
বিকুল চক্রবর্তী॥ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন ভাতা ও পেনশন প্রদানের দাবীতে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা ঢাকায় অবস্থান করার কারণে ১২ দিন ধরে পৌর এলাকার নাগরিক সেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে ময়লা আবর্জনা পাকারে জমে থাকায় দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এত পথচারীদেও ভোগান্তি সহ এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
এদিকে নাগরিকগন তাদের জরুরী জন্মনিবন্ধন ট্রেড লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় সেবা নিতে পারছেন না।
২৪ জুলাই বুধবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল পৌরসভায় গিয়ে দেখাযায় কার্যলয়ের পৌর সচিব, প্রকৌশল শাখা, সাধারণ শাখা, ট্যাক্স শাখা, পানি সর্বরাহ শাখ ও হিসাব বিভাগসহ সকল বিভাগের দরজা বন্ধ রয়েছে। সাধারণ শাখার দরজা খোলে ভিতরে চেয়ার ফাঁকা পাওয়াযায়। এ সময় পৌরসভায় দেখা হয় ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওয়াহিদ মিয়ার সাথে তিনি জানান, একটি ঘর নির্মানের পারমিশনের জন্য তিন দিন ধরে এসে ফিরে যাচ্ছেন। অধিকাংশ সময়ই দরজা বন্ধ আর কখনও খোলা পেলে কেউ কাজ করছেননা। এ সময় ৫ নং ওয়ার্ডের অপর বাসিন্দা আব্দুল মুকিত জানান জলবদ্ধতা নিয়ে অভিযোগ দিতে এসে তিনি পৌরসভার কাউকেই পাননি।
এব্যাপারে পৌরভার প্রকৌশলী মো: জহিরুল ইসলাম টেলিফোনে জানান ১৪ জুলাই থেকে তারা কর্মবিরতি পালন করছেন। তাদের অধিকাংশ কর্মচারী কর্মকর্তা বর্তমানে ঢাকায় তাদের কেন্দ্রীয় কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করায় এখানে সকল প্রকার কর্মকান্ড বন্ধ রয়েছে।
এ অবস্থায় পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীরা আন্দোলনে থাকায় শ্রীমঙ্গল পৌরসভায় দেখা দিয়েছে অচলাবস্থা। ৬নং ওয়ার্ডেও বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন এ প্রতিণিধীকে জানান ড্রেন ময়লায় ভরে গিয়ে ও অতি বৃষ্টিতে তার বাড়ির সামনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু তিনদিন পৌর সভায় এসেও কাউকে পাওয়া যায়নি। এ অবস্থা চলমান থাকলে শ্রীমঙ্গল শহরে বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.