বিজয় ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখান: মৌলভীবাজার ২ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী মহিবুল কাদির

January 6, 2014, এই সংবাদটি ৯২ বার পঠিত

মৌলভীবাজার ২ আসনের ফলাফল প্রত্যাখান করে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মহিবুল কাদির চৌধুরী বলেন নির্বাচনী এলাকায় ১৩টি ভোট কেন্দ্রে প্রশাসন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের সহযোগিতায় তার এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল মতিনকে বিজয়ী করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারী সোমবার বিকেলে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, কুলাউড়া ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে দুপুর পর্যন্ত নিরপেক্ষভাবে ভোট গ্রহণ চলছিলো। এরপর রাধানগর, ভাটেরা, রাঙিছড়া, অগ্রণী, দিলদারপুরসহ ১৩টি ভোট কেন্দ্র থেকে আমার নিযুক্ত এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেয় প্রশাসন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা। এরপর তারা ব্যালট পেপার নিয়ে আনারস প্রতীকে সিল মেরে আব্দুল মতিনকে জয়লাভ করে। তিনি বিষয়টি জেনে উল্লেখিত কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারদের বিষয়টি অবহিত করলে তারা বলেন, উপরের নির্দেশে এই কাজ করা হচ্ছে। মহিবুল কাদির বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি ৮ হাজার বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হতাম। তার বিজয় ছিনিয়ে নেয়ায় আমি এর তীব্র প্রতিবাদ করে নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখান করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
মৌলভীবাজার ২ আসনের ফলাফল প্রত্যাখান করে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মহিবুল কাদির চৌধুরী বলেন নির্বাচনী এলাকায় ১৩টি ভোট কেন্দ্রে প্রশাসন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানদের সহযোগিতায় তার এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল মতিনকে বিজয়ী করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারী সোমবার বিকেলে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, কুলাউড়া ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে দুপুর পর্যন্ত নিরপেক্ষভাবে ভোট গ্রহণ চলছিলো। এরপর রাধানগর, ভাটেরা, রাঙিছড়া, অগ্রণী, দিলদারপুরসহ ১৩টি ভোট কেন্দ্র থেকে আমার নিযুক্ত এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেয় প্রশাসন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা। এরপর তারা ব্যালট পেপার নিয়ে আনারস প্রতীকে সিল মেরে আব্দুল মতিনকে জয়লাভ করে। তিনি বিষয়টি জেনে উল্লেখিত কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারদের বিষয়টি অবহিত করলে তারা বলেন, উপরের নির্দেশে এই কাজ করা হচ্ছে। মহিবুল কাদির বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি ৮ হাজার বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হতাম। তার বিজয় ছিনিয়ে নেয়ায় আমি এর তীব্র প্রতিবাদ করে নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখান করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। à¦¸à§à¦Ÿà¦¾à¦« রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •