
বিকুল চক্রবর্তী॥ ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম পরিচ্ছন্ন শহর’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারের পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গল শহর ও শহরতলীতে টাঙ্গানো সৌন্দর্যহানীকর ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ অভিযান শুরু করেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে সৌন্দর্যহানীকর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিভিন্ন সাইনবোর্ড অপসারন কাজের উদ্বোধন করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রনধির কুমার দেব। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনের সামনে থেকে অপসারন শুরু হয়। চলবে কয়েকদিন। অপসারনের কাজে সহযোগিতা করে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা, স্কাউট এর সদস্যরা। এর আগে তিনি এসব সাইনবোর্ড, ব্যানার অপসারনে সংশ্লিষ্টদের ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে শহরে মাইকিং করান। কিন্তু সারা না পাওয়ায় মাঠে নামেন তিনি।
অভিযান শুরুর আগে সোমবার বিকেলে তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি পর্যটন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সৌন্দর্য্যহানীকর এসব সাইনবোর্ড বিলবোর্ড অপসারনে সবার সহযোগীতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জাতির জনকের জন্ম শত বার্ষিকীকে সামনে রেখে সরকার ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসুচী হাতে নিয়েছেন। প্রথমে পৌর শহরে এবং পর্যায়ক্রমে গোটা উপজেলা জুড়ে এসব সাইনবোর্ড অপসারনের জন্য অভিযান চালানো হবে। এজন্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা হয়েছে, সবাই এতে সমর্থন করেছে বলে তিনি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরো বলেন, গাছেরও তো প্রাণ আছে, অনেক অবিবেচক মানুষকে গাছে পেরেক ঠুঁকে বিজ্ঞাপনের সাইনবোর্ড লাগাতে দেখা গেছে। এই অভিযানের পর নতুন করে কেউ আইন অমান্য করে সাইনবোর্ড ব্যানার, ফেস্টুন লাগালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে অর্থদন্ডসহ আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান। যতক্ষন পর্যন্ত পুরো উপজেলায় এসব অপসারন হবে না। আমাদের অভিযান চলবে। তিনি জানান, এতে শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়েছেন কারণ শিক্ষার্থীরা পরিচ্ছন্ন শহরের ধারণা তাদের মননে পোষণ করবে। ভবিষতে তাদের হাতেই শ্রীমঙ্গলের সুন্দর্য রক্ষা পাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.