আব্দুর রব॥ জুড়ীতে ১৩ জানুয়ারী সোমবার বিকেলে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দেয়ায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ২ ঘটিকার দিকে উপজেলা ও কলেজ ছাত্রলীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে কর্মীদের নিয়ে যান উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল, সাধারন সম্পাদক ইকবাল ভূইয়া উজ্জ্ল, তৈয়বুন্নেছা খানম একাডেমি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আদনান আশফাক, সাধারন সম্পাদক গৌতম দাস। এর কিছুক্ষণ পর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান জয় তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে সেখানে গেলে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এক গ্রুপ অপর গ্রুপের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এসময় ঘটনাস্থলে থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে সংঘর্ষ এড়িয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকতে ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করতে দেখা গেছে।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আদনান আশফাক জানান, দলীয় কর্মী নিয়ে আলাপকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাইদুর রহমান হঠাৎ দলবল নিয়ে তাদের উপর হামলার চেষ্টা চালান। কলেজ ছাত্রলীগের এক কর্মীকে তারা মারধর করে। এ নিয়ে সামান্য ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে তা নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাইদুর রহমান জানান, সাহাব উদ্দিন সাবেল, ইকবাল, আদনানের কর্মীরা কলেজে একজন স্যারের সাথে প্রকাশ্যে চরম খারাপ আচরণ করেছে। ছাত্রলীগের কিছু কর্মী এর প্রতিবাদ করায় তারা আমার কর্মীর উপর হামলা করেছে। কর্মী নিয়ে আমি তাদের ওপর হামলা করার প্রশ্নই আসে না।
জুড়ী থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, উপজেলা ছাত্রলীগের অফিসের সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সামান্য ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। যে কোন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে ছাত্রলীগের অফিসের সামনে পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.