
স্টাফ রিপোর্টার॥ করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন থেকে এ পর্যন্ত ১০ হাজার পরিবারের মধ্যে ১শ’ মেট্রিক টন সরকারী খাদ্য ও ৭ লক্ষ টাকার নগদ সহায়তা দেয়া হয়েছে। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে গত, ২৯ মার্চ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় এখাতে আরো ১শ’ মেট্রিক টন খাদ্য ও ২ লক্ষ টাকা মজুদ রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলায় করোনা চিকিৎসায় সংশ্লিষ্টদের মাঝে ৫শ’ ১২টি পিপিই ও ৮ হাজার ৪শ’টি মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।
এদিকে জেলায় করোনায় আক্রান্ত বা মৃত্যুর ঘটনা না থাকা সত্ত্বেও এ রোগের চিকিৎসায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সব রকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার জেলায় সদরে ২৫০ শয্যা হাসপাতালসহ ৭টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১টি সিএস অফিসে ১৩৩টি বিশেষ বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। করোনা চিকিৎসায় কাজে ১৩২ জন চিকিৎসক ও ১৭৭ জন নার্সকে নিয়োজিত রাখা হয়েছে। সদর হাসপাতাল ও সিএস অফিসে করোনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ঔষুধ পিপিই মজুদ রাখা হয়েছে।
এদিকে জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত বা মৃত্যুর ঘটনা না থাকলেও ১লা মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৬২১ ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে। যাদের বেশীর ভাগই বিদেশ ফেরৎ। এর মধ্যে ৩৩৭ জনের মধ্যে সংক্রমনের উপস্থিতি না পাওয়ায় তাদের কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ২৩৬৭ জন বিদেশ প্রত্যাগত হলেও ২৪৯ জন প্রত্যাগতের কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে এদের ঠিকানা ও অবস্থান চিহ্নিত করণে কার্যক্রম চলছে।
জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন বলেন, করোনা মোকাবেলায় সরকারী নির্দেশনায় জেলা প্রশাসন থেকে সবরকম প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। সরকারী ভাবে কর্মহীন এবং দরিদ্র পরিবারগুলোকে সরকারীভাবে নগদ অর্থ সহায়তা ও খাদ্য সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কেউ আক্রান্ত বা মৃত্যুবরণ না করলেও এর বিস্তার ঠেকাতে আমাদের সবাইকে সরকারী নির্দেশনা মেনে ঘরের মধ্যে অবস্থান করতে হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.