কমলগঞ্জে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন

January 2, 2014, এই সংবাদটি ১৭৫ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গভীর রাতে বাড়ির পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা। ৩০ ডিসেম্বর সোমবার দিবাগত গভীর রাতে শমশেরনগর ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন নরসিংহপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জনৈক আবু বক্কর মোহরীর বাড়ির পুকুরে বিষ প্রয়োগ করায় নানা জাতের প্রচুর পরিমাণে মাছ মরে ভেসে উঠে পানির উপরে। বাড়ির লোকজন পুকুর থেকে মরা মাছগুলো ডাঙ্গায় তোলে রাখে। এছাড়ার পুকুর পাড় থেকে বিষের (কীট নাশক) তিনটি খালি বোতলও উদ্ধার করা হয়। পুকুরের মালিক আবু বক্কর মোহরী বলেন এ গ্রামের এক ব্যক্তির সাথে তার মামলা চলছে। তার ধারনা ঐ ব্যক্তি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করতে পারে। তবে গ্রামবাসীরা জানান, আসলে দুই পক্ষের চলমান মামলার সুযোগে তৃতীয় পক্ষ পুকুরে বিষয় প্রয়োগ করেছে। এ ঘটনায় পুকুরের মালিক মঙ্গলবার কমলগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন। পুকুরে বিষয় প্রয়োগ করে মাছ নিধনের সত্যতা নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ থানার ওসি নিহার রঞ্জন নাথ বলেন, তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গভীর রাতে বাড়ির পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করেছে দুর্বৃত্তরা। ৩০ ডিসেম্বর সোমবার দিবাগত গভীর রাতে শমশেরনগর ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন নরসিংহপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জনৈক আবু বক্কর মোহরীর বাড়ির পুকুরে বিষ প্রয়োগ করায় নানা জাতের প্রচুর পরিমাণে মাছ মরে ভেসে উঠে পানির উপরে। বাড়ির লোকজন পুকুর থেকে মরা মাছগুলো ডাঙ্গায় তোলে রাখে। এছাড়ার পুকুর পাড় থেকে বিষের (কীট নাশক) তিনটি খালি বোতলও উদ্ধার করা হয়। পুকুরের মালিক আবু বক্কর মোহরী বলেন এ গ্রামের এক ব্যক্তির সাথে তার মামলা চলছে। তার ধারনা ঐ ব্যক্তি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করতে পারে। তবে গ্রামবাসীরা জানান, আসলে দুই পক্ষের চলমান মামলার সুযোগে তৃতীয় পক্ষ পুকুরে বিষয় প্রয়োগ করেছে। এ ঘটনায় পুকুরের মালিক মঙ্গলবার কমলগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন। পুকুরে বিষয় প্রয়োগ করে মাছ নিধনের সত্যতা নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ থানার ওসি নিহার রঞ্জন নাথ বলেন, তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। à¦•à¦®à¦²à¦—ঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •