আব্দুর রব॥ নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রি. জে. (অব.) মোহাম্মদ জাবেদ আলী বলেছেন, একটি মহল আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ভন্ডুল করার চেষ্টায় লিপ্ত। ইদানিং তারা নির্বাচন কমিশনকে ঢেলে সাজানোর দাবীতে ১৩ দফা, ১৪ দফা ফর্মূলা দিচ্ছেন। আকাশ থেকে যেন তাদেরকে দেবদূত এনে দিতে হবে। দেশের অমঙ্গলকামী এ গোষ্ঠী নির্বাচন কমিশনকে মলিন করতে, কালিমা লেপন ও সরকারের বদনাম কুড়াতে দেশি বিদেশী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু যেকোন মূল্যে নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে বদ্ধ পরিকর। তাই এটা মাথায় রেখে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে।
২০ নভেম্বর রোববার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা নির্বাচন কমিশন অফিস ও সার্ভার স্টেশন পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের আঞ্চলিক (সিলেট) নির্বাচন কর্মকর্তা এজহারুল হক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ, কুলাউড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্দ জিল্লুুর রহমান, বড়লেখা উপজেলা নির্বাচন অফিসার বাবলু সূত্রধর।
ইসি ব্রি. জে. (অব:) মোহাম্মদ জাবেদ আলী আরো বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন ইতিহাসে জেলা পরিষদ নির্বাচন প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটা সাধারণ নির্বাচনের মতো নয়। এ নির্বাচনে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। সাধারণ নির্বাচনে জনগণ ভোট দেয়। তাদের দলীয় পরিচয় থাকেনা। কিন্তু জেলা পরিষদ নির্বাচনে যারা ভোট দিবেন ও প্রার্থী হবেন প্রত্যেকের দলীয় পরিচয় রয়েছে। ভোটারা সকলেই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তাই যারা প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবে, তারা ভোটারদের ভোট দিতে নিয়ে আসতে নানা পথ অবলম্বন করবে। দলীয় মনোবৃত্তি নিয়ে অগ্রসর হবে। যে কারণে সংঘাত কিংবা গোলযোগের আশংকা রয়েছে। তাই নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সেসব ব্যাপারে সক্রিয় ও সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে ইসি বলেন, জেলা সদরে গিয়ে কোন ভোটারকে ভোট দিতে হবে না। প্রত্যেক ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। সেখানেই তারা ভোট দিবেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.