
স্টাফ রিপোর্টার : মৌলভীবাজার জেলার পূরো আকাশ ঘন কোয়াশার চাদরে ঢেকে রয়েছে। সূর্যের মূখ ক্ষণিকের জন্যও দেখা মিলেনি। গত তিন দিন থেকে জেলার ৭টি উপজেলায় ঘন কুয়াশা ও মাঘে'র শীতের কাঁপন শুরু হয়েছে। জেলা জুড়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জন'জীবন বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
বিশেষ করে জেলার পাহাড়ি এলাকার অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও চা শ্রমিকরা রয়েছে চরম দুর্ভোগে। কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় সড়কগুলোতে বেড়েছে দুর্ঘটনা, এতে ধীরগতিতে যান চলাচল করছে। দিনমজুর ও চা শ্রমিকদের শীত উপেক্ষা করেই তাদের খুব সকালে কাজের তাগিদে বের হতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ঘন কুয়াশায় ঢাকা কমলগঞ্জের ফুলবাড়ী চা বাগানের শ্রমিক সন্দীপ রায় বলেন, ‘হামরার বাগানে এখন খুব বেশী শীত। এই শীতে হাত-পা খুব বেশী কাঁপছে, শরীর জড়োসড়ো হই যায়। কাম করতে পারি না, আর কাম না করলে হামরা কী খাইমু, শীতে কাজ না করলে হামরা কি খাইয়া থাকমু? দিনমজুর রহমান মিয়া জানান, বাবা আমাদের কি আর শীত আর গরম আছে। কাজ করতে হবে। কাজ না করলে পরিবার চলবে না। পরিবারের সবাইকে নিয়ে না খেয়ে উপাস মরতে হবে।
এ দিখে কৃষক সুরুজ মিয়াকে জিজ্ঞেস করলে বলে, আমাদের তিন ফসলি জমি খুবই কম, আমার টাকা পয়সা খবর করে জমিতে পানি লাগিয়ে বুরু চাষ করি, শীত যতই আসুন না কেনো আমাদের সময় মতো জমিতে ধান না লাগাতে পারলে আমাদের অনক ক্ষতি হয়ে যাবে, তাই আমারা শীতের অপেক্ষা না করে কাজে লেগে যাই, প্রথমে ঘন্টাখানেক শীত লাগলো পরে'তা শরিরের সাথে মিশে যায়। ঠান্ডার বোঝা যায় না। যদিও আমাদের সরকার থেকে কোন অনুদান দেওয়া হতো তাহলে আমাদের খুব উপকার হত।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের থেকে জানাযায়, নতুন বছরের জানুয়ারিতে বেশির ভাগ সময় দেশের কোথাও না কোথাও শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.