
জুড়ী প্রতিনিধি॥ তোমরা পলো বাও গোযা পাইয়া ঝোপাইয়া, রুইকাতলা আর বোয়ালের লাগিয়া”। হেমন্ত কাল মাছ ধরার এক মওসুম। পেশাধার মাছ শিকারীরা বার মাস মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত থাকেন। তবে, সৌখিন মৎস্য শিকারীদের মাছ ধরার মোক্ষম সময় হেমন্ত ও শীতকাল।
বর্ষি জালছাড়া ও মাছ ধরার অন্যতম উপাদান হচ্ছে পলো। সম্মিলিত ভাবে পলো দিয়ে মাছ ধরা একটি উৎসব ও বটে। হেমন্তের শেষর দিকে ৫ ডিসেম¦র শনিবার সে রকম একটি উৎসব হয়ে গেল মৌলভীবাজারের জুড়ীতে। উপজেলার কন্টিনালা নদীতে সকাল ১০টায় শুরু হয় পলোবাওয়া। শত শত পেশাধার, সৌখিন ও প্রবাসী মাছ শিকারীরা পলো নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন নদীতে। কন্টিনালা সেতু থেকে শুরু করে রাবার ড্যাম পর্যন্ত দীর্ঘ ৫কিলো মিটার এলাকা জুড়ে পলো দিয়ে মাছ ধরার মনোরম সে দৃশ্য উপভোগ করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দুর-দুরান্তের হাজার হাজার আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা নদী রদু তীরে ভীড় জমান। এ সময় সবার মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা-উৎসব আমেজ পরিলক্ষিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান রুহুল ইসলাম, জুড়ী উপজেলা ভাইস চেয়্যারম্যান রিংক ুরঞ্জন দাস, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রঞ্জিতা শর্ম্মা, জায়ফরনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা, “হাওয়বাঁচাও কৃষকবাঁচাও”সংগ্রাম পরিষদ সভাপতি ইমরুল ইসলাম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পলো বাওয়া উৎসব পর্যবেক্ষণ করেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.