
প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ মৌলভীবাজার-শমশেরনগর ও চাতলাপুর চেকপোস্ট সড়কের ১০ কিলোমিটারে অবস্থিত কমলগঞ্জ উপজেলার চৈত্রঘাট এলাকায় ধলাই নদীর উপর ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটির মধ্যবর্তী পিলার আকস্মিকভাবে দেবে যাওয়ায় সড়কে সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ।
মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সওজ মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জিয়া উদ্দিন স্বাক্ষরিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিকল্প সড়ক হিসেবে মুন্সীজাবাজার-মৃর্ত্তিঙ্গা চা বাগান-ভৈরববাজার সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। যান চলাচল নিষিদ্ধ সংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
চৈত্রঘাট এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ধলাই সেতুর মধ্যবর্তী পিলার দেবে যাওয়ার ঘটনায় প্রতিনিয়ত ড্রেজার মেশিন দিয়ে সেতুর কাছ থেকে নদীর বালু উত্তোলন করাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা।
এ সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও রাজনগর উপজেলার বাসিন্দাসহ কয়েক হাজার মানুষ। কমলগঞ্জ থেকে জেলা সদর মৌলভীবাজার যাতায়াতের এটিই সরাসরি সড়ক।
সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হওয়ায় অফিসগামী লোকজন, শিক্ষার্থী, আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বিকল্প পথে বেশ কয়েক কিলোমিটার ঘুরে কালেঙ্গা হয়ে মৌলভীবাজার যেতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত সময় ও ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে মৌলভীবাজার-শমশেরনগর-চাতলাপুর চেকপোস্ট সড়কের চৈত্রঘাট এলাকায় ধলাই সেতু এলাকায় প্রতিরক্ষা বাঁধ দেবে সঙ্গে সঙ্গে পাকা আরসিসি খুঁটি দেবে যায়।
এরপর সওজ পরপর দুইবার এ পথে যানবাহন বন্ধ রেখে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় একটি বেইলি সেতু স্থাপন করা হয়েছিল।
অতিরিক্ত যানবাহন চলাচলে ও সেতুর খুব কাছ থেকে বালু উত্তোলন করায় এখন আবার সেতুর খুঁটি দেবে গেছে।
সওজ মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, সেতুটি অনেক পুরাতন। এর আগে হঠাৎ করে মাটি ধসে যাওয়ার কারণে সেতুর অ্যাপ্রোচ মেরামত করা হয়। গত মঙ্গলবার হঠাৎ সেতুটির মধ্যবর্তী পিলার আকস্মিকভাবে দেবে যায়।
তাই জরুরি ভিত্তিতে এ সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে সংস্কার কাজের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাই আপাতত সকল প্রকার যানবাহনকে বিকল্প পথে চলাচল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.