শ্রীমঙ্গলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকা জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মৎস্য আহরণের অভিযোগ

January 7, 2014, এই সংবাদটি ১৫৭ বার পঠিত

জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতি বরাবরে ১৪১৯-১৪২১ বাংলা সনের জন্য ইজারা বন্দোবস্ত প্রদানে বিধি মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ করার পরও আইনী জটিলতায় ওই সমিতি থেকে ইজারা মূল্য গ্রহণ না করায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাইল হাওরের আনলীবেড়ী নালের ডোবা (বদ্ধ) জলমহাল থেকে স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: নামের একটি সংগঠনের সদস্যবৃন্দ কর্তৃক উক্ত জলমহালের মৎস্য সম্পদ অবাধে লুণ্ঠনের প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেছেন সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতির পক্ষে সুজন মিয়া। জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদনে সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি সুজন মিয়া দাবি করেন মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকার পরও নানা অজুহাতে জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতি হইতে ইজারা মূল্য গ্রহণ না করে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। সংশ্লিষ্ট জলমহালটি ইজারাহীন অবস্থায় সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু উক্ত জলমহাল পাহাড়া দেবার কোন ব্যবস্থা না থাকায় এরই সুযোগে প্রভাবশালী মহলের আর্শীবাদপুষ্ট স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: নামের একটি কথিত সমিতি অবৈধভাবে উক্ত জলমহাল হতে অবাধে মৎস্য সম্পদ লোটপাট করে চলেছে। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি ছাড়াও জলমহালটি স্বমুলে ধ্বংস হবার পথে। তিনি স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি মো. আমজা মিয়াসহ ওই সংগঠনের ৫৭ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারের সম্পত্তি রক্ষা করার জোর দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরস্থ আনলীবেড়ী নালের ডোবা (বদ্ধ) সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতি বরাবরে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১৪১৯-১৪২১ মেয়াতেদ ইজারা বন্দোবস্ত প্রদানের জন্য গত বছরের ২১ জুলাই জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: এর পক্ষে সংগঠনের সভাপতি মো. আমজা মিয়া ওই সভার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে ৮৫৫৫/২০১৩ রীট মোকদ্দমা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট ২১ জুলাই জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত ৬ মাসের জন্য স্থগিত থাকার মর্মে আদেশ জারি করেন। এ আদেশের পর সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতির পক্ষে সুজন মিয়া মহামান্য হাইকোর্টে অপর একটি (৮৫৮৮/২০১৩) রীট মোকদ্দমা দায়ের করলে গত বছরের ১ অক্টোবর আনলীবেড়ী নালের ডোবা (বদ্ধ) ১ বছরের ইজারা বন্দোবস্ত টাকা গ্রহণ করার জন্য আদেশ জারি হয়।
জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতি বরাবরে ১৪১৯-১৪২১ বাংলা সনের জন্য ইজারা বন্দোবস্ত প্রদানে বিধি মোতাবেক কার্যক্রম গ্রহণ করার পরও আইনী জটিলতায় ওই সমিতি থেকে ইজারা মূল্য গ্রহণ না করায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাইল হাওরের আনলীবেড়ী নালের ডোবা (বদ্ধ) জলমহাল থেকে স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: নামের একটি সংগঠনের সদস্যবৃন্দ কর্তৃক উক্ত জলমহালের মৎস্য সম্পদ অবাধে লুণ্ঠনের প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেছেন সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতির পক্ষে সুজন মিয়া। জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদনে সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি সুজন মিয়া দাবি করেন মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকার পরও নানা অজুহাতে জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতি হইতে ইজারা মূল্য গ্রহণ না করে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। সংশ্লিষ্ট জলমহালটি ইজারাহীন অবস্থায় সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু উক্ত জলমহাল পাহাড়া দেবার কোন ব্যবস্থা না থাকায় এরই সুযোগে প্রভাবশালী মহলের আর্শীবাদপুষ্ট স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: নামের একটি কথিত সমিতি অবৈধভাবে উক্ত জলমহাল হতে অবাধে মৎস্য সম্পদ লোটপাট করে চলেছে। এতে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি ছাড়াও জলমহালটি স্বমুলে ধ্বংস হবার পথে। তিনি স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি মো. আমজা মিয়াসহ ওই সংগঠনের ৫৭ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারের সম্পত্তি রক্ষা করার জোর দাবি জানিয়েছেন। জানা যায়, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরস্থ আনলীবেড়ী নালের ডোবা (বদ্ধ) সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতি বরাবরে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ১৪১৯-১৪২১ মেয়াতেদ ইজারা বন্দোবস্ত প্রদানের জন্য গত বছরের ২১ জুলাই জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে স্বপনীল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লি: এর পক্ষে সংগঠনের সভাপতি মো. আমজা মিয়া ওই সভার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে ৮৫৫৫/২০১৩ রীট মোকদ্দমা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট ২১ জুলাই জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত ৬ মাসের জন্য স্থগিত থাকার মর্মে আদেশ জারি করেন। এ আদেশের পর সবুজবাংলা মৎস্যজীবি সমিতির পক্ষে সুজন মিয়া মহামান্য হাইকোর্টে অপর একটি (৮৫৮৮/২০১৩) রীট মোকদ্দমা দায়ের করলে গত বছরের ১ অক্টোবর আনলীবেড়ী নালের ডোবা (বদ্ধ) ১ বছরের ইজারা বন্দোবস্ত টাকা গ্রহণ করার জন্য আদেশ জারি হয়। à¦¶à§à¦°à§€à¦®à¦™à§à¦—ল প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •