সাইফুল্লাহ হাসান॥ একের পর এক মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন আব্দুল মুহিত শিপলু। করোনা ভাইরাসের আক্রমণে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আর্তমানবতার সেবায় তার অবদান অনস্বীকার্য। শিপলু মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বাসিন্দা। মানবতার কল্যাণে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি।
সম্প্রতি বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। এই সময়ে সরকার পুরো দেশ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। যার কারণে ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের আয়ের এর উৎস বন্ধ হয়ে গেছে।
জানা যায়, এই ক্রান্তিলগ্নে ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আবদুল মুহিত শিপলু। জুড়ীতে তার বাসা রয়েছে। সেই বাসার ভাড়াটিয়া ভাড়া ও দোকান ভাড়া মওকুফ করে দিয়েছেন।
এছড়াও মানুষেকে মহামারী থেকে সুরক্ষা দিতে তিনি নিয়েছেন আরও উদ্যোগ যেগুলোর মধ্যে একটি হলো নিজস্ব উদ্যোগে শহরের মধ্যে জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটিয়েছেন এবং তার গাড়ি দিয়ে অনেককে সাহায্য করেছেন। পাশাপাশি শহরের ড্রেন গুলো কীভাবে জীবাণুমুক্ত রাখা যায় সেই কাজও করেছেন।
এছাড়াও গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের মাঝে অর্থসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিজ হাতে ক্রয় করে পৌঁছে দিয়েছেন এবং তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হয়েছেন।
আব্দুল মুহিত শিপলু জানান, তার এই সমাজসেবামূলক কাজ গুলো চলমান থাকবে এবং ইতিমধ্যে তিনি আরো কয়েকটি পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন সেগুলো শীঘ্রই কাজে পরিণত হবে। তার এ সমাজসেবামূলক কাজের পিছনে নেতা হওয়া বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই। তিনি এই কাজগুলোকে মানব সেবা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
তিনি সমাজের সকল বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সবাই যাতে এই দুঃসময়ে আর্ত-মানবতার সেবায় সবাই এগিয়ে আসে। আমরা যদি হতদরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়াই, কিয়ামতের দিন আল্লাহ আমাদের পাশে দাঁড়াবেন।
এদিকে আব্দুল মুহিত শিপল ব্যবসায়ীদের এক মাসের ভাড়া মওকুফ করায় ব্যবসায়ীরাও খুবই আনন্দিত। আর জুড়ীর সকল ব্যবসায়ী এমন কাজে মুগ্ধ হয়ে অন্যান্য মার্কেট মালিকদের এ রকম মহানুভবতার পরিচয় দেওয়ার জন্য আহবান জানিয়েছেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.