জুড়ী প্রতিনিধি॥ জুড়ী উপজেলার সমাই-বরইতলী-জালালপুর রাস্তার চৌমুহনীতে বৃষ্টির পানির ঢলে মেইন রাস্তার প্রায় এক তৃতীয়াংশ জায়গা ভেঙ্গে ৮/১০ ফুট গভীর হয়েছে। প্রায় ৬ মাস থেকে এলাকার জনগনসহ অসুস্থ রোগীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় এলাকা বাসীর চলাচলের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য সমাজ সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ন হন এক স্কুল শিক্ষক। গত ১০ অক্টোবর স্থানীয় সাংসদ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন জুড়ীতে আসলে ওই শিক্ষক নিজের মোবাইলে ধারনকৃত ভাঙ্গাচুড়া রাস্তার চিত্র গুলো মন্ত্রীর নিকট তুলে ধরেন। মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন তাৎক্ষনিক জুড়ী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মতিনকে তলব করে ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তাটির দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন এবং রাস্তার কাজের সার্বিক তত্বাবধানসহ কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব ওই শিক্ষককে দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর দুপুরে সরজমিনে ওই স্থানে গিয়ে দেখা যায়, মোকামবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক, উপজেলা পর্যায়ে দুই বারের শ্রেষ্ট শিক্ষক, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক সমিতি জুড়ী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, হাজী সোনা মিয়া-আপ্তারুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে সিলেট বিভাগ বাস্তবায়ন আন্দোলন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সদস্য ও বরইতলী প্রত্যাশা যুব সমবায় সমিতি (রেজিঃ নং- ১৬০৬) এর সাধারণ সম্পাদক তরুন সমাজ সেবক মোঃ ফখর উদ্দিন দাড়িয়ে থেকে রাস্তার কাজের তদারকি করছেন। প্রখর রুদ্রে দাড়িয়ে থাকা শিক্ষক ফখর উদ্দিনের নিকট অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, সমাজের মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারলে এটাকে আমার নিকট সবচেয়ে বড় ইবাদত মনে হয়। তাছাড়া দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজের দায়বদ্ধতা থেকে সমাজের জন্য কাজ করে যাবো আজীবন।
জুড়ী উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মতিন বলেন, মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশে ইমারজেন্সী কাজের আওতায় ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তার কাজটি করা হচ্ছে। এ কাজের সার্বিক তত্বাবধানে রয়েছেন শিক্ষক ফখর উদ্দিন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.