
প্রণীত রঞ্জন দেবনাথ॥ কমলগঞ্জে প্রচন্ড গরমে জনজীবন বিপর্যন্ত হয়ে পেড়েছে সাধারণ মানুষের। বেলা বাড়তেই হাটবাজারে কমে যাচ্ছে লোকের সংখ্যা। গত চার/পাঁচ দিন ধরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা থাকায় খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত স্বাভাবিকের তুলনায় বেশী গরম অনুভুত হচ্ছে। যে কারনে প্রয়োজন ছাড়া মানুষ দিনে বাসা-বাড়ী থেকে বের হচ্ছেন না। খরতাপের মাত্রা বাড়ায় খেটে খাওয়া মানুষ বাইরে কাজ করতে পারছেন না। অত্যধিক গরমে রিক্সা চালক, ভ্যান চালক, দিমমজুররা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা যায়, শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এ অঞ্চলের সবোর্চ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রাও বেড়ে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। শুক্রবার সর্বোচ্চ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
অতিরিক্ত গরমে উপজেলায় জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বাড়ছে পানিবাহিত রোগ। ডায়রিয়ার পাশাপাশি জ্বর, সর্দিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন শিশুরা। অতিরিক্ত গরমে আমন ধানে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ ও পোকার আক্রমণ দেখা দিচ্ছে। শ্রীমঙ্গল আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, মৌলভীবাজারে মাঝারি তাপদাহ বিরাজ করছে। শুক্রবার ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজ তা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। আরও কয়েকদিন অতিরিক্ত তাপদাহ থাকতে পারে। কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মাহবুবুল আলম ভূইয়া বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তন হচ্ছে এ জন্য
অতিরিক্ত গরম পড়ায় শিশুসহ বয়স্করা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন । এতে আতঙ্কিত না হয়ে সময়মত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.