মৌলভীবাজারে ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন

July 17, 2013, এই সংবাদটি ২৯০ বার পঠিত

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের কিছু ভবনে কর্তৃপক্ষ পাঠদান বন্ধ রেখেছে। কিছু বিদ্যালয়ে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চলছে। সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গয়ঘর ভুজবল প্রাথমিক বিদ্যালয়, সূর্যপাশা প্রাথমিক বিদ্যালয়, দশকাহনীয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, আটঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কান্দিগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিজ বাহাদুরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ জিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, লামা কাগাবলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দশ্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিঠারাই প্রাথমিক বিদ্যালয়, পদুনাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বড়বিনয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন আছে। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো কোনোটির দু-তিনটি ভবন আছে। বিকল্প ভবন থাকায় সেসব বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব বিদ্যালয়ে বিকল্পব্যবস্থা নেই, সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চলছে। মৌলভীবাজার পৌর এলাকার শহীদ জিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন ও গয়ঘর ভুজবল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবনে পাঠদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আটঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে সেখানে পাঠদান না করতে উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে। গতকাল গোবিন্দশ্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পুরোনো দোতলা ভবনটির দেয়াল স্যাঁতসেঁতে। ছাদ ও বিম থেকে পলেস্তারা খসে পড়েছে। বিকল্প ভবন না থাকায় এই ভবনে পাঠদান চলছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিনা আক্তার চৌধুরী বলেন, ‘দু-তিন বছর ধরে আমরা ভবনটি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। বাচ্চাদের নিয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকি।’ লামা কাগাবলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের দেয়ালে ফাটল ধরেছে। এ কারণে ভবনের একটি কক্ষ বছর খানেক ধরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক পীযূষ কান্তি দত্ত বলেন, ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে আছি। সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস না নিতে বলেছি। কিছু ভবনে ক্লাস নেওয়া বন্ধও করা হয়েছে। কিন্তু যেখানে বিকল্পব্যবস্থা নেই, সেখানে একটু ঝুঁকির মধ্যেই ক্লাস নিতে হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। প্রকৌশল বিভাগ জানায়, বর্তমানে কিছু ভবন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বাকি যেগুলো আছে সেগুলো আপাতত মেরামত করা যাবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সব বিদ্যালয়ে হয়তো একসঙ্গে ভবন নির্মাণ করে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের কিছু ভবনে কর্তৃপক্ষ পাঠদান বন্ধ রেখেছে। কিছু বিদ্যালয়ে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চলছে। সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গয়ঘর ভুজবল প্রাথমিক বিদ্যালয়, সূর্যপাশা প্রাথমিক বিদ্যালয়, দশকাহনীয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, আটঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কান্দিগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিজ বাহাদুরপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ জিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, লামা কাগাবলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দশ্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিঠারাই প্রাথমিক বিদ্যালয়, পদুনাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বড়বিনয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন আছে। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো কোনোটির দু-তিনটি ভবন আছে। বিকল্প ভবন থাকায় সেসব বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব বিদ্যালয়ে বিকল্পব্যবস্থা নেই, সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চলছে। মৌলভীবাজার পৌর এলাকার শহীদ জিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন ও গয়ঘর ভুজবল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবনে পাঠদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আটঘর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে সেখানে পাঠদান না করতে উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে। গতকাল গোবিন্দশ্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের পুরোনো দোতলা ভবনটির দেয়াল স্যাঁতসেঁতে। ছাদ ও বিম থেকে পলেস্তারা খসে পড়েছে। বিকল্প ভবন না থাকায় এই ভবনে পাঠদান চলছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিনা আক্তার চৌধুরী বলেন, ‘দু-তিন বছর ধরে আমরা ভবনটি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। বাচ্চাদের নিয়ে সব সময় আতঙ্কে থাকি।’ লামা কাগাবলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের দেয়ালে ফাটল ধরেছে। এ কারণে ভবনের একটি কক্ষ বছর খানেক ধরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক পীযূষ কান্তি দত্ত বলেন, ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে আছি। সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস না নিতে বলেছি। কিছু ভবনে ক্লাস নেওয়া বন্ধও করা হয়েছে। কিন্তু যেখানে বিকল্পব্যবস্থা নেই, সেখানে একটু ঝুঁকির মধ্যেই ক্লাস নিতে হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, উপজেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। প্রকৌশল বিভাগ জানায়, বর্তমানে কিছু ভবন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বাকি যেগুলো আছে সেগুলো আপাতত মেরামত করা যাবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সব বিদ্যালয়ে হয়তো একসঙ্গে ভবন নির্মাণ করে। স্টাফ রিপোর্টার :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •