কমলগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ ॥ উপস্থিতি নগন্য ॥ ১ জন আটক ॥ স্বতন্ত্র প্রার্থী এগিয়ে

January 5, 2014, এই সংবাদটি ১০৩ বার পঠিত

৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া-কমলগঞ্জ আশিংক) আসনে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল নগন্য থাকলেও চা বাগান এলাকায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল ভাল। এই নির্বাচনে কমলগঞ্জ উপজেলার ২৯টি কেন্দ্রের মোট ৬৯৯১৩ জন ভোটারের মধ্যে ২০৪৯৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বাতিল হয় ৩৫২ টি ভোট। রাত সাড়ে ৬টায় উপজেলা কন্ট্রোল রুমের নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারীভাবে মৌলভীবাজার-২ নির্বাচনী এলাকার কমলগঞ্জ আংশিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আব্দুল মতিন আনারস প্রতীকে ১০৯৬২ ভোট ও মহাজোট মনোনীত জাতীয় পার্টির প্রার্থী মহিবুল কাদির চৌধুরী লাঙ্গল প্রতীকে ৯১৮৪ ভোট পান। তবে ভোটের আগের দিন শনিবার রাতে দুর্বৃত্তরা আলীনগর ইউনিয়নের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত যোগীবিল গ্রামে স্থানীয় ইউপি সদস্য সুকুমার দেবনাথের বাড়িতে হামলা করে এবং একই গ্রামের বাবুল দেবনাথের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা খড়ের ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় এবং মনির মিয়ার বেগুন ক্ষেত তছনছ করে লুটে নেয় সবজী। সকাল থেকে কমলগঞ্জ উপজেলার ভোট কেন্দ্র সমুহ ঘুরে দেখা গেছে, চা বাগান এলাকার ভোট কেন্দ্র সমুহের লাইনে ভোটারদের লাইন দেখা গেলে ও সাধারন বস্তি এলাকায় ভোটারদের লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। ভোটের পূর্ব রাতে চিৎলীয়- কমলগঞ্জ সড়কের মধ্যবর্তী স্থানে দুষ্কৃতিকারীরা রাস্তা কেটে ২ ট্রাক ইট ফেলে রেখে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পরবর্তীতে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জরুরী ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র সেন্টারে শুক্রবার দিবাগত রাতে দুষ্কৃতিকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয়ার পরও শনিবার রাতে হামলার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপরদিকে ষ্ট্রাইকিং ফোর্স কমলগঞ্জ উপজেলার এম এ ওহাব উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদেরকে ভোট প্রদানে বাঁধা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে নইনারপার বাজার এলাকা থেকে উত্তরভাগ গ্রামের জৈইন মিয়ার ছেলে ছাত্রদল কর্মী রুবেল মিয়া (২৩) কে আটক করেছে। ভোট কেন্দ্রের পিজাইডিং অফিসারদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে। দুপুর ১২টায় কালারায়বিল ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ২৬৪টি ভোট, দুপুর ১টা ১৫মিনিটে তেতইগাঁও ভোটকেন্দ্রে ২৮০ ভোট, বেলা ২টায় আলীনগর চা বাগানে গিয়ে দেখা যায় ১৬৮০টি ভোট, বেলা ২.৩০ মিনিটে যোগীবিল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ৮৩৮টি ভোট প্রদত্ত হয়েছে। এদিকে পুলিশ, বিজিবি, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ভ্রাম্যমান আদালতের টহল জোরদার ছিল। উল্লেখ্য যে, মৌলভীবাজার-২ আসনের কমলগঞ্জ অংশের ৪টি ইউনিয়নে ২৯টি ভোট কেন্দ্র ছিল। এর মধ্যে ৭টি কেন্দ্র চা বাগান অধ্যুষিত এলাকা। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৬৯,৯১৩ জন। পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা মোট ৬৯৯১৩। এই ভোটারে অর্ধেক আওয়ালীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা। ভোটের দিন শুধু মাত্র আওয়ামীলীগ কর্মীরা ভোট প্রদান করলেই উপস্থিতির পাশাপাশি ভোটের সংখ্যা বেড়ে যেত। কিন্তু কোন আওয়ামীলীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্রে তেমন যায়নি। তার বাড়িতেই দিন কাটিয়েছেন। কয়েকজন আওয়ামীলীগের কর্মী জানান, বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা যে ভাবে সারা দেশে নাশকতা সৃষ্টি করছিল তাতে করে ভয়ে তারা ভোট কেন্দ্রে যেতে সাহজ পাননি। পূর্ব জালালপুর, আদকানী, শমসেরনগর, ইসলামপুরের কয়েকজন সাধারণ ভোটার চা ষ্টলে বসে আল্পাকালে বলেন, সরকার দলীয় কর্মীরাও ভোট দিতে যাচ্ছে না সেখানে আমরা কিভাবে যাই ? বিরোধী দল ছাড়া কোন সুষ্টু নির্বাচন হবে না। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের নজিরবিহীন অনুপ¯ি’িত সংশ্লিষ্ট কর্মরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা বিব্রতবোধ হয়েছেন। এক কথায় বলা যায় বিরোধী দলের সাথে সরকারী দলও নির্বাচন বজর্ন করেছে?
৫ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া-কমলগঞ্জ আশিংক) আসনে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল নগন্য থাকলেও চা বাগান এলাকায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল ভাল। এই নির্বাচনে কমলগঞ্জ উপজেলার ২৯টি কেন্দ্রের মোট ৬৯৯১৩ জন ভোটারের মধ্যে ২০৪৯৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বাতিল হয় ৩৫২ টি ভোট। রাত সাড়ে ৬টায় উপজেলা কন্ট্রোল রুমের নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী বেসরকারীভাবে মৌলভীবাজার-২ নির্বাচনী এলাকার কমলগঞ্জ আংশিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: আব্দুল মতিন আনারস প্রতীকে ১০৯৬২ ভোট ও মহাজোট মনোনীত জাতীয় পার্টির প্রার্থী মহিবুল কাদির চৌধুরী লাঙ্গল প্রতীকে ৯১৮৪ ভোট পান। তবে ভোটের আগের দিন শনিবার রাতে দুর্বৃত্তরা আলীনগর ইউনিয়নের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত যোগীবিল গ্রামে স্থানীয় ইউপি সদস্য সুকুমার দেবনাথের বাড়িতে হামলা করে এবং একই গ্রামের বাবুল দেবনাথের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা খড়ের ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় এবং মনির মিয়ার বেগুন ক্ষেত তছনছ করে লুটে নেয় সবজী। সকাল থেকে কমলগঞ্জ উপজেলার ভোট কেন্দ্র সমুহ ঘুরে দেখা গেছে, চা বাগান এলাকার ভোট কেন্দ্র সমুহের লাইনে ভোটারদের লাইন দেখা গেলে ও সাধারন বস্তি এলাকায় ভোটারদের লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়নি। ভোটের পূর্ব রাতে চিৎলীয়- কমলগঞ্জ সড়কের মধ্যবর্তী স্থানে দুষ্কৃতিকারীরা রাস্তা কেটে ২ ট্রাক ইট ফেলে রেখে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পরবর্তীতে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জরুরী ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। ছলিমগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র সেন্টারে শুক্রবার দিবাগত রাতে দুষ্কৃতিকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয়ার পরও শনিবার রাতে হামলার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপরদিকে ষ্ট্রাইকিং ফোর্স কমলগঞ্জ উপজেলার এম এ ওহাব উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদেরকে ভোট প্রদানে বাঁধা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে নইনারপার বাজার এলাকা থেকে উত্তরভাগ গ্রামের জৈইন মিয়ার ছেলে ছাত্রদল কর্মী রুবেল মিয়া (২৩) কে আটক করেছে। ভোট কেন্দ্রের পিজাইডিং অফিসারদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, শান্তিপূর্ন পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে। দুপুর ১২টায় কালারায়বিল ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ২৬৪টি ভোট, দুপুর ১টা ১৫মিনিটে তেতইগাঁও ভোটকেন্দ্রে ২৮০ ভোট, বেলা ২টায় আলীনগর চা বাগানে গিয়ে দেখা যায় ১৬৮০টি ভোট, বেলা ২.৩০ মিনিটে যোগীবিল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ৮৩৮টি ভোট প্রদত্ত হয়েছে। এদিকে পুলিশ, বিজিবি, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ভ্রাম্যমান আদালতের টহল জোরদার ছিল। উল্লেখ্য যে, মৌলভীবাজার-২ আসনের কমলগঞ্জ অংশের ৪টি ইউনিয়নে ২৯টি ভোট কেন্দ্র ছিল। এর মধ্যে ৭টি কেন্দ্র চা বাগান অধ্যুষিত এলাকা। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৬৯,৯১৩ জন। পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন, কমলগঞ্জ উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা মোট ৬৯৯১৩। এই ভোটারে অর্ধেক আওয়ালীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা। ভোটের দিন শুধু মাত্র আওয়ামীলীগ কর্মীরা ভোট প্রদান করলেই উপস্থিতির পাশাপাশি ভোটের সংখ্যা বেড়ে যেত। কিন্তু কোন আওয়ামীলীগ সমর্থিত নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্রে তেমন যায়নি। তার বাড়িতেই দিন কাটিয়েছেন। কয়েকজন আওয়ামীলীগের কর্মী জানান, বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা যে ভাবে সারা দেশে নাশকতা সৃষ্টি করছিল তাতে করে ভয়ে তারা ভোট কেন্দ্রে যেতে সাহজ পাননি। পূর্ব জালালপুর, আদকানী, শমসেরনগর, ইসলামপুরের কয়েকজন সাধারণ ভোটার চা ষ্টলে বসে আল্পাকালে বলেন, সরকার দলীয় কর্মীরাও ভোট দিতে যাচ্ছে না সেখানে আমরা কিভাবে যাই ? বিরোধী দল ছাড়া কোন সুষ্টু নির্বাচন হবে না। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের নজিরবিহীন অনুপ¯ি’িত সংশ্লিষ্ট কর্মরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা বিব্রতবোধ হয়েছেন। এক কথায় বলা যায় বিরোধী দলের সাথে সরকারী দলও নির্বাচন বজর্ন করেছে? à¦•à¦®à¦²à¦—ঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •