অবশেষে পুলিশি ট্যাংকের আচরণে জনগণের দাঁতভাঙ্গা জবাব ব্যালটে। নেপাল থেকেও শিক্ষা নেওয়া যায় এশিয়ায় নতুন মেরুকরণ——–ছাদেক আহমদ

July 16, 2013, এই সংবাদটি ৫০১ বার পঠিত

এদেশে আওয়ামী পুলিশের দিন নাই রাত নাই পুলিশের ট্যাংকের হু হু আওয়াজের জনগণের চলার পথে শান্তি ভঙ্গ। মানুষ রাস্তায় দাড়িয়ে প্রতিবাদ করতে পারেনি। চোখ বুজে সহ্য করেছে। অন্যদিকে চতুদির্কে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ক্যাডাররা পুরো পাড়ায় মহল্লায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে পূর্বের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। এছাড়া পুলিশ বিভিন্ন হরতাল অবরোধে সাধারণ জনগণ মাথায় টুপি দাড়ি দেখলেই কথিত মৌলবাদী বলে ধরে কখনো থানায় ভরে বা পকেটে কিছু পেলে পকেট খালি করে দেয়। এভাবে সমস্ত ঢাকা শহর মেট্রোপলিটন এলাকায় কোন এক বিশেষ গোষ্ঠির অসি বা দারোগারা তাদের উপর মহলে বিরাট অংকের টাকা তুলে দিয়ে নিজেরা আখের গোছায়ে নেয়। এ অবস্থায় সাধারণ জনগণ নীরবে কাঁদে অথবা সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর কাছে নীরবে ফরিয়াদ করে। সমস্ত ফরিয়াদ একজোট হয়ে আল্লাহর কাছ থেকে একযোগে পীর, আওলিয়া, দরবেশ, কুতুবদের জিন্দা পীরের হৃদয়েকে নাড়া দেয়। তাইতো এদেশে যে কোন নির্যাতন হলেই ৯০% এর বেশী মানুষ যারা আওয়ামীলীগ এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অন্যায় অত্যাচার হেফাজতকে রাতের আধারে নির্বিচারে হত্যার বিপক্ষে ভোট দিবে বলে বিশেষজ্ঞগন মনে করছেন। এর পূর্বে এদেশকে অন্য একটি প্রতিবেশী দেশ সবদিকে আগ্রাসন যখন তখন সীমান্তে গুলি করে হত্যা জনগন ভালভাবে নেয়নি। এর পূর্বে ঐরূপ রাতের আধারে ৫৮জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছিল। তখন উপদেষ্ঠা সময় ক্ষেপন করে হত্যাকারীদের চলে যেতে ভূমিকা রাখে বলে বিশেষ মহল গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য থাকতেও পারে। মাত্র তিন মাস পূর্বে সরকারের সীমাহীন অন্যায় পুলিশি ট্যাংকের তান্ডবে সাধারণ মানুষ যখন অসহায় তখন মরার উপর খাড়ার ঘা এর মতো রাজপথ শাহবাগ দখল করে এদেশের সাধারণ মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক ও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রুগীদেরও যার পর নাই কষ্ট দেয়া হয়েছিল। যা এদেশের জনগন ভালভাবে নেয়নি। তারও জবাব ব্যালটের মাধ্যমে পেয়েছে, আরো পাবে। ও দিকে পাহাড় সমান সম্পদের পেছনে যারা আকণ্ঠ মগ্ন তারা কি করে বুঝবে জনগণের মনোভাব। কারণ চোখ থাকিতে তারা অন্ধ। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশের সিনেমায় শেষ দৃশ্য হয়ত দেশবাসী প্রত্যক্ষ করবে বলে অপেক্ষমাণ যেমন “রশি ধরে মার টান, রাজা হবে খান খান”। জানিনা এমন কিছু বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার করেছে কিনা তাদের গত সাড়ে চার বছরের শাসনে। যার প্রেক্ষিতে তাদের এমন পতন হবে। আমি ৮ দিন নেপাল ভ্রমন করে এলাম সেখানে কোন পুলিশি ট্যাংক সাধারণ জনগণের উপর এসে দৃশ্যমান হয়ে হু হু ভূ ভূ কান ফাটা শব্দে পাবলিকের বিরক্তের কারণ হয়ে আসে না। যা বিদেশী পর্যটকদের ও কান ঝালাপালা হয়ে যায়। তাইতো সব পর্যটক বাংলাদেশ ছেড়ে নেপালে যায়। নেপালে আরও একটি জিনিস দেখলাম সার্কের সচিবালয়। এছাড়া কাঠমুন্ডু থেকে পুখারা যেতে মধ্য পথে মনকামনা স্থানে পর্যটকদের নদী পার হয়ে চারটা পাহাড় ডিঙিয়ে ১৭ হাজার ফুট উঁচুতে ক্যাবল কারের মাধ্যমে ভ্রমনের সুযোগ। আমাদের জন্য ২৫০ নেপালী রুপীর বিনিময়ে পার করা হয় মাত্র ২০ মিনিটে। কি রোমাঞ্চিত অভিজ্ঞতা ও এডভেঞ্চার। আমি পুখারাতে ডেভিড ফল জল প্রপাতে যাই। পুরো নেপাল জুড়ে কোন রাজনীতি নেই, তাই খাই খাই ভাব ও নাই। মহান আল্লাহর সৃষ্টির হিমালয় ও অসংখ্য পাহাড় বেষ্টিত নেপাল বড় বড় বৃক্ষরাজি দ্বারা প্রটেক্টেড। তাই ঝড়েও পাহাড় ধ্বসে পড়ে না। শহরে ও গ্রামে প্রতিটি বাড়ীতে সহজ সরল মানুষ বা মেয়ে ও মায়েরা মিলে মোরগ মুরগী লালন পালন করে থাকে। আমাদের সিলেটেও বাঙালী পরিবারের মত গরু-মহিষ পালন করে, যে দৃশ্যগুলি আমরা ছোট বেলায় দেখেছি তা এখন নেপালে দেখলাম। কি আর করা? নিজের দেশের প্রাকৃতিক জিনিসস এখন নেপালে গিয়ে দেখতে হয়। আমি অত্যন্ত বন্ধু ও অতিথি পরায়ণ নির্মল গুরাং, চেয়ারপার্সন, সাগর মাতা টেলিভিশন, যার আমন্ত্রণে তার দপ্তরে যাই। ভদ্রলোক আসার আগের দিন হিমালয় থেকে এনে আমাকে দুই বোতল মধূ উপহার দেন। তিনি বাংলাদেশের আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। আমি জানি না বাংলাদেশ কবে পাহাড় হতে সৃষ্ট নদী বাধাগ্রস্থ না হয়ে কবে নেপাল থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশর ভিতর দিয়ে মংলা সমুদ্র পথে পৌছতে পারবে। অর্থাৎ নেপালকে ঐ পথে অবশ্যই ট্রানজিট দেয়া দরকার। নেপাল ভূটান দু’টি দেশই রাহু কবল থেকে বের হয়ে এসেছে। এখন বাংলাদেশ কিভাবে বেরিয়ে আসবে সে জন্য জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন করে কারো মাধ্যমে দীর্ঘ ৪২ বছরের প্রাপ্তি চাওয়া পাওয়া ও অভাগা জনগণের ভাবনার আলোকে তারা দেশকে নিয়ে নতুন করে সাজাতে পারে। আমরা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে সুনাম বয়ে আসছে যেমন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক নোবেল বিজয়ী ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস কে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করার পর তাকে অভিনন্দন না জানিয়ে তার আমরা বদনাম করি। কেমন দূর্ভাগ্য আমাদের। আমাদের অর্থমন্ত্রী বলেন যে, ডঃ ইউনুস নাকি রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন। অর্থাৎ নিজেদের রাজনীতির ভিত নড়বড়ে হলে এরূপ মন্তব্য করা যায়। যা পরবর্তীতে হালকা ফানুসের মত হবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেছেন। মহান আল্লাহ সবার ও দেশের মঙ্গল করুন। এশিয়ার মধ্যে সার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পারিক বুঝাপড়ার মাধ্যমে “সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে” এ বিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ হয়ে অঙ্গীকার পুরনে প্রতিশ্রুতিমূলক চলার কথা ছিলো। অথচ একটা দেশের বেওয়ালিপনায় সব ভেস্তে গেছে। তাইতো পূর্বে শ্রীলংকা, পরে নেপাল ও ভূটান আস্তে আস্তে ঐ মেঘ রাহু কাঠিয়ে বের হয়ে এসেছে। এখন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ রাহুগ্রস্থ। তাই আমেরিকার দৃষ্টি-সুদৃষ্টি এশিয়ার নতুন মেরুকরণে সদা সবসময় থাকছে। তাইতো মহান আল্লাহ সহজ সরল মানুষের প্রতি সবসময় থাকবে। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন। -আমিন।
এদেশে আওয়ামী পুলিশের দিন নাই রাত নাই পুলিশের ট্যাংকের হু হু আওয়াজের জনগণের চলার পথে শান্তি ভঙ্গ। মানুষ রাস্তায় দাড়িয়ে প্রতিবাদ করতে পারেনি। চোখ বুজে সহ্য করেছে। অন্যদিকে চতুদির্কে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ক্যাডাররা পুরো পাড়ায় মহল্লায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে পূর্বের সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। এছাড়া পুলিশ বিভিন্ন হরতাল অবরোধে সাধারণ জনগণ মাথায় টুপি দাড়ি দেখলেই কথিত মৌলবাদী বলে ধরে কখনো থানায় ভরে বা পকেটে কিছু পেলে পকেট খালি করে দেয়। এভাবে সমস্ত ঢাকা শহর মেট্রোপলিটন এলাকায় কোন এক বিশেষ গোষ্ঠির অসি বা দারোগারা তাদের উপর মহলে বিরাট অংকের টাকা তুলে দিয়ে নিজেরা আখের গোছায়ে নেয়। এ অবস্থায় সাধারণ জনগণ নীরবে কাঁদে অথবা সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর কাছে নীরবে ফরিয়াদ করে। সমস্ত ফরিয়াদ একজোট হয়ে আল্লাহর কাছ থেকে একযোগে পীর, আওলিয়া, দরবেশ, কুতুবদের জিন্দা পীরের হৃদয়েকে নাড়া দেয়। তাইতো এদেশে যে কোন নির্যাতন হলেই ৯০% এর বেশী মানুষ যারা আওয়ামীলীগ এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে অন্যায় অত্যাচার হেফাজতকে রাতের আধারে নির্বিচারে হত্যার বিপক্ষে ভোট দিবে বলে বিশেষজ্ঞগন মনে করছেন। এর পূর্বে এদেশকে অন্য একটি প্রতিবেশী দেশ সবদিকে আগ্রাসন যখন তখন সীমান্তে গুলি করে হত্যা জনগন ভালভাবে নেয়নি। এর পূর্বে ঐরূপ রাতের আধারে ৫৮জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছিল। তখন উপদেষ্ঠা সময় ক্ষেপন করে হত্যাকারীদের চলে যেতে ভূমিকা রাখে বলে বিশেষ মহল গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য থাকতেও পারে। মাত্র তিন মাস পূর্বে সরকারের সীমাহীন অন্যায় পুলিশি ট্যাংকের তান্ডবে সাধারণ মানুষ যখন অসহায় তখন মরার উপর খাড়ার ঘা এর মতো রাজপথ শাহবাগ দখল করে এদেশের সাধারণ মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক ও মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রুগীদেরও যার পর নাই কষ্ট দেয়া হয়েছিল। যা এদেশের জনগন ভালভাবে নেয়নি। তারও জবাব ব্যালটের মাধ্যমে পেয়েছে, আরো পাবে। ও দিকে পাহাড় সমান সম্পদের পেছনে যারা আকণ্ঠ মগ্ন তারা কি করে বুঝবে জনগণের মনোভাব। কারণ চোখ থাকিতে তারা অন্ধ। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশের সিনেমায় শেষ দৃশ্য হয়ত দেশবাসী প্রত্যক্ষ করবে বলে অপেক্ষমাণ যেমন “রশি ধরে মার টান, রাজা হবে খান খান”। জানিনা এমন কিছু বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার করেছে কিনা তাদের গত সাড়ে চার বছরের শাসনে। যার প্রেক্ষিতে তাদের এমন পতন হবে। আমি ৮ দিন নেপাল ভ্রমন করে এলাম সেখানে কোন পুলিশি ট্যাংক সাধারণ জনগণের উপর এসে দৃশ্যমান হয়ে হু হু ভূ ভূ কান ফাটা শব্দে পাবলিকের বিরক্তের কারণ হয়ে আসে না। যা বিদেশী পর্যটকদের ও কান ঝালাপালা হয়ে যায়। তাইতো সব পর্যটক বাংলাদেশ ছেড়ে নেপালে যায়। নেপালে আরও একটি জিনিস দেখলাম সার্কের সচিবালয়। এছাড়া কাঠমুন্ডু থেকে পুখারা যেতে মধ্য পথে মনকামনা স্থানে পর্যটকদের নদী পার হয়ে চারটা পাহাড় ডিঙিয়ে ১৭ হাজার ফুট উঁচুতে ক্যাবল কারের মাধ্যমে ভ্রমনের সুযোগ। আমাদের জন্য ২৫০ নেপালী রুপীর বিনিময়ে পার করা হয় মাত্র ২০ মিনিটে। কি রোমাঞ্চিত অভিজ্ঞতা ও এডভেঞ্চার। আমি পুখারাতে ডেভিড ফল জল প্রপাতে যাই। পুরো নেপাল জুড়ে কোন রাজনীতি নেই, তাই খাই খাই ভাব ও নাই। মহান আল্লাহর সৃষ্টির হিমালয় ও অসংখ্য পাহাড় বেষ্টিত নেপাল বড় বড় বৃক্ষরাজি দ্বারা প্রটেক্টেড। তাই ঝড়েও পাহাড় ধ্বসে পড়ে না। শহরে ও গ্রামে প্রতিটি বাড়ীতে সহজ সরল মানুষ বা মেয়ে ও মায়েরা মিলে মোরগ মুরগী লালন পালন করে থাকে। আমাদের সিলেটেও বাঙালী পরিবারের মত গরু-মহিষ পালন করে, যে দৃশ্যগুলি আমরা ছোট বেলায় দেখেছি তা এখন নেপালে দেখলাম। কি আর করা? নিজের দেশের প্রাকৃতিক জিনিসস এখন নেপালে গিয়ে দেখতে হয়। আমি অত্যন্ত বন্ধু ও অতিথি পরায়ণ নির্মল গুরাং, চেয়ারপার্সন, সাগর মাতা টেলিভিশন, যার আমন্ত্রণে তার দপ্তরে যাই। ভদ্রলোক আসার আগের দিন হিমালয় থেকে এনে আমাকে দুই বোতল মধূ উপহার দেন। তিনি বাংলাদেশের আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। আমি জানি না বাংলাদেশ কবে পাহাড় হতে সৃষ্ট নদী বাধাগ্রস্থ না হয়ে কবে নেপাল থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশর ভিতর দিয়ে মংলা সমুদ্র পথে পৌছতে পারবে। অর্থাৎ নেপালকে ঐ পথে অবশ্যই ট্রানজিট দেয়া দরকার। নেপাল ভূটান দু’টি দেশই রাহু কবল থেকে বের হয়ে এসেছে। এখন বাংলাদেশ কিভাবে বেরিয়ে আসবে সে জন্য জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন করে কারো মাধ্যমে দীর্ঘ ৪২ বছরের প্রাপ্তি চাওয়া পাওয়া ও অভাগা জনগণের ভাবনার আলোকে তারা দেশকে নিয়ে নতুন করে সাজাতে পারে। আমরা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে সুনাম বয়ে আসছে যেমন-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক নোবেল বিজয়ী ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস কে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করার পর তাকে অভিনন্দন না জানিয়ে তার আমরা বদনাম করি। কেমন দূর্ভাগ্য আমাদের। আমাদের অর্থমন্ত্রী বলেন যে, ডঃ ইউনুস নাকি রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন। অর্থাৎ নিজেদের রাজনীতির ভিত নড়বড়ে হলে এরূপ মন্তব্য করা যায়। যা পরবর্তীতে হালকা ফানুসের মত হবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেছেন। মহান আল্লাহ সবার ও দেশের মঙ্গল করুন। এশিয়ার মধ্যে সার্কের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারস্পারিক বুঝাপড়ার মাধ্যমে “সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে” এ বিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ হয়ে অঙ্গীকার পুরনে প্রতিশ্রুতিমূলক চলার কথা ছিলো। অথচ একটা দেশের বেওয়ালিপনায় সব ভেস্তে গেছে। তাইতো পূর্বে শ্রীলংকা, পরে নেপাল ও ভূটান আস্তে আস্তে ঐ মেঘ রাহু কাঠিয়ে বের হয়ে এসেছে। এখন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ রাহুগ্রস্থ। তাই আমেরিকার দৃষ্টি-সুদৃষ্টি এশিয়ার নতুন মেরুকরণে সদা সবসময় থাকছে। তাইতো মহান আল্লাহ সহজ সরল মানুষের প্রতি সবসময় থাকবে। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন। -আমিন। 

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •