
আব্দুর রব॥ মোরগের খামারে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোঈদ ফারুককে প্রধান আসামী সহ ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন পোল্ট্রিফার্মের মালিক দীনবন্ধু সেন। থানা পুলিশ মামলার তদন্ত শুরু করেছে।
এলাকাবাসী ও মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউপির পশ্চিম আমতৈল গ্রামে ‘বন্ধু পোলট্রি ফার্ম’ নামের স্থানীয় বাসিন্দা দীনবন্ধু সেনের একটি লেয়ার মোরগের খামার রয়েছে। খামারটি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের আস্থাভাজন আব্দুল মতিনের সাথে দীনবন্ধু সেনের পূর্ব বিরোধ চলছিলো। এক পক্ষ পরিবেশ দূষণের কারণ দেখিয়ে ওই খামারটি বন্ধের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানাচ্ছে। ১ মে শুক্রবার রাতের আধারে একদল লোক নিয়ে ওই খামারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালান উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোঈদ ফারুক। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে তিনি একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে উত্তেজিত জনতা প্রায় ২ ঘন্টা সেখানে তাকে অবরুদ্ধ রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় শনিবার রাতে বন্ধু পোলট্রি ফার্মে মালিক দীনবন্ধু সেন উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এমএ মোঈদ ফারুককে প্রধান আসামী করে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও আরো ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে ২মে শনিবার রাতে থানায় মামলা করেছেন। মামলায় খামার মালিক ৯ লাখ টাকার ক্ষতি সাধনের কথা উল্লেখ করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ মোঈদ ফারুক জানান, ঘটনাটি সম্পুর্ণ অনাকাঙ্খিত। কিছু যুবক ছেলে মোরগের খামারের নেট ও টিনের বেড়া ভেঙ্গেছে। খামার থেকে এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণে তারা ক্ষুব্দ ছিল। অস্ত্র ও মদ্যপানের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, হাতে থাকা সিগারেট টানার বেভার মিশিনকে তারা পিস্তল মনে করেছে। একটি বিশেষ মহল তার বিরুদ্ধে এসব ষড়যন্ত্র করছে ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।
জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, ক্ষতিগ্রস্থ খামার মালিক দীনবন্ধু সেন হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করে শনিবার রাতে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ মামলা তদন্ত করছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.