
স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার জেলার উপর দিয়ে টানা কয়েক দিনের শৈত প্রবাহে মানুষ জবুথবু হয়ে পড়েছে। জেলা জুড়ে বইছে হিমেল হাওয়া। প্রতিদিন বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়। আজ সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল ছিল তাপমাত্র ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ৩দিন থেকে তাপমাত্রা ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বিরাজ করছে। রাতে কোয়াশা থাকলেও দিনের বেলায় কোয়াশা কমেগেছে।
এদিকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলেও খোলা রয়েছে প্রাথমিকসহ সকল ধরনের স্কুল। সোমবার ২৯ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও শনিবার ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হাড়কাঁপানো শীতে সকাল থেকে স্কুলে বাচ্চাদের উপস্থিতি ছিলো লক্ষ্যনীয়। কোন কোন স্কুলে সকাল ৮টা থেকে ক্লাস চলেছে। এনিয়ে শিক্ষাথী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছি। শিক্ষকরা বলছেন, তারা জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে কোন ধরনের নির্দেশনা না পাওয়ায় স্কুল খোলা রেখেছেন। তবে এতে করে তীব্র শীতের কারনে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও ঠান্ডার কারনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
কয়েকদিনের শৈত প্রবাহে কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দিন রাত সমান তালে বইচে কনকনে হিমেল হাওয়া। ঘর থেকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বেড় হচ্ছেন না। শীতে সবচেয়ে বেশী ছিন্নমূল ও দিনমজুররা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই কাজের সন্ধানে গিয়ে কাজ পাচ্ছেননা। এ ছাড়াও হাওর পাড়ের মানুষ, বোরো চাষী ও চা বাগানের শ্রমিকরাও দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকেই দিনে ও রাতে খড়খুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছেন।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলস্থ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানান, আজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও শনিবার ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কোয়াশা কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। এ অবস্থা আরও দু’একদিন থাকতে পারে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.