
বিকুল চক্রবর্তী॥ শ্রীমঙ্গল এর আশিদ্রোন ইউনিয়নের ডেংগার বন গ্রামের কৃষক শিপন মিয়া হাইব্রিড, পাপলকিং জাতের বেগুন চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। আর এ সাফল্য পেয়ে কৃষক শিপনের এ হাসি যেন মাটির হাসি।
কৃষক শিপন মিয়া জানান, তিনি গত ছয় মাস থেকে ফলন-বিক্রি করে আসছেন। এবং বর্তমানেও তার জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বেগুন রয়েছে । এখন পর্যন্ত বেগুন বিক্রি করেছেন ৮০হাজার টাকা, এবং জমিতে অনেক বেগুন রয়েছে যা তিনি পর্যায়ক্রমে বিক্রি করছেন।
তিনি জানান, তার উৎপাদনে খরচ হয়েছে ৮ হাজার টাকার মতো।বর্তমানে বাজার দর পাচেছন ২৪/২৫ টাকা।
গত দুই বছর যাবত উনি লালতীরের পাপলকিং জাতের বেগুন চাষ করেছেন যা সত্যিই চমৎকার ফলনও বাজার চাহিদা বেশি এই জাতের।
এ বিষয়ে লাল তীর সীড লিমিটেড এর ডিভিশনাল ম্যানেজার তাপস চক্রবর্তী জানান, এ জাতটি একটি অতি উত্তম গ্রীষ্মকালীন বেগুনের জাত । তবে এটি বর্তমানে সারা বছরই চাষ হচ্ছে। হাইব্রিড বেগুন পাপলকিং ২৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে,প্রতি গাছে ৬০ থেকে ৭০ টি ফল ধরে। তিনি জানান এর আরো একটি গুন হলো এটি তাপ বৃষ্টি ও লবণাক্ততা সহনশীল। জাতটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বেগুনের ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী একটি বহুল পরিচিত জনপ্রিয় জাত।
এই জাতটি আকর্ষণীয় চকচকে বেগুনি রংয়ের হয়, খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ফল বীজ বপনের ৬০ থেকে ৭০ দিনের ভিতরে ফসল সংগ্রহ করা যায় একবার প্রতিফলন ৪৫ থেকে ৫৫ টন
জাতটি ইতিমধ্যে ব্যাপক পরিচিত এবং কৃষকের সুনাম অর্জন করেছে।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি জানান, জাতটির সত্যিই চমৎকার ফলন এবং আকর্ষণীয় । বেগুনি রংয়ের এর ফলন উৎপাদন কৃষক এর জন্য চমৎকার আশীর্বাদ বয়ে আনবে বলে তিনি মনে করেন ।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.