শ্রীমঙ্গলে থার্টিফার্স্ট নাইটে দেড় কোটি টাকার মদ,বিয়ার বিক্রি অশ্লীল নৃত্যে মাতোয়ারা ছিল “গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ”

January 2, 2014, এই সংবাদটি ১৬০ বার পঠিত

“গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ” থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মাদনায় মাতোয়ারা ছিল পাহাড়ী কন্যা শ্রীমঙ্গলে। ডিজেদের বাঁধভাঙা অশ্লীল নৃত্যে টালমাটাল হয়ে ওঠে ডিজের আসর। শহর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাহাড়ী নির্জন এলাকায় নির্মিত পাঁচ তারকা মানের হোটেল হঠাৎ করে সরব হয়ে ওঠে। তবে হোটেল কতৃপক্ষের সিকিউরিটি ছিল খুব কড়াকড়ি। হোটেল-মোটেলে চলে বিরামহীন আয়োজন আর ডিজেদের উন্মাদনা ঠেকাতে সন্ধ্যা থেকে পুলিশ ও যৌথবাহিনী চেক পোষ্ট বসিয়ে গাড়ীতে তল্লাশি করে। সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে শ্রীমঙ্গলে এবার থার্টি ফার্স্ট নাইটে মাদ ও বিয়ার বিক্রি হয়েছে প্রায় দেড় কোটির টাকার মতো। কিন্তু এসব এলকোহলের মধ্যে বেশি ভাগই ছিল চোরাই পথে ভারতীয় মদ, বিয়ার। আর ফরেনই এলকোহলের মধ্যে ছিল পাসর্পোট, ব্রেকলেভেল, হনিজকার, হ্যানিক্যান বিয়ার। সন্ধ্যা থেকে সম্ভাব্য পার্টিগুলোতে পাঠানো হয় সাদা পোশাকে পুলিশ। তবে, এত সবের ফাঁক গলিয়ে আয়োজনের কোন কমতি ছিল না। ঢাকা থেকে শতাধিক ডিজে বুধবার সকালেই শ্রীমঙ্গলে এসে পৌঁছেন। সকালের দিকে তারা চলে যান নির্ধারিত গন্তব্যে। থার্টিফার্স্ট আয়োজনে এবার শ্রীমঙ্গলে পাঁচ তারকা হোটেলে ছিল একমাত্র বিশেষ আয়োজন। তবে, সন্ধ্যায় হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন খুব কড়াকড়ি ছিল। টিকিট বিহীন কেউকে প্রবেশ করতে দেয়নি কতৃপক্ষ। যদিও তারা হোটেলের বোর্ডারদের জন্য পাট্রির আয়োজন করেছেন। এই আয়োজনে বাইরের লোকজনের তেমন উপস্থিতির অনুমতি না থাকলেও পুরো বলরুম পা রাখার ঠাঁই মেলেনি। পাঁচ তারকা হোটেলে ঘড়ির কাটায় রাত ৮টয় শুরু হয় নৃত্যে। নৃত্যের তালে শুরু হয় বিয়ার, মদের সেবন। রাত বারোটা এক মিনিটে আবার বিয়ার ও মদ দিয়ে বরণ করা হয় ২০১৪ইং সালকে। এছাড়া শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডস্থ স্টার কমিউনিটি সেন্টার ও নজরুল কমিউনিটি সেন্টার বিভিন্ন বাংলোবাড়িতেও ছিল থার্টিফার্স্টের বিশেষ আয়োজন। এই আয়োজনে ঢাকার ডিজেরাও উপস্থিত ছিল। ষ্টার কমিউনিটি সেন্টার ও নজরুল কমিনিউটি সেন্টারে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৩/৪ দিন আগ থেকে থার্টিফার্স্টের প্রস্তুতি চলে জানিয়েছেন আয়োজকদের এক নেতা। এছাড়া শহরতলীর ফিনলে টি কোম্পানীর বালিশিরা ক্লাবেও ছিল থার্টিফার্স্টের স্পেশাল আয়োজন। ভিআইপিদের নিয়ে এসব ক্লাবে থার্টিফার্স্টের উন্মাদনা চলে। এসব পার্টিতে রাজনৈতিক দলের নেতারাও কোথা কোথাও প্রশাসনের কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ভোররাত পর্যন্ত চলে থার্টিফার্ষ্টের আয়োজন। মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মো.তোফায়েল আহমদ মুঠোফোনে জানিয়েছেন, থার্টিফার্স্টের উন্মাদনা ঠেকাতে সন্ধ্যা থেকে সারা রাত পর্যন্ত সম্ভাব্য স্থানগুলোতে সাদা পোশাকে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা ছিল।
“গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ” থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মাদনায় মাতোয়ারা ছিল পাহাড়ী কন্যা শ্রীমঙ্গলে। ডিজেদের বাঁধভাঙা অশ্লীল নৃত্যে টালমাটাল হয়ে ওঠে ডিজের আসর। শহর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাহাড়ী নির্জন এলাকায় নির্মিত পাঁচ তারকা মানের হোটেল হঠাৎ করে সরব হয়ে ওঠে। তবে হোটেল কতৃপক্ষের সিকিউরিটি ছিল খুব কড়াকড়ি। হোটেল-মোটেলে চলে বিরামহীন আয়োজন আর ডিজেদের উন্মাদনা ঠেকাতে সন্ধ্যা থেকে পুলিশ ও যৌথবাহিনী চেক পোষ্ট বসিয়ে গাড়ীতে তল্লাশি করে। সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে শ্রীমঙ্গলে এবার থার্টি ফার্স্ট নাইটে মাদ ও বিয়ার বিক্রি হয়েছে প্রায় দেড় কোটির টাকার মতো। কিন্তু এসব এলকোহলের মধ্যে বেশি ভাগই ছিল চোরাই পথে ভারতীয় মদ, বিয়ার। আর ফরেনই এলকোহলের মধ্যে ছিল পাসর্পোট, ব্রেকলেভেল, হনিজকার, হ্যানিক্যান বিয়ার। সন্ধ্যা থেকে সম্ভাব্য পার্টিগুলোতে পাঠানো হয় সাদা পোশাকে পুলিশ। তবে, এত সবের ফাঁক গলিয়ে আয়োজনের কোন কমতি ছিল না। ঢাকা থেকে শতাধিক ডিজে বুধবার সকালেই শ্রীমঙ্গলে এসে পৌঁছেন। সকালের দিকে তারা চলে যান নির্ধারিত গন্তব্যে। থার্টিফার্স্ট আয়োজনে এবার শ্রীমঙ্গলে পাঁচ তারকা হোটেলে ছিল একমাত্র বিশেষ আয়োজন। তবে, সন্ধ্যায় হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন খুব কড়াকড়ি ছিল। টিকিট বিহীন কেউকে প্রবেশ করতে দেয়নি কতৃপক্ষ। যদিও তারা হোটেলের বোর্ডারদের জন্য পাট্রির আয়োজন করেছেন। এই আয়োজনে বাইরের লোকজনের তেমন উপস্থিতির অনুমতি না থাকলেও পুরো বলরুম পা রাখার ঠাঁই মেলেনি। পাঁচ তারকা হোটেলে ঘড়ির কাটায় রাত ৮টয় শুরু হয় নৃত্যে। নৃত্যের তালে শুরু হয় বিয়ার, মদের সেবন। রাত বারোটা এক মিনিটে আবার বিয়ার ও মদ দিয়ে বরণ করা হয় ২০১৪ইং সালকে। এছাড়া শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডস্থ স্টার কমিউনিটি সেন্টার ও নজরুল কমিউনিটি সেন্টার বিভিন্ন বাংলোবাড়িতেও ছিল থার্টিফার্স্টের বিশেষ আয়োজন। এই আয়োজনে ঢাকার ডিজেরাও উপস্থিত ছিল। ষ্টার কমিউনিটি সেন্টার ও নজরুল কমিনিউটি সেন্টারে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৩/৪ দিন আগ থেকে থার্টিফার্স্টের প্রস্তুতি চলে জানিয়েছেন আয়োজকদের এক নেতা। এছাড়া শহরতলীর ফিনলে টি কোম্পানীর বালিশিরা ক্লাবেও ছিল থার্টিফার্স্টের স্পেশাল আয়োজন। ভিআইপিদের নিয়ে এসব ক্লাবে থার্টিফার্স্টের উন্মাদনা চলে। এসব পার্টিতে রাজনৈতিক দলের নেতারাও কোথা কোথাও প্রশাসনের কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ভোররাত পর্যন্ত চলে থার্টিফার্ষ্টের আয়োজন। মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মো.তোফায়েল আহমদ মুঠোফোনে জানিয়েছেন, থার্টিফার্স্টের উন্মাদনা ঠেকাতে সন্ধ্যা থেকে সারা রাত পর্যন্ত সম্ভাব্য স্থানগুলোতে সাদা পোশাকে পুলিশের বাড়তি নিরাপত্তা ছিল। à¦¬à¦¿à¦¶à§‡à¦· প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •