
স্টাফ রিপোর্টার॥ ৯ম বারের মতো এনআরবি সিআইপি সম্মাননা পেলেন মৌলভীবাজারের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, এম আর গ্রুপের চেয়ারম্যান,সমাজসেবক ও শিল্পপতি আলহাজ এম এ রহিম। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ এম এ রহিম (সিআইপি) সহ ৫৭ জন।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা ৫৭ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে সিআইপি (বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) নির্বাচিত করেছে সরকার। শনিবার, ১৮ ডিসেম্ভর সকালে আর্ন্তজাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের জন্য তিনটি আলাদা ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত এনআরবি-সিআইপিদের ক্রেষ্ট ও সনদ দিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়। জানা যায় এবছর বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনাবাসী বাংলাদেশি ক্যাটাগরিতে ৪৭ জন, বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক অনাবাসী বাংলাদেশি ক্যাটাগরিতে ৯ জন এবং বাংলাদেশে শিল্পক্ষেত্রে সরাসরি বিনিয়োগকারী ক্যাটাগরিতে ১ জন প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। তিন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত সিআইপিদের মধ্যে ৩৭ জন মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী। এর মধ্যে ২৬ জনই সংযুক্ত আরব আমিরাতে। তাঁদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এর পরই রয়েছে ওমান। দেশটি থেকে সিআইপি হয়েছেন নয়জন। বাকিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, যুক্তরাজ্য, জাপান, ইতালি, রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের দুইজন করে এবং কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও কম্বোডিয়ার একজন করে প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। জানা যায় নির্বাচিত সিআইপিরা ২ বছর পর্যন্ত (প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে) বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। সিআইপি কার্ডের মেয়াদকালীন বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশপত্র পাবেন ও সরকার নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট বিষয়ক নীতি-নির্ধারণী কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। দেশ ও বিদেশে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অগ্রাধিকার পাবেন। বিজয় দিবস, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, একুশে ফেব্রুয়ারি, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ইত্যাদি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস উপলক্ষে বিদেশের বাংলাদেশ মিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হবেন সিআইপিরা। সিআইপি কার্ডধারীরা ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও জলযানে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ‘চামেলী’ ব্যবহার এবং স্পেশাল হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধা পাবেন। সিআইপি ব্যক্তিদের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। বাংলাদেশে উপস্থিত থাকলে বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে এবং সিটি করপোরেশনের আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন সিআইপিরা। এছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং তাদের বিনিয়োগ ‘ফরেন প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট (প্রমোশন অ্যান্ড প্রটেকশন) আইন-১৯৮০’ এর বিধান অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.