
বড়লেখা অফিস॥ বড়লেখা উপজেলার দক্ষিনভাগ (দক্ষিন) ইউনিয়নের হাতলিয়া গ্রামে একটি বাড়ির রাস্তা নিয়ে বিরোধ চরম আকার ধারন করেছে। বেশ কয়েকবার এ নিয়ে সালিশ বৈঠক অনুষ্টিত হলেও বিষয়টির কোন সুরাহা না হওয়া যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করা হচ্ছে।স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও মহামান্য আদালত ও সরেজমিনে দেখা গেছে, হাতলিয়া গ্রামের এক বাড়ীতে যৌথভাবে বসবাস করেন শফিউল আলম ও তাদের চাচাতো ভাই মঞ্জুরুল আলমের পরিবার। বাড়ীর ঢুকার পথেই শফিউল আলমের ঘর এবং বাড়ীর ভিতরাংশে মঞ্জুরুল আলমের ঘর। বাড়ীর উভয় পরিবারের চলাচলের জন্য দীর্ঘদিনের রাস্তাটি নানা অজুহাত দেখিয়ে শফিউল আলম বন্ধ করার পায়তারা করছেন। ইতোমধ্যে শফিউল ঘর নির্মাণ করে রাস্তার অর্ধেকাংশ দখল করে ফেলেছেন। রাস্তা দিয়ে মঞ্জুরুল আলমের পরিবারের লোকজন চলাচল করলে তাদের নানা হুমকি প্রদান করে থাকেন। এনিয়ে তার পরিবারের লোকজন পড়েছেন বিপাকে। বিকল্প রাস্তার কোন ব্যবস্থা না থাকায় তিনি এই রাস্তাটি বহাল রাখার জন্য ইউনিয়ন পরিষদসহ এলাকার গণ্যমান্য লোকদের কাছে ধরনা দিয়ে কোন সুরাহা না পেয়ে দ্বারস্থ হয়েছেন আদালতের।
মঞ্জুরুল আলম জানান, রাস্তাটি তার ঘরের সামনে দিয়ে হওয়ায় আমার চাচাতো ভাই শফিউল ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। রাস্তা বন্ধ করে সে উল্টো আবার ইউনিয়ন পরিষদে আমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। আমি বিষয়টি সুরাহা করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদসহ এলাকার গণ্যমান্য লোকদের কাছে বিচার প্রার্থী হয়ে কোন সুরাহা না পেয়ে মহামান্য আদালতের ধারস্থ হয়েছি। আশা করি আদালত এর সুবিচার করে দিবেন।
এলাকার মুরব্বী আব্দুস সালাম (৭০), আইনুল হক (৭৫), সমছ উদ্দিন (৬৫), নিজাম উদ্দিন (৬০), নজরুল ইসলাম (৫৫) ও মোজাম্মিল আলী (৬৪), জানান, এ রাস্তাটি উভয় পরিবার দীর্ঘদিন থেকে ব্যবহার করে আসছে। এখন হঠাৎ করে শফিউল আলম রাস্তার উপর গৃহ নির্মান করায় উভয় পরিবারের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার চেয়ারম্যান মেম্বারসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সালশ বৈঠক করলেও কোন সুরাহা না হওয়াতে আদালতের স্বরনাপন্ন হতে হয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.