বড়লেখায় কলেজছাত্রী অপহরণ এসআই’র বিরুদ্ধে ধর্মান্তরিতে সহযোগিতার অভিযোগ

September 25, 2018, এই সংবাদটি ৫২৫ বার পঠিত

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখায় কলেজছাত্রী কাকলী রানী দাস (১৭) অপহরণের ২৫ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করতে পারেনি। অভিযোগ উঠেছে পুলিশের উপ-পরিদর্শক শরীফ উদ্দিন অপহরণকারী ফাইম আহমদের সাথে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছাত্রীকে ধর্মান্তরিত ও বিয়ে দেয়ার কাজে সহযোগিতা করেছেন। ঘটনার ২৩ দিন পর বিভিন্ন মহলের চাপে পুলিশ অপহরকের মা ও ছোটবোনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

অপহৃত কলজেছাত্রীর বাবা মিকন দাস জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর তার মেয়ে কাকলী রানী দাস বাড়ি থেকে কলেজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে নিখোজ হয়। বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের ব্রাম্মনের চক গ্রামের নুনু মিয়ার ছেলে ফাইম আহমদ তার মেয়েকে অপহরণ করেছে। মেয়ে উদ্ধারের কাকুতি জানিয়ে তিনি থানায় জিডি (জিডি নং-৬৪/১৮) করেন। জিডি তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই শরীফ উদ্দিন। মিকন দাস অভিযোগ করেন এ খবরটি দারোগা শরীফ উদ্দিনকে জানালে তিনি ফাহিমের বাড়িতে কয়েকবার লোক দেখানো অভিযান চালান। বাড়িতে গিয়ে অপহরণকারীসহ মেয়েকে পেয়েও তিনি গ্রেফতার ও উদ্ধার করেননি। আমার মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ন না হওয়া স্বত্ত্বেও জোরপুর্বক এফিডেভিটের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত ও বিয়ে দেয়ার কাজে তিনি সহযোগিতা করেন। আমার নাবালিকা মেয়ে ও অপহরণকারীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেয়ার পর বিভিন্ন মহলের চাপে ঘটনার ২৩ দিন পর দারোগা শরীফ উদ্দিন অপহরকের মা ও ছোটবোনকে আটক করে ছেড়ে দেন।

কলেজছাত্রীকে ধর্মান্তরিত ও অপহরকের সাথে বিয়ে দেয়ার কাজে সহযোগিতার অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই শরীফ উদ্দিন জানান, তিনি ভিকটিমকে উদ্ধারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও সন্ধান পাননি। অপহৃত কাকলী রানী দাসকে উদ্ধার ও অপহরক ফাইমের সন্ধান জানতে রোববার বিকেলে তার মা লাইলী বেগম ও ছোটবোন মাছুমা ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •