
রাজনগর প্রতিনিধি॥ রাজনগরের মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী মাহমুদা বেগমের বিয়ে ঠিক হয়েছিল একই গ্রামের লিয়াকত মিয়ার সঙ্গে। পুরো দমেই চলছিল বিয়ের আয়োজন। কিন্তু অসময়ে বিয়ে মেনে নিতে পারছিলনা তার সহপাঠীরা। ভাবনা চিন্তা করে সবাই সিদ্ধান্ত নিল বিয়ে ভেঙ্গে দেয়ার। বিদ্যালয় ছুটি শেষে
৩১ অক্টোবর সোমবার বিকালে মাহমুদার সহপাঠীরা রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামের কার্যালয়ে যায় এ ব্যাপারে সহায়তার জন্য। ইউএনওর কাছে বিষয়টি খুলে বলে তারা। মাহমুদার অমতে বিয়ের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে বলে তারা ইউএনওকে জানায়। এতেই মাহমুদার বিয়েতে বাঁধ সাধে উপজেলা প্রশাসন। তখনই বিয়ে বাড়িতে গিয়ে আটকে দেয়া হয় অপরিণত বয়সে মাহমুদার বিয়ে। বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুছলেকা আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান খয়রুল মজিদ সালেক এবং ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক ও বর্তমান দুই ইউপি সদস্যকে নিয়ে বাল্য বিয়ে আটকাতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘মাহমুদার সহপাঠিরা দায়িত্ববোধ থেকেই এমনটা করেছে। ওরা আমার কাছে বিষয়টি খুলে বলায় আমি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পেরেছি।’ তিনি আরো বলেন, মাহমুদার বন্ধুদের মতো স্কুলের মেয়েরা যদি সচেতন হয়, তাদের আশেপাশের বাল্য বিয়ের খবর বিদ্যালয়ের শিক্ষক বা প্রশাসনের নজরে আনে, তাহলে বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়ে যাবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.