
স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার পৌরসভার বড়কাপন এলাকায় রুবেল হত্যার প্রতিশোধ নিতে পীর আজাদের নেতৃত্বে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করেছে একই এলাকার শেখ আজমল আলমকে।
এলাকাবাসী ও মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, ৬ জুন বৃহস্পতিবার সকালে পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের বড়কাপনের শেখ আব্দুল মছব্বিরের পুত্র শেখ আজমল আলম তার বাবা আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে শ্রীমঙ্গল বেড়াতে যায়। ফেরার পথে রাত অনুমান ১০ ঘটিকার সময় গিয়াসনগর বাজারে আমার ছেলে আজমল এর সাথে তাহার বন্ধু বান্ধুবদের তুচ্ছ বিষয় নিয়া তর্ক বিতর্ক হয়। তর্ক-বিতর্কেও একপর্যায়ে আসামী আজাদ হোসেন ওরফে পীর আজাদ আজমলকে চিনতে পারিয়া ঘটনাস্থলে আগাইয়া যায় এবং বাজারের লোকজনসহ বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সমাধান করিয়া আলাদা করিয়া দেয়।
পীর আজাদ ও আজমল একই এলাকার এবং পরিচিত হওয়ায় পীর আজাদ আজমলকে একটি সিএনজি গাড়িতে উঠাইয়া নিয়া আসে বাড়িতে পৌছে দেয়ার কথা বলে। বাড়িতে না পাঠাইয়া মোকামবাজার সড়ক হয়ে মাড়কোনা দিকে নিয়া যায়। রাস্থার নির্জন স্থানে পীর আজাদ তার ছোট ভাই রুবেল হত্যার সাথে কে কে জড়িত ছিল তা জানতে চায়। রুবেল খুনের সাথে কে বা কাহারা জড়িত ছিল তা জানে না মর্মে বলিলে পীর আজাদ সহ ৮/১০ জন হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়া উপর্যুপরি কুপাইয়া দুই হাত ও পায়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করায় আজমলের মৃত্যু হবে নিশ্চিত মনেকরে পশ্চিম মোস্তফাপুর জনৈক এরশাদ উল্যার কলোনীর পাশে রাস্তার উপর রাত ১১টার দিকে ফেলে যায়। কিছুক্ষনপর চিৎকার শুনিয়া আশে পাশের লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দেখিয়া মৌলভীবাজার থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিম উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পরে আজমলকে আশংকাজনক অবস্থা উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।
এ ঘটনায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় শেখ আজমল আলমের বাবা শেখ আব্দুল মছব্বির পীর আজাদকে প্রদান আসামী সহ শরীফ উদ্দিন, রকি, সরফরাজ, শরীফ, জামেল সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫জন মামলা দায়ের করেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.