
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি\ শ্রীমঙ্গলের বধ্যভূমি সংলগ্ন চা বাগানে গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৭ বছর বয়সি এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী। শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে দুই জনকে আটক করেছে এবং প্রধান আসামীর জবান বন্ধীর ভিত্তিতে সকালে আরও একজনকে আটক করা হয়। ঘটনার শিকার মেয়েটি মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, মেয়েটি দিনাজপুরে একজনের বাসায় কাজ করতো। গত কয়েকদিন পূর্বে শ্রীমঙ্গলের ক্যাথলিক মিশন রোডের শাহ আলম পাটোয়ারীর বাসায় তার মেয়ের সাথে বেড়াতে আসে। ৭ জানুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যায় ওইখান থেকে তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায় ইয়াকুব নামে একটি বখাটে ছেলে। বধ্যভূমি এলাকায় যাবার কয়েকঘন্টা পর টমটম নিয়ে ৩ টি ছেলে এসে বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে তাকে পার্শ্ববর্তী ভুড়ভুড়িয়া চা বাগানে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। মেয়ের মা কাজ থেকে ফিরলে ওই বাড়ির লোকেরা মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছেনা বলে জানালে খোঁজাখুজি শুরু হয়। প্রত্যক্ষ দর্শী একজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে মেয়েটিকে বখাটে ইয়াকুবের মা শ্রীমঙ্গল রেল স্টেশন এলাকা থেকে তার ছেলেসহ মেয়েটিকে উদ্ধার করে। শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ খবর পেয়ে মেয়েটিকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ইয়াকুব মিয়া (১৬) ও কৌলাশ দোষাদ (২৫) ও পরে জহরলাল মৃধা নামে তিন জনকে আটক করে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালেক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
মেয়েটির মা বলেন, বখাটে ইয়াকুব তার মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। তার টাকা পয়সা নেই, মেয়েটির বাবাও নেই কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না, তিনি ঘটনার সুষ্টু বিচার দাবী করেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.