বড়লেখা-জুড়ীতে ব্যাপক সহিংসতায় আহত ৫ ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও ভাংচুর : ফাঁকা গুলি : আটক ৩

January 5, 2014, এই সংবাদটি ১০৭ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে মৌলভীবাজার-১ এবং কুলাউড়া ও কমলগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-২ আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে ব্যাপক সহিংসতার মধ্য দিয়ে। বড়লেখার কাঁঠালতলীতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় জামায়াত-শিবির। পরে আবার ফেরত দেয়। আহত হন ৪ জন। আটক হয়েছে ২জন। দক্ষিণভাগের দোহালিয়া কেন্দ্রে ২টি ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও অগ্নিসংযোগ এবং আরও একটি ব্যালট বাক্সের অর্ধেক পুড়িয়ে ফেলা হয়। এছাড়া একটি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে ফেলে। কাঁঠালতলীতে ২ রাউন্ড ও শাহবাজপুরের নান্দুয়ায় ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে পুলিশ। সব ক’টি ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। কোথাও ভোটের আমেজ খুব একটা দেখা যায়নি। রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হলেও কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি কম। দু’টি আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র সরেজমিন ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে। বড়লেখার বড়লেখা সপ্রাবি কেন্দ্র, বিছরাবাজার, কুলাউড়া রেলওয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ২০টি কেন্দ্র ফাঁকা দেখা গেছে। সকাল সাড়ে ৯টায় মৌলভীবাজার-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন নিজ কেন্দ্র কুলাউড়া রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট প্রদান করেন। এছাড়াও মৌলভীবাজার-১ আসনের আওয়ামীলীগ প্রাথী শাহাব উদ্দিন ও একই আসনের জাতীয় পাটি প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। এদিকে বড়লেখার কাঁঠালতলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ১১টায় আনসার সদস্যদের পোষাক পরে নির্বাচন প্রতিরোধকারীরা হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে উদ্যত হয়। এ সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ ঘটে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও জামায়াত-শিবিরের হামলায় আহত হন পুলিশ কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন (৩০), আনসার সদস্য মনসুর আলীসহ (৩২) অপর ২ ভোটার। নিরাপত্তা রক্ষার্থে পুলিশ ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করলে হামলাকারীরা তার রাইফেল ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাইফেল উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আসুক উদ্দিন (২৮) ও সিপার আহমদ (২৫) নামের ২ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে আতংকে এই কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কমে যায়। অপরদিকে নান্দুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটে বাক্স ছিনতাইয়ের জন্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ১৮ দলীয় জোটের কর্মীরা। এ সময় চরম আতংকে দিকবিদিক ছুটোছুটি করেন ভোটাররা। চারদিক থেকে ঘিরে চালানো হামলায় ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩ রাউ- ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারী বিএনপি ও জামায়াতকর্মীরা সটকে পড়ে। এরপর বিকেল ৩টায় দ্বিতীয়বার হামলা চালানোর চেষ্টা করে ১৮ দলীয় জোট। তবে যৌথবাহিনীর কারণে এগুতে পারেনি। এ ঘটনায় শাহবাজপুরের আতুয়া গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে ছাইদুর রহমানকে (২২) আটক করে পুলিশ। এছাড়া বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে দক্ষিণভাগের দোহালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচন প্রতিরোধকারীরা হামলা চালিয়ে ২টি ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া আরও একটি ব্যালট বাক্সের অর্ধাংশ পুড়িয়ে ফেলে। এ সময় পোলিং অফিসারের একটি মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টায় জুড়ী উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউপি আওয়ামীলীগের সম্পাদক আব্দুল কাদিরকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (রাত ৮টা) বড়লেখার দক্ষিণভাগে ৩/৪ টি সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া দক্ষিণভাগ তহশিল অফিসের পেছন দিকে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। দু’টি আসনের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কম থাকলেও চা বাগান অধ্যূষিত এলাকার ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মৌলভীবাজার-১ ও মৌলভীবাজার-২ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪৬৭ জন। ২১৭ টি কেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোট দেন। এ দুই আসনে ২ টি উপজেলা, ১৬ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩২ হাজার ৩৭১ জন। বড়লেখা উপজেলায় ১টি পৌরসভা, ১০ টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭১ হাজার ৩৭৪ জন আর মহিলা ৭৫ হাজার ২০৮ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ৫৭ টি ও কক্ষ ২৬৬ টি। জুড়ী উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ৮৫ হাজার ৭৮৯ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৩ হাজার ৩৫৩ জন ও মহিলা ৪২ হাজার ৪৩৬ জন। ভোট কেন্দ্র ৩৮ টি ও কক্ষ ১৬৮ টি। বড়লেখার ৫৭ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং জুড়ীতে ৩৮ টি কেন্দ্রে মধ্যে ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে নিরাপত্তা কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্নে আইন-শৃক্সক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। সকল ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব সদস্যরা নিরাপত্তা জোরদার করে।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে মৌলভীবাজার-১ এবং কুলাউড়া ও কমলগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-২ আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে ব্যাপক সহিংসতার মধ্য দিয়ে। বড়লেখার কাঁঠালতলীতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় জামায়াত-শিবির। পরে আবার ফেরত দেয়। আহত হন ৪ জন। আটক হয়েছে ২জন। দক্ষিণভাগের দোহালিয়া কেন্দ্রে ২টি ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও অগ্নিসংযোগ এবং আরও একটি ব্যালট বাক্সের অর্ধেক পুড়িয়ে ফেলা হয়। এছাড়া একটি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে ফেলে। কাঁঠালতলীতে ২ রাউন্ড ও শাহবাজপুরের নান্দুয়ায় ১৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে পুলিশ। সব ক’টি ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। কোথাও ভোটের আমেজ খুব একটা দেখা যায়নি। রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হলেও কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি কম। দু’টি আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র সরেজমিন ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে। বড়লেখার বড়লেখা সপ্রাবি কেন্দ্র, বিছরাবাজার, কুলাউড়া রেলওয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ২০টি কেন্দ্র ফাঁকা দেখা গেছে। সকাল সাড়ে ৯টায় মৌলভীবাজার-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন নিজ কেন্দ্র কুলাউড়া রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট প্রদান করেন। এছাড়াও মৌলভীবাজার-১ আসনের আওয়ামীলীগ প্রাথী শাহাব উদ্দিন ও একই আসনের জাতীয় পাটি প্রার্থী আহমেদ রিয়াজ নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। এদিকে বড়লেখার কাঁঠালতলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ১১টায় আনসার সদস্যদের পোষাক পরে নির্বাচন প্রতিরোধকারীরা হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে উদ্যত হয়। এ সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ ঘটে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও জামায়াত-শিবিরের হামলায় আহত হন পুলিশ কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন (৩০), আনসার সদস্য মনসুর আলীসহ (৩২) অপর ২ ভোটার। নিরাপত্তা রক্ষার্থে পুলিশ ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করলে হামলাকারীরা তার রাইফেল ছিনিয়ে নেয়। খবর পেয়ে যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাইফেল উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আসুক উদ্দিন (২৮) ও সিপার আহমদ (২৫) নামের ২ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে আতংকে এই কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কমে যায়। অপরদিকে নান্দুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটে বাক্স ছিনতাইয়ের জন্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ১৮ দলীয় জোটের কর্মীরা। এ সময় চরম আতংকে দিকবিদিক ছুটোছুটি করেন ভোটাররা। চারদিক থেকে ঘিরে চালানো হামলায় ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩ রাউ- ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারী বিএনপি ও জামায়াতকর্মীরা সটকে পড়ে। এরপর বিকেল ৩টায় দ্বিতীয়বার হামলা চালানোর চেষ্টা করে ১৮ দলীয় জোট। তবে যৌথবাহিনীর কারণে এগুতে পারেনি। এ ঘটনায় শাহবাজপুরের আতুয়া গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে ছাইদুর রহমানকে (২২) আটক করে পুলিশ। এছাড়া বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে দক্ষিণভাগের দোহালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচন প্রতিরোধকারীরা হামলা চালিয়ে ২টি ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে গিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া আরও একটি ব্যালট বাক্সের অর্ধাংশ পুড়িয়ে ফেলে। এ সময় পোলিং অফিসারের একটি মোটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এ কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টায় জুড়ী উপজেলার পূর্ব জুড়ী ইউপি আওয়ামীলীগের সম্পাদক আব্দুল কাদিরকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (রাত ৮টা) বড়লেখার দক্ষিণভাগে ৩/৪ টি সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া দক্ষিণভাগ তহশিল অফিসের পেছন দিকে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। দু’টি আসনের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কম থাকলেও চা বাগান অধ্যূষিত এলাকার ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মৌলভীবাজার-১ ও মৌলভীবাজার-২ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪৬৭ জন। ২১৭ টি কেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোট দেন। এ দুই আসনে ২ টি উপজেলা, ১৬ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৩২ হাজার ৩৭১ জন। বড়লেখা উপজেলায় ১টি পৌরসভা, ১০ টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭১ হাজার ৩৭৪ জন আর মহিলা ৭৫ হাজার ২০৮ জন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ৫৭ টি ও কক্ষ ২৬৬ টি। জুড়ী উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ৮৫ হাজার ৭৮৯ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৩ হাজার ৩৫৩ জন ও মহিলা ৪২ হাজার ৪৩৬ জন। ভোট কেন্দ্র ৩৮ টি ও কক্ষ ১৬৮ টি। বড়লেখার ৫৭ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং জুড়ীতে ৩৮ টি কেন্দ্রে মধ্যে ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে নিরাপত্তা কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট সম্পন্নে আইন-শৃক্সক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। সকল ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব সদস্যরা নিরাপত্তা জোরদার করে। à¦•à§à¦²à¦¾à¦‰à§œà¦¾ অফিস॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •