
স্টাফ রিপোর্টার॥ মহা অষ্টমী তিথিতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমারী পূজা। শনিবার ২৪অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়িতে এই কুমারী পূজাটি অনুষ্ঠিত হয়।
তবে এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে কুমারী পূজায় ছিলো না লোক সমাগম। সকল আনুষ্ঠনিকতা ছিলো সীমিত। দেবী দুর্গার কুব্জিকা রূপে পূজা করা হয় ৮ বছরের পূজা চক্রবর্তীকে। পূজা চক্রবর্তী সুনামগঞ্জ জেলার পাগলা এলাকার বিষ্ণু চক্রবর্তীর মেয়ে।
সকালে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের মতো এই মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভীড় নেই। মন্দিরের প্রবেশ গেইটে আগত দর্শনার্থীদের মাস্ক পড়িয়ে ভিতরে প্রবেশ করাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুজিত কুমারী শিশুটিকে নতুন কাপড় পড়িয়ে দেবীর সাজে সজ্জিত করে দেবী দুর্গার প্রতিমার সামনে এনে বসানো হয় কুমারী পূজা চক্রবর্তীকে।
পরে মন্দিরের পূজা কমিটির কয়েকজন লোকজন ও কয়েকজন নারীকে নিয়ে কুমারী পূজা শুরু করেন পুরোহিতগণ। এসময় মণ্ডপের ভিতরে পর্দা দিয়ে দেওয়া হয় যাতে মন্দিরের সামনে কেউ ভীড় না করেন। পরে সাড়ে ৯টার দিকে ভক্তদের দর্শনের জন্য পাঁচ মিনিট মন্দিরের বাহিরে কুমারী দেবীকে বসানো হয়। দূর থেকে সবাই কুমারী দেবীকে দেখেন।
শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রজত চক্রবতী বলেন, এই কালী মন্দিরে ২২ বছর ধরে কুমারী পূজা হয়ে আসছে। এবার ২২ তম পূজা। গত বছরগুলোতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর লোক সমাগম হতো এখানে। লোকে লোকারন্য হতো।
এ বছর আমরা লোকজনকে কুমারী পূজার বিষয়টি গোপন রেখেছিলাম যাতে করে মানুষের ভীড় না হয়। করোনা পরিস্থিতির জন্য আমরা কুমারী দেবীর বেদীর পরিবর্তে মন্দিরের দুর্গা প্রতিমার সামনে কুমারী পূজাটি করেছি যাতে লোকজনের ভীড় না হয়। ধর্মীয় নিয়ম কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পরই আয়োজন সমাপ্ত করেছি।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.