আমেরিকা দূরে নয়, কাছে

January 11, 2014, এই সংবাদটি ২১১ বার পঠিত

বাংলাদেশ! যেথায় জ্বলছে রাজনীতির নামে প্রতিহিংসা, জিঘাংসার দাউ দাউ আগুন। অথচ সত্যাগ্রহ ও অহিংস নীতি ছিলো গান্ধীজীর। বাংলাদেশে বর্তমানে যা শুরু হয়েছে রাজনীতি ও নির্বাচনের নামে হিংসা-প্রতিহিংসার নামে এখানে কারা কি করছে তা সবার জানা। ভারতেও রাজনীতিতে কংগ্রেসকে তারা ক্ষমতায় বসাতে পারেনি। কেজরীওয়াল এর আম আদমী পার্টি দিল্লীর মসনদে অধিষ্ঠিত। তিনি বলেছিলেন যে তার নিরাপত্তা স্বয়ং ঈশ্বর দিবেন। ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং বাংলাদেশে এসে ছবক দিয়ে আমেরিকায় গিয়ে দেবযানীর সাথে আমেরিকাকে জ্ঞান দিতে গেলেন। তার পরে ঘটল যত বিপত্তি। আমরা বাংলাদেশে ওপার ভারতীয় গান শুনি। তবে গান (বন্দুক) বা আগ বাড়িয়ে দেওয়া জ্ঞান এদেশের মানুষ সহজভাবে কোনদিনও নেয়নি, এখন তো নেয়ার প্রশ্নই উঠে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্তব্য করে যে, ভারত নাকি কাছে আর আমেরিকা নাকি দূরের দেশ। শুধু সংসার করলেও অনেকে সূখী হয় না। আর বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবেশীর কাজ কারবার তো এতদিন ধরে দেখছে। আর দেখতে চায় না। বাংলাদেশের মত ৪২ বছর আগের একটা পূর্ণ সার্বভৌম দেশ কি এখনও পররাষ্ট্র সম্পর্কে ডাব্লিং করবে? বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের স্যাটেলাইট যুগে অন্যের বিছানায় টেনে নিয়ে সোয়ানোর অপচেষ্টা বাংলাদেশ ও এর জনগণ কি মেনে নিবে? এই ডিসেম্বর বিজয়ের মাসে বিটিভি ওয়ার্ল্ডে ছোট সোনামনিদের লোকনৃত্তের পরিবেশনায় গান আমার হৃদয়ে দাগ কেটেছে। কথাগুলো ছিল- “বাঁশী শুনে আর কাজ নাই, সে যে ডাকাতিয়া বাঁশী। তারা দিন দুপুরে করে চুরি, রাতে বাজায় বাঁশী হুশিয়ার সাবধান।” আসলে ছোট শিশুরা এখন অনেক কিছু বুঝতে পারছে। নেপালেও হয়ে গেল শান্তির জন্য কবিতা উৎসব। আমরা যদি এখানে বর্তমান অবস্থায় শান্তির জন্য সব দলের অংশ গ্রহনে আন্তঃধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সম্মেলন জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে করা যেত, তাহলে দেশে শান্তি হতো। কিছু কিছু স্থানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বেশ ফলাও ভাবে প্রচার করা হচ্ছে। তাও আমেরিকা,বৃটেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা জাতিসংঘ তদন্ত করলে বের করতে পারে। দিল্লী থেকে আমেরিকান দূতাবাস পরিচালিত বানিজ্যিক কার্যক্রম অনুষ্ঠান বন্ধ করতে ভারত সরকার নির্দেশ দিয়েছে। তা বাংলাদেশে স্থানান্তর করা যায়। এতে করে এদেশের মানুষের সাথে আমেরিকার সরকার জনগণের সাথে গভীর সম্পর্ক স্থাপন হবে। এমনিতেই এখানে ইউএসএআইডি ও গাজীপুরে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আমেরিকার পীচ সাপোর্ট অপারেশনের কার্যক্রম চলছে। আমেরিকা বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে সমুদ্র জয় নামে একটা যুদ্ধ জাহাজ উপহার দিয়েছে, প্রয়োজনে আরো দিবে। তা করলে আমেরিকা বাংলাদেশের আম জনতার দোয়া পাবে। সবাই জানে আমেরিকা হলো বিশ্বের ১ নং মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংমিশ্রনের ইমিগ্রান্ট কান্ট্রি। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন। আমিন। ভারতের জি-বাংলায় হার মিনিস্ট্রিজ জয়েস এর দ্বারা বাইবেল বা ইঞ্জিল শরীফের বাংলা তরজমা ধর্মীয় মহান প্রভুর নামের সাথে তাদের যিশু খ্রীস্ট বা আমাদের হজরত ঈসা (আঃ) সাথে মেরী বা আমাদের মরিয়ম (আঃ) এর নিয়ে অনুষ্ঠান মাঝে মাঝে আমি সকাল বেলা শুনি। সবইতো মানুষের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা, হিংসা বিদ্বেষের বাহিরে থেকে মানবতার কল্যাণের জন্য। ঈসা (আঃ) ও বলে গেছেন। ঈসা (আঃ) ও বিবি মরিয়মের (আঃ) কথা কোরআনে অনেক জায়গায় এসেছে। এমনকি কোরআনের একটি সূরার নামও সূরা মরিয়ম রাখা হয়েছে। আল-জাজিরা টিভিতে ফ্রান্সেও ইসলাম কত সুন্দরভাবে ব্যাপ্তি লাভ করছে তা দেখে আমার ভালো লাগল। যদিও আমাদের দেশে ইসলামকে অন্যভাবে প্রচার করার হীন চেষ্টা করা হয়। লর্ড বায়রন এর মত বিখ্যাত ব্যক্তি অনেক আগেই বলেছিলেন অর্থনীতিতে সম্পদের সুসম বন্টন নিয়ে। কেউ পাহাড় সমান সম্পদের মালিক হচ্ছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় যাতে গরীব জনগোষ্ঠি তথা কৃষক মজুর মেহনতি মানুষেরও হক আছে, যা ঘটছে তৃতীয় বিশ্বে। তা দেখে দেখে পথিকেরও মন খারাপ হয়ে যায় অথচ পথিক বড় একা কি করবে। নজরুলের সাথে বাসর রাতে তার প্রেমিকা নার্গিসের বিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। দীর্ঘ ১৬ বছর পর নজরুলের কাছে নার্গিসের একটা চিঠি আসে। নজরুল গ্রামফোনে তার বন্ধুবান্ধবদের তার পুরানো প্রেমিকার চিঠি খুলে চোখের পানি ফেলে গানের মাধ্যমে শোনায়। যেমন- “হাত দিয়ে যারে মালা দিতে পারনি, কেন মনে রাখো তারে, ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও।” যা ছিলো নজরুলের মনের অভিমানের কথা। আর মেয়েরা জীবনের শুরুতে প্রেম করলে সারা জীবনেও তাদের প্রেমাষ্পদকে ভুলতে পারেনা। আর পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে যদিও অনেক সময় মনেরই অজান্তে বিয়ের পিঁড়েতে বসতে হয়। আমরা হয়ত অনেকেই জানিনা, লাইলী মজনুর প্রেম, শিরী ফরহাদের প্রেমের মত অনেক প্রেম কাহিনী অনেকের মনের মধ্যে জড়িয়ে আছে। শুধু অন্তর্যামী মহান আল্লাহ জানেন। আর যেখানে স্বাক্ষী হজরত বড় পীর আউলিয়া। সেই গানটি ছিল- গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বল কি হবে? জীবনের উপাখ্যান নিয়ে কেহ গান লেখে কেহ বই লেখে। তবে একটা বই যে প্রকাশ হচ্ছে তার জন্য কোন স্বরলিপি লেখা হয়নি। এটা যে কি হবে বা পাঠকরা কিভাবে নিবে তা ভবিষ্যতই বলে দিবে। তবে মনে হয় বইয়ের মত কিছু একটা হচ্ছে বেচারা পথিক নামে। বই তো কথার মালা। জীবনে মালা গাথা হয়নি, কত ফুল ঝরে গেল। কথার খইও ফুটাতে পারিনি যা পাঠকরা খাবে। কোন জীবন সাথীও পায়নি, চাচা-মামার মত সাহায্যও পায়নি যে তাকে মই উঠতে সাহায্য করবে। যে মই বেচারা পথিক নিজে বানিয়ে বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে বহির্বিশ্বে উঠতে চায় অথচ আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব মানুষই তাকে টেনে নামানোর হীন চেষ্টা করে থাকে যাদের সে উপকার করে। এমূহুর্তে মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং দূর হতে কাছে কোন দেশ যদি তাকে সাহায্য না করতো তাহলে যে তার কি অবস্থা হত একমাত্র আল্লাহই জানেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন- ওগো বিদেশিনি আমি তাকে চিনিগো চিনি, এরূপ কোন বিদেশী বা বিদেশীনি তার শুভাকাঙ্খী থাকতেও পারে। আবার নজরুল ইসলামের -আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন, খুজি তারে আমি আপনায়। আমি শুনি যেন তার চরণ ধ্বনি………………………..কে সে? বা নজরুলের সেই গান- ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি। নজরুল যে গেয়েছিল – ওরে বেভুল ভাঙল না তোর ভুল। ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি ক্ষমিও মোর অপরাধ। যে চলে গেছে বলে কি গো স্মৃতিও তার যায় ভোলা আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়। বিদায় সন্ধ্যা আসিল ঐ । ঐ জলেকে জলেলো কার বাঁশরী বাজে। পাখির ছবির নীচে যাবে- যাও পাখি বল তারে সে যেন ভুলেনা মোরে। সুখে থাক ভাল থাক, আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিও। এখন বাংলাদেশের মানুষের চোখ বন্ধ, অশান্তিতে সবার চেহারা ফ্যাকাসে তখন মানুষ রাতের আধারে আকাশে তারার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায়। যে তারা গুলোর মধ্যে, বৃহস্পতি, রবি, মঙ্গল বা শুকতারা। কাতার টিভি চ্যানেলে সুন্দর একটা অনুষ্ঠান দেখতে পেলাম। রবিউল আউয়াল মাস আসা উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সাঃ) এর জীবনী নিয়ে প্রচারিত অনুষ্ঠানে তারা দেখিয়েছে বিশ্ব শান্তির স্বপক্ষে মহানবী (সাঃ) এর আগমনকে নিয়ে ছোট শিশুরা মরমী ও কাওয়ালী গান এবং কবিতার ছন্দে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টেলেকচুয়াল দ্বারা তা সত্যিই অপূর্ব। বাংলাদেশের শিশুদের মতই মনে হয়েছে, তবে দেশটা কাতার। উর্দূতে তারা করাচীর ইউনিভাসিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি থেকে নবীন ইসলামিক চিন্তাবীদ ও ছাত্ররা গিয়ে ঐ অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত করে। ভারতের জি-বাংলায় হার মিনিস্ট্রিজ জয়েস এর দ্বারা বাইবেল বা ইঞ্জিল শরীফের বাংলা তরজমা ধর্মীয় মহান প্রভুর নামের সাথে তাদের যিশু খ্রীস্ট বা আমাদের হজরত ঈসা (আঃ) সাথে মেরী বা আমাদের মরিয়ম (আঃ) এর নিয়ে অনুষ্ঠান মাঝে মাঝে আমি সকাল বেলা শুনি। সবইতো মানুষের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা, হিংসা বিদ্বেষের বাহিরে থেকে মানবতার কল্যাণের জন্য। ঈসা (আঃ) ও বলে গেছেন। ঈসা (আঃ) ও বিবি মরিয়মের (আঃ) কথা কোরআনে অনেক জায়গায় এসেছে। এমনকি কোরআনের একটি সূরার নামও সূরা মরিয়ম রাখা হয়েছে। আল-জাজিরা টিভিতে ফ্রান্সেও ইসলাম কত সুন্দরভাবে ব্যাপ্তি লাভ করছে তা দেখে আমার ভালো লাগল। যদিও আমাদের দেশে ইসলামকে অন্যভাবে প্রচার করার হীন চেষ্টা করা হয়। লর্ড বায়রন এর মত বিখ্যাত ব্যক্তি অনেক আগেই বলেছিলেন অর্থনীতিতে সম্পদের সুসম বন্টন নিয়ে। কেউ পাহাড় সমান সম্পদের মালিক হচ্ছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় যাতে গরীব জনগোষ্ঠি তথা কৃষক মজুর মেহনতি মানুষেরও হক আছে, যা ঘটছে তৃতীয় বিশ্বে। তা দেখে দেখে পথিকেরও মন খারাপ হয়ে যায় অথচ পথিক বড় একা কি করবে। নজরুলের সাথে বাসর রাতে তার প্রেমিকা নার্গিসের বিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। দীর্ঘ ১৬ বছর পর নজরুলের কাছে নার্গিসের একটা চিঠি আসে। নজরুল গ্রামফোনে তার বন্ধুবান্ধবদের তার পুরানো প্রেমিকার চিঠি খুলে চোখের পানি ফেলে গানের মাধ্যমে শোনায়। যেমন- “হাত দিয়ে যারে মালা দিতে পারনি, কেন মনে রাখো তারে, ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও।” যা ছিলো নজরুলের মনের অভিমানের কথা। আর মেয়েরা জীবনের শুরুতে প্রেম করলে সারা জীবনেও তাদের প্রেমাষ্পদকে ভুলতে পারেনা। আর পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে যদিও অনেক সময় মনেরই অজান্তে বিয়ের পিঁড়েতে বসতে হয়। আমরা হয়ত অনেকেই জানিনা, লাইলী মজনুর প্রেম, শিরী ফরহাদের প্রেমের মত অনেক প্রেম কাহিনী অনেকের মনের মধ্যে জড়িয়ে আছে। শুধু অন্তর্যামী মহান আল্লাহ জানেন। আর যেখানে স্বাক্ষী হজরত বড় পীর আউলিয়া। সেই গানটি ছিল- গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বল কি হবে? জীবনের উপাখ্যান নিয়ে কেহ গান লেখে কেহ বই লেখে। তবে একটা বই যে প্রকাশ হচ্ছে তার জন্য কোন স্বরলিপি লেখা হয়নি। এটা যে কি হবে বা পাঠকরা কিভাবে নিবে তা ভবিষ্যতই বলে দিবে। তবে মনে হয় বইয়ের মত কিছু একটা হচ্ছে বেচারা পথিক নামে। বই তো কথার মালা। জীবনে মালা গাথা হয়নি, কত ফুল ঝরে গেল। কথার খইও ফুটাতে পারিনি যা পাঠকরা খাবে। কোন জীবন সাথীও পায়নি, চাচা-মামার মত সাহায্যও পায়নি যে তাকে মই উঠতে সাহায্য করবে। যে মই বেচারা পথিক নিজে বানিয়ে বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে বহির্বিশ্বে উঠতে চায় অথচ আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব মানুষই তাকে টেনে নামানোর হীন চেষ্টা করে থাকে যাদের সে উপকার করে। এমূহুর্তে মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং দূর হতে কাছে কোন দেশ যদি তাকে সাহায্য না করতো তাহলে যে তার কি অবস্থা হত একমাত্র আল্লাহই জানেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন- ওগো বিদেশিনি আমি তাকে চিনিগো চিনি, এরূপ কোন বিদেশী বা বিদেশীনি তার শুভাকাঙ্খী থাকতেও পারে। আবার নজরুল ইসলামের -আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন, খুজি তারে আমি আপনায়। আমি শুনি যেন তার চরণ ধ্বনি………………………..কে সে? বা নজরুলের সেই গান- ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি। নজরুল যে গেয়েছিল – ওরে বেভুল ভাঙল না তোর ভুল। ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি ক্ষমিও মোর অপরাধ। যে চলে গেছে বলে কি গো স্মৃতিও তার যায় ভোলা আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়। বিদায় সন্ধ্যা আসিল ঐ । ঐ জলেকে জলেলো কার বাঁশরী বাজে। পাখির ছবির নীচে যাবে- যাও পাখি বল তারে সে যেন ভুলেনা মোরে। সুখে থাক ভাল থাক, আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিও। এখন বাংলাদেশের মানুষের চোখ বন্ধ, অশান্তিতে সবার চেহারা ফ্যাকাসে তখন মানুষ রাতের আধারে আকাশে তারার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায়। যে তারা গুলোর মধ্যে, বৃহস্পতি, রবি, মঙ্গল বা শুকতারা।
বাংলাদেশ! যেথায় জ্বলছে রাজনীতির নামে প্রতিহিংসা, জিঘাংসার দাউ দাউ আগুন। অথচ সত্যাগ্রহ ও অহিংস নীতি ছিলো গান্ধীজীর। বাংলাদেশে বর্তমানে যা শুরু হয়েছে রাজনীতি ও নির্বাচনের নামে হিংসা-প্রতিহিংসার নামে এখানে কারা কি করছে তা সবার জানা। ভারতেও রাজনীতিতে কংগ্রেসকে তারা ক্ষমতায় বসাতে পারেনি। কেজরীওয়াল এর আম আদমী পার্টি দিল্লীর মসনদে অধিষ্ঠিত। তিনি বলেছিলেন যে তার নিরাপত্তা স্বয়ং ঈশ্বর দিবেন। ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং বাংলাদেশে এসে ছবক দিয়ে আমেরিকায় গিয়ে দেবযানীর সাথে আমেরিকাকে জ্ঞান দিতে গেলেন। তার পরে ঘটল যত বিপত্তি। আমরা বাংলাদেশে ওপার ভারতীয় গান শুনি। তবে গান (বন্দুক) বা আগ বাড়িয়ে দেওয়া জ্ঞান এদেশের মানুষ সহজভাবে কোনদিনও নেয়নি, এখন তো নেয়ার প্রশ্নই উঠে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মন্তব্য করে যে, ভারত নাকি কাছে আর আমেরিকা নাকি দূরের দেশ। শুধু সংসার করলেও অনেকে সূখী হয় না। আর বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবেশীর কাজ কারবার তো এতদিন ধরে দেখছে। আর দেখতে চায় না। বাংলাদেশের মত ৪২ বছর আগের একটা পূর্ণ সার্বভৌম দেশ কি এখনও পররাষ্ট্র সম্পর্কে ডাব্লিং করবে? বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের স্যাটেলাইট যুগে অন্যের বিছানায় টেনে নিয়ে সোয়ানোর অপচেষ্টা বাংলাদেশ ও এর জনগণ কি মেনে নিবে? এই ডিসেম্বর বিজয়ের মাসে বিটিভি ওয়ার্ল্ডে ছোট সোনামনিদের লোকনৃত্তের পরিবেশনায় গান আমার হৃদয়ে দাগ কেটেছে। কথাগুলো ছিল- “বাঁশী শুনে আর কাজ নাই, সে যে ডাকাতিয়া বাঁশী। তারা দিন দুপুরে করে চুরি, রাতে বাজায় বাঁশী হুশিয়ার সাবধান।” আসলে ছোট শিশুরা এখন অনেক কিছু বুঝতে পারছে। নেপালেও হয়ে গেল শান্তির জন্য কবিতা উৎসব। আমরা যদি এখানে বর্তমান অবস্থায় শান্তির জন্য সব দলের অংশ গ্রহনে আন্তঃধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সম্মেলন জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে করা যেত, তাহলে দেশে শান্তি হতো। কিছু কিছু স্থানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বেশ ফলাও ভাবে প্রচার করা হচ্ছে। তাও আমেরিকা,বৃটেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বা জাতিসংঘ তদন্ত করলে বের করতে পারে। দিল্লী থেকে আমেরিকান দূতাবাস পরিচালিত বানিজ্যিক কার্যক্রম অনুষ্ঠান বন্ধ করতে ভারত সরকার নির্দেশ দিয়েছে। তা বাংলাদেশে স্থানান্তর করা যায়। এতে করে এদেশের মানুষের সাথে আমেরিকার সরকার জনগণের সাথে গভীর সম্পর্ক স্থাপন হবে। এমনিতেই এখানে ইউএসএআইডি ও গাজীপুরে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আমেরিকার পীচ সাপোর্ট অপারেশনের কার্যক্রম চলছে। আমেরিকা বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে সমুদ্র জয় নামে একটা যুদ্ধ জাহাজ উপহার দিয়েছে, প্রয়োজনে আরো দিবে। তা করলে আমেরিকা বাংলাদেশের আম জনতার দোয়া পাবে। সবাই জানে আমেরিকা হলো বিশ্বের ১ নং মানবাধিকার ও ধর্মীয় সংমিশ্রনের ইমিগ্রান্ট কান্ট্রি। আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন। আমিন। ভারতের জি-বাংলায় হার মিনিস্ট্রিজ জয়েস এর দ্বারা বাইবেল বা ইঞ্জিল শরীফের বাংলা তরজমা ধর্মীয় মহান প্রভুর নামের সাথে তাদের যিশু খ্রীস্ট বা আমাদের হজরত ঈসা (আঃ) সাথে মেরী বা আমাদের মরিয়ম (আঃ) এর নিয়ে অনুষ্ঠান মাঝে মাঝে আমি সকাল বেলা শুনি। সবইতো মানুষের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা, হিংসা বিদ্বেষের বাহিরে থেকে মানবতার কল্যাণের জন্য। ঈসা (আঃ) ও বলে গেছেন। ঈসা (আঃ) ও বিবি মরিয়মের (আঃ) কথা কোরআনে অনেক জায়গায় এসেছে। এমনকি কোরআনের একটি সূরার নামও সূরা মরিয়ম রাখা হয়েছে। আল-জাজিরা টিভিতে ফ্রান্সেও ইসলাম কত সুন্দরভাবে ব্যাপ্তি লাভ করছে তা দেখে আমার ভালো লাগল। যদিও আমাদের দেশে ইসলামকে অন্যভাবে প্রচার করার হীন চেষ্টা করা হয়। লর্ড বায়রন এর মত বিখ্যাত ব্যক্তি অনেক আগেই বলেছিলেন অর্থনীতিতে সম্পদের সুসম বন্টন নিয়ে। কেউ পাহাড় সমান সম্পদের মালিক হচ্ছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় যাতে গরীব জনগোষ্ঠি তথা কৃষক মজুর মেহনতি মানুষেরও হক আছে, যা ঘটছে তৃতীয় বিশ্বে। তা দেখে দেখে পথিকেরও মন খারাপ হয়ে যায় অথচ পথিক বড় একা কি করবে। নজরুলের সাথে বাসর রাতে তার প্রেমিকা নার্গিসের বিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। দীর্ঘ ১৬ বছর পর নজরুলের কাছে নার্গিসের একটা চিঠি আসে। নজরুল গ্রামফোনে তার বন্ধুবান্ধবদের তার পুরানো প্রেমিকার চিঠি খুলে চোখের পানি ফেলে গানের মাধ্যমে শোনায়। যেমন- “হাত দিয়ে যারে মালা দিতে পারনি, কেন মনে রাখো তারে, ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও।” যা ছিলো নজরুলের মনের অভিমানের কথা। আর মেয়েরা জীবনের শুরুতে প্রেম করলে সারা জীবনেও তাদের প্রেমাষ্পদকে ভুলতে পারেনা। আর পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে যদিও অনেক সময় মনেরই অজান্তে বিয়ের পিঁড়েতে বসতে হয়। আমরা হয়ত অনেকেই জানিনা, লাইলী মজনুর প্রেম, শিরী ফরহাদের প্রেমের মত অনেক প্রেম কাহিনী অনেকের মনের মধ্যে জড়িয়ে আছে। শুধু অন্তর্যামী মহান আল্লাহ জানেন। আর যেখানে স্বাক্ষী হজরত বড় পীর আউলিয়া। সেই গানটি ছিল- গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বল কি হবে? জীবনের উপাখ্যান নিয়ে কেহ গান লেখে কেহ বই লেখে। তবে একটা বই যে প্রকাশ হচ্ছে তার জন্য কোন স্বরলিপি লেখা হয়নি। এটা যে কি হবে বা পাঠকরা কিভাবে নিবে তা ভবিষ্যতই বলে দিবে। তবে মনে হয় বইয়ের মত কিছু একটা হচ্ছে বেচারা পথিক নামে। বই তো কথার মালা। জীবনে মালা গাথা হয়নি, কত ফুল ঝরে গেল। কথার খইও ফুটাতে পারিনি যা পাঠকরা খাবে। কোন জীবন সাথীও পায়নি, চাচা-মামার মত সাহায্যও পায়নি যে তাকে মই উঠতে সাহায্য করবে। যে মই বেচারা পথিক নিজে বানিয়ে বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে বহির্বিশ্বে উঠতে চায় অথচ আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব মানুষই তাকে টেনে নামানোর হীন চেষ্টা করে থাকে যাদের সে উপকার করে। এমূহুর্তে মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং দূর হতে কাছে কোন দেশ যদি তাকে সাহায্য না করতো তাহলে যে তার কি অবস্থা হত একমাত্র আল্লাহই জানেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন- ওগো বিদেশিনি আমি তাকে চিনিগো চিনি, এরূপ কোন বিদেশী বা বিদেশীনি তার শুভাকাঙ্খী থাকতেও পারে। আবার নজরুল ইসলামের -আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন, খুজি তারে আমি আপনায়। আমি শুনি যেন তার চরণ ধ্বনি………………………..কে সে? বা নজরুলের সেই গান- ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি। নজরুল যে গেয়েছিল – ওরে বেভুল ভাঙল না তোর ভুল। ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি ক্ষমিও মোর অপরাধ। যে চলে গেছে বলে কি গো স্মৃতিও তার যায় ভোলা আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়। বিদায় সন্ধ্যা আসিল ঐ । ঐ জলেকে জলেলো কার বাঁশরী বাজে। পাখির ছবির নীচে যাবে- যাও পাখি বল তারে সে যেন ভুলেনা মোরে। সুখে থাক ভাল থাক, আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিও। এখন বাংলাদেশের মানুষের চোখ বন্ধ, অশান্তিতে সবার চেহারা ফ্যাকাসে তখন মানুষ রাতের আধারে আকাশে তারার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায়। যে তারা গুলোর মধ্যে, বৃহস্পতি, রবি, মঙ্গল বা শুকতারা। কাতার টিভি চ্যানেলে সুন্দর একটা অনুষ্ঠান দেখতে পেলাম। রবিউল আউয়াল মাস আসা উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সাঃ) এর জীবনী নিয়ে প্রচারিত অনুষ্ঠানে তারা দেখিয়েছে বিশ্ব শান্তির স্বপক্ষে মহানবী (সাঃ) এর আগমনকে নিয়ে ছোট শিশুরা মরমী ও কাওয়ালী গান এবং কবিতার ছন্দে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টেলেকচুয়াল দ্বারা তা সত্যিই অপূর্ব। বাংলাদেশের শিশুদের মতই মনে হয়েছে, তবে দেশটা কাতার। উর্দূতে তারা করাচীর ইউনিভাসিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি থেকে নবীন ইসলামিক চিন্তাবীদ ও ছাত্ররা গিয়ে ঐ অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত করে। ভারতের জি-বাংলায় হার মিনিস্ট্রিজ জয়েস এর দ্বারা বাইবেল বা ইঞ্জিল শরীফের বাংলা তরজমা ধর্মীয় মহান প্রভুর নামের সাথে তাদের যিশু খ্রীস্ট বা আমাদের হজরত ঈসা (আঃ) সাথে মেরী বা আমাদের মরিয়ম (আঃ) এর নিয়ে অনুষ্ঠান মাঝে মাঝে আমি সকাল বেলা শুনি। সবইতো মানুষের মধ্যে প্রেম ভালোবাসা, হিংসা বিদ্বেষের বাহিরে থেকে মানবতার কল্যাণের জন্য। ঈসা (আঃ) ও বলে গেছেন। ঈসা (আঃ) ও বিবি মরিয়মের (আঃ) কথা কোরআনে অনেক জায়গায় এসেছে। এমনকি কোরআনের একটি সূরার নামও সূরা মরিয়ম রাখা হয়েছে। আল-জাজিরা টিভিতে ফ্রান্সেও ইসলাম কত সুন্দরভাবে ব্যাপ্তি লাভ করছে তা দেখে আমার ভালো লাগল। যদিও আমাদের দেশে ইসলামকে অন্যভাবে প্রচার করার হীন চেষ্টা করা হয়। লর্ড বায়রন এর মত বিখ্যাত ব্যক্তি অনেক আগেই বলেছিলেন অর্থনীতিতে সম্পদের সুসম বন্টন নিয়ে। কেউ পাহাড় সমান সম্পদের মালিক হচ্ছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় যাতে গরীব জনগোষ্ঠি তথা কৃষক মজুর মেহনতি মানুষেরও হক আছে, যা ঘটছে তৃতীয় বিশ্বে। তা দেখে দেখে পথিকেরও মন খারাপ হয়ে যায় অথচ পথিক বড় একা কি করবে। নজরুলের সাথে বাসর রাতে তার প্রেমিকা নার্গিসের বিয়ে ভেঙ্গে গিয়েছিল। দীর্ঘ ১৬ বছর পর নজরুলের কাছে নার্গিসের একটা চিঠি আসে। নজরুল গ্রামফোনে তার বন্ধুবান্ধবদের তার পুরানো প্রেমিকার চিঠি খুলে চোখের পানি ফেলে গানের মাধ্যমে শোনায়। যেমন- “হাত দিয়ে যারে মালা দিতে পারনি, কেন মনে রাখো তারে, ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও।” যা ছিলো নজরুলের মনের অভিমানের কথা। আর মেয়েরা জীবনের শুরুতে প্রেম করলে সারা জীবনেও তাদের প্রেমাষ্পদকে ভুলতে পারেনা। আর পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে যদিও অনেক সময় মনেরই অজান্তে বিয়ের পিঁড়েতে বসতে হয়। আমরা হয়ত অনেকেই জানিনা, লাইলী মজনুর প্রেম, শিরী ফরহাদের প্রেমের মত অনেক প্রেম কাহিনী অনেকের মনের মধ্যে জড়িয়ে আছে। শুধু অন্তর্যামী মহান আল্লাহ জানেন। আর যেখানে স্বাক্ষী হজরত বড় পীর আউলিয়া। সেই গানটি ছিল- গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বল কি হবে? জীবনের উপাখ্যান নিয়ে কেহ গান লেখে কেহ বই লেখে। তবে একটা বই যে প্রকাশ হচ্ছে তার জন্য কোন স্বরলিপি লেখা হয়নি। এটা যে কি হবে বা পাঠকরা কিভাবে নিবে তা ভবিষ্যতই বলে দিবে। তবে মনে হয় বইয়ের মত কিছু একটা হচ্ছে বেচারা পথিক নামে। বই তো কথার মালা। জীবনে মালা গাথা হয়নি, কত ফুল ঝরে গেল। কথার খইও ফুটাতে পারিনি যা পাঠকরা খাবে। কোন জীবন সাথীও পায়নি, চাচা-মামার মত সাহায্যও পায়নি যে তাকে মই উঠতে সাহায্য করবে। যে মই বেচারা পথিক নিজে বানিয়ে বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে বহির্বিশ্বে উঠতে চায় অথচ আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব মানুষই তাকে টেনে নামানোর হীন চেষ্টা করে থাকে যাদের সে উপকার করে। এমূহুর্তে মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং দূর হতে কাছে কোন দেশ যদি তাকে সাহায্য না করতো তাহলে যে তার কি অবস্থা হত একমাত্র আল্লাহই জানেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন- ওগো বিদেশিনি আমি তাকে চিনিগো চিনি, এরূপ কোন বিদেশী বা বিদেশীনি তার শুভাকাঙ্খী থাকতেও পারে। আবার নজরুল ইসলামের -আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন, খুজি তারে আমি আপনায়। আমি শুনি যেন তার চরণ ধ্বনি………………………..কে সে? বা নজরুলের সেই গান- ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি। নজরুল যে গেয়েছিল – ওরে বেভুল ভাঙল না তোর ভুল। ভুল করে যদি ভালোবেসে থাকি ক্ষমিও মোর অপরাধ। যে চলে গেছে বলে কি গো স্মৃতিও তার যায় ভোলা আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়। বিদায় সন্ধ্যা আসিল ঐ । ঐ জলেকে জলেলো কার বাঁশরী বাজে। পাখির ছবির নীচে যাবে- যাও পাখি বল তারে সে যেন ভুলেনা মোরে। সুখে থাক ভাল থাক, আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিও। এখন বাংলাদেশের মানুষের চোখ বন্ধ, অশান্তিতে সবার চেহারা ফ্যাকাসে তখন মানুষ রাতের আধারে আকাশে তারার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায়। যে তারা গুলোর মধ্যে, বৃহস্পতি, রবি, মঙ্গল বা শুকতারা। ————–এস আহমেদ

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •