
স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজারের আকবরপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে হাওর অঞ্চলে পতিত জমিতে ভাসমান কৃষি প্রযুক্তির বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
মঙ্গলবার ৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আকবরপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হায়দার হোসেনের সভাপতিত্বে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা সম্প্রসারণ জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের আওতায় বরিশাল রহমতপুর গবেষণা কেন্দ্রের সহযোগিতায় প্রশিক্ষণে অনলাইনে প্রধান অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মহাপরিচালক ড. দেবাশীয় সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. ফেরদৌসী ইসলাম, সিলেট বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মো. মতিউজ্জামান, বরিশাল রহমপুর কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামসুদ্দিন আহমদ।
প্রধান অতিথি ড. দেবাশীয় সরকার বলেন, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা জলাভূমিতে সবজি চাষে সফলতা পেয়েছেন। মৌলভীবাজারের জলাভূমিতে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কচুরিপানা ও আবর্জনা ব্যবহার করে ভাসমান পদ্ধতিতে ১২ মাস সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদন সম্ভব। কৃষিতে জলাবদ্ধতা, খরা, লবণাক্ততাসহ অনেক প্রতিবন্ধকতা আসবে। সেসব মোকাবিলা করেই এ অঞ্চলের কৃষিকে এগিয়ে নিতে হবে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. ফেরদৌসী ইসলাম বলেন, ভাসমান বেডে চাষাবাদে কৃষকের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নতুন প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলক চাষে তারা সফল হয়েছেন। এ কারণে ভাসমান বেডে চাষাবাদ কৃষকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে।
ভাসমান কৃষি প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার জানান, কচুরিপানা আপদ। সে আপদ কাজে লাগিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভাসমান বেডে সারা বছর সবজি ও মসলা চাষ করা সম্ভব। এতে কৃষক উপকৃত হবে। পূরণ হবে খাদ্য ঘাটতি।
দিন্যাপী প্রশিক্ষণে জেলার ৬০ জন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.