
স্টাফ রিপোর্টার॥ স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সিলেট বিভাগে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ)-এর আওতাধীন রাস্তাসমূহ মেরামত ও পুনর্বাসনে ৬৩৫ কোটি ৬ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার ৩১টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
১৪ সেপ্টেম্বর বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্যাহ নূরীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সিলেট বিভাগের ৩১টি রাস্তা মেরামতের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, সিলেট জোন, সিলেট এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জনাব মোঃ ফজলে রব্বে সাপ্তাহিক পাতাকুড়ির দেশকে এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে পিএমপি (সড়ক-মেজর) কর্মসূচিতে এসব সড়ক সংস্কার ও পুনর্বাসনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভের পর আগামী এক মাসের মধ্যে এসব রাস্তা সংস্কার/মেরামতের টেন্ডার আহ্বান করা হবে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সচিব এবিএম আমিন উল্যাহ নূরী ও সওজের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠানের সার্বিক তত্বাবধান ও সহযোগিতায় রাস্তাগুলো সংস্কারের অনুমোদন মিলেছে। এজন্য তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এসব রাস্তা আগের চেয়ে সুন্দর চেহারায় ফিরবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রকল্পগুলো হলো :
১। শেওলা-সুতারকান্দি সড়ক (জেড ২০১৪), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৪.১৫৭ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৮ কোটি ৯৪ লক্ষ ৩ হাজার টাকা মাত্র।
২। গোবিন্দগঞ্জ-ছাতক-দুয়ারা বাজার সড়ক (জেড-২৮০২), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ২৮ কোটি ৭৬ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা মাত্র।
৩। রাজনগর কুলাউড়া জুড়ি বড়লেখা বিয়ানীবাজার শেওলা চারখাই সড়ক (আর ২৮১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ২.৭০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৩৫ কোটি ১১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা মাত্র।
৪। বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড্যান্ট মানিক চৌধুরী সড়ক সড়ক (আর-২২১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১৪.৪৪২ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৩৪ কোটি ৩৩ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা মাত্র।
৫। শায়েস্তাগঞ্জ হবিগঞ্জ নবীগঞ্জ শেরপুর (আউশকান্দি) সড়ক (আর-২৪০), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৪.১৯৬ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৯ কোটি ১৬ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকা মাত্র।
৬। ঢাকা (কাচপুর) ভৈরব জগদীশপুর শায়েস্তাগঞ্জ সিলেট তামাবিল জাফলং সড়ক সড়ক (এন-২), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১৩.১৪৭ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ২৩ কোটি ৭ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা মাত্র।
৭। ঢাকা (কাচপুর) ভৈরব জগদীশপুর শায়েস্তাগঞ্জ সিলেট তামাবিল জাফলং সড়ক সড়ক (এন-২), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ২.০০৯ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৩ কোটি ৫১ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা মাত্র।
৮। সিলেট সুনামগঞ্জ সড়ক (আর-২৮০), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার,এস্টিমেটেড কস্ট ২৩ কোটি ১৫ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা মাত্র।
৯। সিলেট সুনামগঞ্জ সড়ক (আর-২৮০), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১৩.৩৬ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৩৭ কোটি ৩৩ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা মাত্র।
১০। রাজনগর কুলাউড়া জুড়ি বড়লেখা বিয়ানীবাজার শেওলা চারখাই সড়ক (আর ২৮১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ২৩.২০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ২৫ কোটি ৭৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মাত্র।
১১। হবিগঞ্জ বানিয়াচং আজমিরিগঞ্জ শাল্লা সড়ক (জেড-২৪০৩), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১৮ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ২৫ কোটি ৬২ লক্ষ ৬ হাজার টাকা মাত্র।
১২। ঢাকা (কাচপুর) ভৈরব জগদীশপুর শায়েস্তাগঞ্জ সিলেট তামাবিল জাফলং সড়ক সড়ক (এন-২), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ০.৬৫০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৩ কোটি ৬৫ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা মাত্র।
১৩। সিলেট গোলাপগঞ্জ চারখাই জকিগঞ্জ সড়ক (আর ২৫০), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৮৭.৮৩ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ২৬ কোটি ৪৩ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা মাত্র।
১৪। সিলেট সুনামগঞ্জ সড়ক (আর-২৮০), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ২.১ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৯ কোটি ৮৭ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা মাত্র।
১৫ । মদনপুর দিরাই শাল্লা সড়ক (জেড-২৮০৭), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ২৬ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৩৫ কোটি ২৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা মাত্র।
১৬। জামালগঞ্জ সুনামগঞ্জ সড়ক (আর-৩৭০), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ২.৫ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৯ কোটি ৪৭ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা মাত্র।
১৭। সুনামগঞ্জ দোয়ারাবাজার সড়ক (আর-২৮১১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৫.২১৮ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৫ কোটি ৮৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মাত্র।
১৮। বানিয়াচং নবীগঞ্জ সড়ক (জেড-২৪০৫), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১৮ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ২২ কোটি ১০ লক্ষ ৫ হাজার টাকা মাত্র।
১৯। কুলাউড়া ব্রাহ্মণবাজার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সংযোগ সড়ক(জেড ২৮২১), জুড়ী - ক্লিভডন - কুলাউড়া সড়ক (জেড ২৮২৪), কুলাউড়া গাজীপুর জুড়ী সাগরনাল উপজেলা সংযোগ সড়ক (জেড ২৮২৫), সড়কগুলোর কাজের দৈর্ঘ্য ৪৭.৩৮০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৩৯ কোটি ৯২ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা মাত্র।
২০। দরবস্ত কানাইঘাট শাহবাগ সড়ক (জেড-২০১১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১১.০৯৫ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৪৩ কোটি ১১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা মাত্র।
২১। রাজনগর কুলাউড়া জুড়ি বড়লেখা বিয়ানীবাজার শেওলা চারখাই সড়ক (আর ২৮১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১২.৪১৮ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৬ কোটি ১০ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মাত্র।
২২। সুনামগঞ্জ কাচিরগাতি বিশম্বরপুর সড়ক (জেড-২৮০৪), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ২.২৫ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৭ কোটি ২২ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মাত্র।
২৩। পাগলা জগন্নাথপুর রানীগঞ্জ আউশকান্দি সড়ক (আর-২৪১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১.৭৪০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৩ কোটি ২৯ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা মাত্র।
২৪। সারী গোয়াইনঘাট সড়ক (জেড-২০১২), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৮.২৫০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা মাত্র।
২৫। রশিদপুর বিশ্বনাথ রামপাশা লামাকাজী সড়ক (জেড-২০১৬), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১৩.১৬ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৮ কোটি ৮৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মাত্র।
২৬। নিয়ামতপুর তাহিরপুর সড়ক (জেড-২৮০৬), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৩৯ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা মাত্র।
২৭। কোম্পানীগঞ্জ ছাতক সড়ক (জেড-২৮১০), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৭.৯ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১০ কোটি ১০ লক্ষ ৯১ হাজার টাকা মাত্র।
২৮। ভাদেশ্বর মীরগঞ্জ মানিকোনা ফেঞ্চুগঞ্জ সড়ক (জেড-২৮৩১), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৬.১৭০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা মাত্র।
২৯। দাউদাবাদ দাউদপুর ভাদেশ্বর (ঢাকাদক্ষিণ) সড়ক (জেড-২৮৩২), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ৪.৭২১ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ৪ কোটি ৮ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মাত্র।
৩০। জুড়ি লাঠিটিলা সড়ক (আর ২৮২), বড়লেখা শাহবাজপুর লাতু সড়ক (জেড ২৮১৫), শাহবাজপুর দৌলতপুর সড়ক (জেড ২৮১৬), সড়কগুলোর কাজের দৈর্ঘ্য ২৭.৯০০ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা মাত্র।
৩১। চুনারুঘাট আসামপাড়া গাজিপুর ইউপি বাল্লা বিজিবি ক্যাম্প রোড (জেড-২০০৭), সড়কটির কাজের দৈর্ঘ্য ১৬.৬০২ কিলোমিটার, এস্টিমেটেড কস্ট ১৫ কোটি ২৭ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা মাত্র।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, সিলেট জোন, সিলেটের এ সকল রাস্তার কাজ সম্পাদন করা হলে এ অঞ্চলে সুন্দর এবং নিরাপদ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার নব সূচনা উন্মোচিত হবে।
এই ৩১ টি প্রকল্পে সর্বমোট ৩৫৭.২৫ কিলোমিটার সড়ক পুনর্বাসন ও পুনঃ নির্মাণ কাজ সম্পাদনে ৬৩৫ কোটি ৬ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট সিলেট সড়ক জোনের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-সমূহের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে সওজের প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে প্রেরণ করা হয়। সওজ সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ফজলে রব্বে স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়, গত জুনের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সওজ সিলেটের বেশিরভাগ সড়কই বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়। সড়কের উপর ২ ফুট হতে ৫ ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় বন্যার পানি প্রবাহিত হয়। বন্যার পানি সড়কের উপর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হওয়ার ফলে বিভিন্ন সড়কের কয়েকটি স্থানে ওয়াশ আউট হয়ে গেছে, পেভমেন্টের ধার ভেঙ্গে গেছে, সড়ক সারফেস নষ্ট হয়েছে এবং সড়কের শোল্ডারের মাটি ক্ষয়প্রাপ্ত/ধসে গেছে। এছাড়া, বিভিন্ন সেতু ও কালভার্র্টের অ্যাপ্রোচও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা ধসে গেছে। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কসমূহ এবং সেতু ও কালভার্টের এপ্রোচসমূহ জরুরী ভিত্তিতে বিভাগীয়ভাবে মেরামতের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে।
কিন্তু, সড়ক সারফেস ও শোল্ডার ক্ষতিগ্রস্ত থাকায় অদ্যাবধি সড়কসমূহে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যানবাহন চলাচল করছে।
বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় পিএমপি (মাইনর) এর মাধ্যমে মেরামত করে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সমূহ যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব নয়।
তাই বন্যায় অধিক ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সড়কাংশসমূহ ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে পিএমপি (সড়ক-মেজর) কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে জরুরি মেরামত ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলীরা অধিকতর যাচাই বাছাই করে প্রাক্কলন প্রস্তুত করেন। সওজের প্রধান প্রকৌশলীর মাধ্যমে এ প্রাক্কলন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগে প্রেরণের করা হয়। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয় ৬৩৫ কোটি ৬ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। এ প্রকল্পই গতকালের সভায় অনুমোদিত হয়েছে।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে সওজ-এর প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ জাকির হোসেন, সওজ-এর পরিকল্পনা, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ উইং এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল হাসান, সিলেট জোন, সিলেট এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ ফজলে রব্বে, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শওকত আলী, খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ আসলাম আলী,বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী একেএম আজাদ রহমান, ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট উইং এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শিশির কান্তি রাউত, টেকনিক্যাল সার্ভিসেস উইং এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বন্যা পুনর্বাসন ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের হিসেব মতে, সিলেটে গত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন দফা বন্যা দেখা দেয়। প্রথম দফা বন্যায় সুনামগঞ্জের বোরো ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়। মে মাসে দ্বিতীয় এবং ১৫ জুন থেকে তৃতীয় দফা বন্যা দেখা দেয়। দুর্যোগ, ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিগত ১২২ বছরের ইতিহাসে সিলেটে এমন বন্যা হয়নি। বন্যায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের ৯০ ভাগ এলাকা ছিল বন্যায় প্লাবিত। রাস্তাঘাট থেকে নিয়ে কৃষি, পর্যটন, মৎস্যসহ সকল খাতে অপূরণীয় ক্ষতি করে যায় বন্যা। এ বিভাগে বন্যায় প্রায় ৭৪ জন লোকের মৃত্যু হয়।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.