্য পরিক্ষা থাকায় এবছর শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও সব মিলিয়ে পর্যটক উপস্থিতি এবছর ঈদ উপলক্ষে অনেক বেশি। তিনি আরো বলেন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ঘুরতে আসা দেশী-বিদেশী পর্যটকদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঢেলে সাজানো হয়েছে এখানকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী সহ পর্যটন পুলিশের সাথে সমন্বয় করে আরো ৩টি নিরাপত্তা ইউনিট বাড়ানো হয়েছে ঈদে পর্যটকদের আগমনকে কেন্দ্র করে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.