মানবাধিকার : স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই

January 4, 2014, এই সংবাদটি ১০৪ বার পঠিত

আগুনে পুড়ে কয়লা হয়েছে, সিদ্ধ হয়েছে, রাজপথ লাল হয়েছে তাজা রক্তে, চার দেওয়ালের মাঝে বাঁচার জন্য ছটফট করেছে, কিন্তু বাঁচতে পারে নি, নির্মম মৃত্যু তাদের আলিঙ্গন করেছে। শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতী আর মধ্য বয়সীরাও রেহায় পায় নি অস্বাভাবিক মৃত্যু থেকে। মৃত্যু যেন ধীরে ধীরে আমাদের সকল প্রত্যাশা কেড়ে নিচ্ছে। স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি ধীরে ধীরে ক্ষীণ হচ্ছে। গেল বছরে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এর চেয়েও ভয়াবহ অবস্থায় ছিলো। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হওয়া, পুলিশি অভিযান, গ্রেফতার, পুলিশ কর্তৃক বাড়ি ঘর বুলডেজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া, সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা, শিবির কর্মিদের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ প্রভৃতি ছিলো নিত্য ঘটনা। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসাক) এর সম্প্রতি বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি-২০১৩ প্রতিবেদনে বলা হয়, এক বছরে সারা দেশে ৫৩ জন গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছে। রাজনৈতিক সংঘাতে ৫০৭ জন নিহত, ৭২ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড, সন্ত্রাসীদের হামলায় ৩ সাংবাদিক নিহত ও ২৮০ জন আহত, সীমান্তে ২৬ জনকে হত্যা ও ৮১২ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৩ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক। বছরব্যাপী ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকা রাজনৈতিক সহিংসতা ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন যানবাহনে পেট্রল বোমা ছোড়ার কারণে এবং বোমা বানাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে দেশের সাতটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯৭ জনের মধ্যে ২৫ জন মারা যান। এ বছর বিভিন্ন সময় সহিংসতার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বিভিন্ন পক্ষের রোষানলে পড়ে তিনজন সাংবাদিক মারা গেছেন। দেশে গুম ও গুপ্তহত্যা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের নতুন সংযোজন। ২০১৩ সালে হত্যা, গুম, ক্রসফায়ার নামে আইন-শৃংখলা বাহিনী কর্তৃক বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ৭২ জন। এছাড়া এ বছর ৮১২ জন গণধর্ষণ, সীমান্তে হত্যা ৩৬৫ জন এবং ক্রসফায়ারের নামে গণহত্যাও চালানো হয়। সংবিধান মানুষের স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকার প্রধান করেছে। স্বাধীনভাবে পেশা বেছে নেওয়ার অধিকার দিয়েছে। তেমনি জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচনের অধিকার প্রদান করেছে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। মানুষ অন্ন বস্ত্রের পরে এখন শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। অথচ গেল বছর সেই শিক্ষা গ্রহণ করতে মানুষ পরতে পরতে হোঁচট খেয়েছে। কোমলমতি শিশুরা পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে নিরাপদ বোধ করেনি রাজনৈতিক রোশানলের কারণে। খাবারের সন্ধানে কাজের মানুষগুলো কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার ও আসার পথে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। আগুনে রক্ত-মাংসের দেহ সিদ্ধ হয়ে পড়েছে রাজপথের কালো পিচের উপর। যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাতক্ষীরা, মেহেরপুরে গুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মানুষের বাড়িÑঘর। চিকিৎসা নিতে গ্রাম থেকে শহরে আসতে পারছে না মানুষ। মানবাধিকার যেন ধুকে ধুকে মরছে। আর এ সবকিছু হচ্ছে রাজনৈতিক দুই জোটের ক্ষমতা লিপ্সা আর জেদের কারণে। গেল বছরের শুরু থেকে মানুষের উপর হামলা-মামলা, নির্যাতন করা হলেও দেশের মানবাধিকার সংগঠনের নেতাকর্মীরা নিশ্চুপ ছিলো। মানবাধিকার সংগঠনের অভাব না হলেও তাদের কার্যক্রম চোখে পড়ার মতো ছিলো না। কয়েকটি সংগঠন ছাড়া বাকীগুলোর কোন পাত্তা ছিলো না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় গেল বছর দেশে কোন মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন হয় নি। ১৬ কোটি মানুষ খুব সুখে শান্তিতে ছিলো। জাতীয় মানবধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কয়েকবার কথা বললেও বর্তমানে তার কোন শব্দ নেই। হয়ত তার দৃষ্টিতে দেশে মানুষের অধিকারের পরিপন্থি কিছুই ঘটছে না। দেশের সাধারণ মানুষ মারা গেলে যা হয় রাজনৈতিক কর্মী বা নেতা মারা গেলে একই অবস্থা আরো খারাপ হয়। তারাও কারো না করো স্বামী, পিতা, ভাই-বোন। নিজেদের আখের গোছানোর জন্য মানবধিকার সংগঠন না করে মানুষের সেবায় কাজ করার জন্য, তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করুন। কোন ব্যক্তি অপরাধ করলে তার জন্য আদালত আছে, আছে দেশের প্রচালিত আইন। সেই আইনে বিচার করুন, বিনা বিচারে মারবেন না। ভারত আমাদের প্রতিবেশি রাষ্ট্র। আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। আমাদের দেশের অনেক পণ্য ভারত নির্ভরশীল এ কথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। ভারতে গরু আনতে যাওয়া অপরাধ কিন্তু বিনা বিচারের মৃত্যুর মতো অপরাধ তারা করেনি। এ বিষয়ে সরকারকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। সুরক্ষা দিতে হবে ঘরে ও ঘরের বাহিরে মহিলাদের। তাদের লঞ্চিত হতে দেওয়া যাবে না। তারা আমাদের সমাজের অর্ধাঙ্গ। সাংবাদিকরা আমাদের সমাজের দর্পনের কাজ করে। অথচ তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। বিগত দিনে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেছে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা। কিন্তু একটিরও বিচার হয় নি। সংসদ গোলাম মাওলা রনি রাজনৈতিক বলি হয়ে কিছুটা শস্তি পেয়েছে। কিন্তু বাকীরা অধরায় রয়ে গেছে। সরকার ও রাষ্ট্রের উচিৎ এ সব হত্যাকান্ড ও নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। সাংবাদিকদের যদি বিচার না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ বিচার পাবে কিভাবে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে যেভাবে দুই জোট নেক্কারজনক হামলা হলো তা মিডিয়ার সৌজন্যে দেখেছে সারা বিশ্ব। কিন্তু তাদের কি হয়েছে। সিভিল প্রশাসন পুলিশ বলেছে তারা পাতাকা মিছিল করেছে। এই যদি হয় পতাকা মিছিলের নমুনা তা হলে পতাকা খামছে ধরেছে পুরোনো শকুন। এই শকুনদের নিপাত করতে হবে। নইলে দেশে আইনের শাসন, সুশাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না। গেল বছরে দেশে ৫০৭ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। অথচ রাজনীতি মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য। কিন্তু যাদের হত্যা করা হয়েছে, যারা হত্যা করেছে তারা কি মানুষের মধ্যে পড়ে না? যদি পড়ে তাদের বাদ দিয়ে কিভাবে দেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধি আনা সম্ভব? এ জন্য প্রয়োজন দেশে নিবন্ধিত ৪১টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার, মানুষের জন্য সত্যিকারের কাজ করার মানসিকতা। লেখক : সহকারী পরিচালক (কাব), বাংলাদেশ স্কাউটস, ০১৭৭২৮৭৬৭৪৪
আগুনে পুড়ে কয়লা হয়েছে, সিদ্ধ হয়েছে, রাজপথ লাল হয়েছে তাজা রক্তে, চার দেওয়ালের মাঝে বাঁচার জন্য ছটফট করেছে, কিন্তু বাঁচতে পারে নি, নির্মম মৃত্যু তাদের আলিঙ্গন করেছে। শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতী আর মধ্য বয়সীরাও রেহায় পায় নি অস্বাভাবিক মৃত্যু থেকে। মৃত্যু যেন ধীরে ধীরে আমাদের সকল প্রত্যাশা কেড়ে নিচ্ছে। স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি ধীরে ধীরে ক্ষীণ হচ্ছে। গেল বছরে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এর চেয়েও ভয়াবহ অবস্থায় ছিলো। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হওয়া, পুলিশি অভিযান, গ্রেফতার, পুলিশ কর্তৃক বাড়ি ঘর বুলডেজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া, সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা, শিবির কর্মিদের উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ প্রভৃতি ছিলো নিত্য ঘটনা। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসাক) এর সম্প্রতি বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি-২০১৩ প্রতিবেদনে বলা হয়, এক বছরে সারা দেশে ৫৩ জন গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছে। রাজনৈতিক সংঘাতে ৫০৭ জন নিহত, ৭২ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড, সন্ত্রাসীদের হামলায় ৩ সাংবাদিক নিহত ও ২৮০ জন আহত, সীমান্তে ২৬ জনকে হত্যা ও ৮১২ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৩ সালের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক। বছরব্যাপী ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকা রাজনৈতিক সহিংসতা ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন যানবাহনে পেট্রল বোমা ছোড়ার কারণে এবং বোমা বানাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে দেশের সাতটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯৭ জনের মধ্যে ২৫ জন মারা যান। এ বছর বিভিন্ন সময় সহিংসতার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বিভিন্ন পক্ষের রোষানলে পড়ে তিনজন সাংবাদিক মারা গেছেন। দেশে গুম ও গুপ্তহত্যা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের নতুন সংযোজন। ২০১৩ সালে হত্যা, গুম, ক্রসফায়ার নামে আইন-শৃংখলা বাহিনী কর্তৃক বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ৭২ জন। এছাড়া এ বছর ৮১২ জন গণধর্ষণ, সীমান্তে হত্যা ৩৬৫ জন এবং ক্রসফায়ারের নামে গণহত্যাও চালানো হয়। সংবিধান মানুষের স্বাধীনভাবে চলাচলের অধিকার প্রধান করেছে। স্বাধীনভাবে পেশা বেছে নেওয়ার অধিকার দিয়েছে। তেমনি জনগণের অংশগ্রহণে নির্বাচনের অধিকার প্রদান করেছে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। মানুষ অন্ন বস্ত্রের পরে এখন শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। অথচ গেল বছর সেই শিক্ষা গ্রহণ করতে মানুষ পরতে পরতে হোঁচট খেয়েছে। কোমলমতি শিশুরা পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে নিরাপদ বোধ করেনি রাজনৈতিক রোশানলের কারণে। খাবারের সন্ধানে কাজের মানুষগুলো কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার ও আসার পথে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। আগুনে রক্ত-মাংসের দেহ সিদ্ধ হয়ে পড়েছে রাজপথের কালো পিচের উপর। যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাতক্ষীরা, মেহেরপুরে গুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মানুষের বাড়িÑঘর। চিকিৎসা নিতে গ্রাম থেকে শহরে আসতে পারছে না মানুষ। মানবাধিকার যেন ধুকে ধুকে মরছে। আর এ সবকিছু হচ্ছে রাজনৈতিক দুই জোটের ক্ষমতা লিপ্সা আর জেদের কারণে। গেল বছরের শুরু থেকে মানুষের উপর হামলা-মামলা, নির্যাতন করা হলেও দেশের মানবাধিকার সংগঠনের নেতাকর্মীরা নিশ্চুপ ছিলো। মানবাধিকার সংগঠনের অভাব না হলেও তাদের কার্যক্রম চোখে পড়ার মতো ছিলো না। কয়েকটি সংগঠন ছাড়া বাকীগুলোর কোন পাত্তা ছিলো না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় গেল বছর দেশে কোন মানুষের অধিকার ক্ষুন্ন হয় নি। ১৬ কোটি মানুষ খুব সুখে শান্তিতে ছিলো। জাতীয় মানবধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কয়েকবার কথা বললেও বর্তমানে তার কোন শব্দ নেই। হয়ত তার দৃষ্টিতে দেশে মানুষের অধিকারের পরিপন্থি কিছুই ঘটছে না। দেশের সাধারণ মানুষ মারা গেলে যা হয় রাজনৈতিক কর্মী বা নেতা মারা গেলে একই অবস্থা আরো খারাপ হয়। তারাও কারো না করো স্বামী, পিতা, ভাই-বোন। নিজেদের আখের গোছানোর জন্য মানবধিকার সংগঠন না করে মানুষের সেবায় কাজ করার জন্য, তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করুন। কোন ব্যক্তি অপরাধ করলে তার জন্য আদালত আছে, আছে দেশের প্রচালিত আইন। সেই আইনে বিচার করুন, বিনা বিচারে মারবেন না। ভারত আমাদের প্রতিবেশি রাষ্ট্র। আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। আমাদের দেশের অনেক পণ্য ভারত নির্ভরশীল এ কথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। ভারতে গরু আনতে যাওয়া অপরাধ কিন্তু বিনা বিচারের মৃত্যুর মতো অপরাধ তারা করেনি। এ বিষয়ে সরকারকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে। সুরক্ষা দিতে হবে ঘরে ও ঘরের বাহিরে মহিলাদের। তাদের লঞ্চিত হতে দেওয়া যাবে না। তারা আমাদের সমাজের অর্ধাঙ্গ। সাংবাদিকরা আমাদের সমাজের দর্পনের কাজ করে। অথচ তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। বিগত দিনে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেছে সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরা। কিন্তু একটিরও বিচার হয় নি। সংসদ গোলাম মাওলা রনি রাজনৈতিক বলি হয়ে কিছুটা শস্তি পেয়েছে। কিন্তু বাকীরা অধরায় রয়ে গেছে। সরকার ও রাষ্ট্রের উচিৎ এ সব হত্যাকান্ড ও নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। সাংবাদিকদের যদি বিচার না হয় তাহলে সাধারণ মানুষ বিচার পাবে কিভাবে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতে যেভাবে দুই জোট নেক্কারজনক হামলা হলো তা মিডিয়ার সৌজন্যে দেখেছে সারা বিশ্ব। কিন্তু তাদের কি হয়েছে। সিভিল প্রশাসন পুলিশ বলেছে তারা পাতাকা মিছিল করেছে। এই যদি হয় পতাকা মিছিলের নমুনা তা হলে পতাকা খামছে ধরেছে পুরোনো শকুন। এই শকুনদের নিপাত করতে হবে। নইলে দেশে আইনের শাসন, সুশাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না। গেল বছরে দেশে ৫০৭ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। অথচ রাজনীতি মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য। কিন্তু যাদের হত্যা করা হয়েছে, যারা হত্যা করেছে তারা কি মানুষের মধ্যে পড়ে না? যদি পড়ে তাদের বাদ দিয়ে কিভাবে দেশকে শান্তি ও সমৃদ্ধি আনা সম্ভব? এ জন্য প্রয়োজন দেশে নিবন্ধিত ৪১টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার, মানুষের জন্য সত্যিকারের কাজ করার মানসিকতা। লেখক : সহকারী পরিচালক (কাব), বাংলাদেশ স্কাউটস, ০১৭৭২৮৭৬৭৪৪ à¦¨à¦¾à¦œà¦®à§à¦² হক

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •