
সংবাদদাতা॥ বাংলাদেশ হেলথ্ এসিস্ট্যান্ট এ্যাসোসিয়েশন ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কার পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে স্বাস্থ্য সহকারীদের সংবাদ সম্মেলন ও আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার ১১ অক্টোবর বেলা ১০টায় রিপোর্টার্স ইউনিটি সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।
পরে রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয় উক্ত শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আগত স্বাস্থ্য সহকারী, সহ- স্বাস্থ্য পরিদর্শক, ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক গণ আপনার শিশুকে টিকা দিন লেখা সম্বলিত তাদের ব্যানার ও মণিপতাকা নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেণ। আওয়াামী লীগ এর কেন্দ্রীয় পার্টি অফিসের সামনে গিয়ে সভাপতির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এন্ড ইমুনাইজেশন (জিএভিআই) কর্তৃক ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ হেলথ্ এসিস্ট্যান্ট এ্যাসোসিয়েশন নামের একটি সংগঠন।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি এনায়েত রাব্বি লিটন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে কর্মরত আমাদের স্বাস্থ্যসহকারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্যসহকারীদের কাজের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি স্বরুপ ভ্যাকসিন হিরো সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এর জন্য আমরা গর্বিত ও আনন্দিত। শুধু তাই নয় আমাদের কাজের বিনিময়ে এর আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন এমডিজি-৪ পুরস্কার গ্যাভি কর্তৃক শ্রেষ্ঠ টিকাদানকারী দেশের স্বীকৃতি অর্জন,দক্ষিন পূর্ব এশিয়ায় টিকাদানে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন, ধনুষ্টংকার মুক্তকরন এবং পোলিওমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে যিড় কর্তৃক পুরস্কার প্রাপ্তিতে পেয়েছে আন্তজার্তিক স্বীকৃতি। একমাত্র স্বাস্থ্যসহকারীদের সফলতায় আন্তজার্তিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
জাতিসংঘ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মত বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের বড় সফলতা এসেছে তৃণমূলের স্বাস্থ্য সহকারীদের কাজের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে।
আমার স্বাস্থ্য সহকারীরা বেতন স্কেলসহ টেকনিক্যাল পদমর্যাদার প্রদানের জন্য দীর্ঘ দিন যাবৎ সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। ১৯৯৮ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য সহকারীদের এক মহা-সমাবেশে তৎকালীন ও বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দাবি সমুহ মেনে নিয়েছিলেন এবং তা বাস্তাবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু অতিব দু:খের সহিত জানাচ্ছি যে তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা আমাদের প্রধান দাবি বেতন স্কেলসহ টেকনিক্যাল পদমর্যাদা বাস্তবায়ন চাই।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.